
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকায় একটি গ্যাস লাইটার তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কারখানাটির মেইন গেট তালাবদ্ধ থাকার কারণেই এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এর আগে গত বছর একই কারখানায় আগুন লাগার পর উপজেলা প্রশাসন এটি সিলগালা করে দিয়েছিল বলে জানা গেছে। কিন্তু কীভাবে, কার অনুমতিতে এটি আবার চালু হলো— তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে কারখানাটির বৈধতার কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন কেরানীগঞ্জ দক্ষিণের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফতাব আহমেদ।
আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর সোয়া ১টার দিকে কারখানাটিতে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। প্রথমে তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করলেও পরে পর্যায়ক্রমে ইউনিট সংখ্যা বাড়িয়ে সাতটি করা হয়। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় দুপুর আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম শনিবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা নারী নাকি পুরুষ, তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। কারখানার ভেতরে আরও কেউ আটকে আছেন কি না, তা নিশ্চিত হতে তল্লাশি চলছে।
ফায়ার সার্ভিসের আরেক কর্মকর্তারা ফয়সালুর রহমান জানান, টিনশেড ভবনে গড়ে ওঠা কারখানাটিতে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে। আগুনের সূত্রপাত, অবকাঠামোগত নিরাপত্তা এবং মালিকপক্ষের গাফিলতি ছিল কি না— এসব বিষয় খতিয়ে দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাটির মালিক আকরাম মিয়া, যিনি জিঞ্জিরা এলাকার বাসিন্দা। তবে স্থানীয়দের অনেকে বলছেন, আকরাম মিয়া জমির মালিক, তিনি কারখানাটি ভাড়া দিয়েছেন। তবে আগুন লাগার পর থেকে শুরু করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসা পর্যন্ত মালিকপক্ষের কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত বছরও একই গ্যাস লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা গেছে। সে সময় উপজেলা প্রশাসন কারখানাটি সিলগালা করে দেয়। কিন্তু এটি আবার কীভাবে চালু হলো, কে বা কারা কারখানাটি চালু করা অনুমতিতে দিলো— সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি।
আজ শনিবার লাগা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাটি পরিদর্শন করেছেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত বছর সিলগালা করে দেওয়ার পরও কারা অনুমতি দিয়ে কারখানাটি পুনরায় চালু করেছে, তা খতিয়ে দেখা হবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণে ভোটে সরকার নির্বাচিত হয়েছে, জনগণের সরকারে কেউ জবাবদিহিতার বাইরে নয়। ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অবগত আছে, তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। এই অবৈধ স্থাপনার তালা কে খুলে দিল, এই কারখানার পুনরায় সচলের জন্য কে বা কারা উদ্যোগ নিয়েছে— সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকায় একটি গ্যাস লাইটার তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কারখানাটির মেইন গেট তালাবদ্ধ থাকার কারণেই এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এর আগে গত বছর একই কারখানায় আগুন লাগার পর উপজেলা প্রশাসন এটি সিলগালা করে দিয়েছিল বলে জানা গেছে। কিন্তু কীভাবে, কার অনুমতিতে এটি আবার চালু হলো— তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে কারখানাটির বৈধতার কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন কেরানীগঞ্জ দক্ষিণের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফতাব আহমেদ।
আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর সোয়া ১টার দিকে কারখানাটিতে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। প্রথমে তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করলেও পরে পর্যায়ক্রমে ইউনিট সংখ্যা বাড়িয়ে সাতটি করা হয়। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় দুপুর আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম শনিবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা নারী নাকি পুরুষ, তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। কারখানার ভেতরে আরও কেউ আটকে আছেন কি না, তা নিশ্চিত হতে তল্লাশি চলছে।
ফায়ার সার্ভিসের আরেক কর্মকর্তারা ফয়সালুর রহমান জানান, টিনশেড ভবনে গড়ে ওঠা কারখানাটিতে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে। আগুনের সূত্রপাত, অবকাঠামোগত নিরাপত্তা এবং মালিকপক্ষের গাফিলতি ছিল কি না— এসব বিষয় খতিয়ে দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাটির মালিক আকরাম মিয়া, যিনি জিঞ্জিরা এলাকার বাসিন্দা। তবে স্থানীয়দের অনেকে বলছেন, আকরাম মিয়া জমির মালিক, তিনি কারখানাটি ভাড়া দিয়েছেন। তবে আগুন লাগার পর থেকে শুরু করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসা পর্যন্ত মালিকপক্ষের কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত বছরও একই গ্যাস লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা গেছে। সে সময় উপজেলা প্রশাসন কারখানাটি সিলগালা করে দেয়। কিন্তু এটি আবার কীভাবে চালু হলো, কে বা কারা কারখানাটি চালু করা অনুমতিতে দিলো— সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি।
আজ শনিবার লাগা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাটি পরিদর্শন করেছেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত বছর সিলগালা করে দেওয়ার পরও কারা অনুমতি দিয়ে কারখানাটি পুনরায় চালু করেছে, তা খতিয়ে দেখা হবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণে ভোটে সরকার নির্বাচিত হয়েছে, জনগণের সরকারে কেউ জবাবদিহিতার বাইরে নয়। ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অবগত আছে, তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। এই অবৈধ স্থাপনার তালা কে খুলে দিল, এই কারখানার পুনরায় সচলের জন্য কে বা কারা উদ্যোগ নিয়েছে— সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
২০ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে