
বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের সোনাখালী বাজারসংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু দীর্ঘ ১২ বছর ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। সেতুর মাঝের অংশ ধসে পড়ায় স্থানীয়রা অস্থায়ীভাবে নড়বড়ে কাঠের পাটাতন বসিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করলেও তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় অন্তত ছয়টি গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর মাঝের দিকের একটি বড় অংশ ভেঙে খালে পড়েছে। সেখানে বসানো অস্থায়ী কাঠের পাটাতন যে কোনো সময় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেতুর উত্তর দিকের প্রান্তও আংশিক দেবে গেছে। প্রতিদিন শত শত পথচারী, শিক্ষার্থী ও হালকা যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে সেতুটি পারাপার করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) লোহার কাঠামোর ওপর ঢালাই দিয়ে সেতুটি নির্মাণ করে। তবে ২০১৪ সালে সেতুর মাঝখানের অংশ ধসে পড়ে একটি পণ্যবাহী ট্রলি খালে পড়ে যায়। এরপর এক যুগ পার হলেও সংস্কারে নেওয়া হয়নি কার্যকর কোনো উদ্যোগ।

এই সেতুর ওপর নির্ভরশীল সোনাখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গেরাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাহবুব আলম মোল্লা মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থী প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে।
সোনাখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী যুথি জানান, প্রতিদিন ভয় নিয়ে সেতু পার হতে হয়। কখন যে ভেঙে পড়ে, সেই আতঙ্ক সবসময় কাজ করে। একই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র হাসিব বলে, বিকল্প রাস্তা না থাকায় বাধ্য হয়েই ঝুঁকি নিয়ে সেতুটি ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. হানিফ হাওলাদার বলেন, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে কয়েক হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। দ্রুত সংস্কার করা জরুরি।
আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রিপন বলেন, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পরপরই উপজেলা প্রকৌশল বিভাগকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা নিজেরাই কাঠের পাটাতন বসিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন।
এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস জানান, সেতুটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সংস্কার সম্ভব হয়নি। সেখানে একটি নতুন গার্ডার সেতু নির্মাণের প্রস্তাব ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।

বরগুনার আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের সোনাখালী বাজারসংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু দীর্ঘ ১২ বছর ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। সেতুর মাঝের অংশ ধসে পড়ায় স্থানীয়রা অস্থায়ীভাবে নড়বড়ে কাঠের পাটাতন বসিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করলেও তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় অন্তত ছয়টি গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর মাঝের দিকের একটি বড় অংশ ভেঙে খালে পড়েছে। সেখানে বসানো অস্থায়ী কাঠের পাটাতন যে কোনো সময় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেতুর উত্তর দিকের প্রান্তও আংশিক দেবে গেছে। প্রতিদিন শত শত পথচারী, শিক্ষার্থী ও হালকা যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে সেতুটি পারাপার করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) লোহার কাঠামোর ওপর ঢালাই দিয়ে সেতুটি নির্মাণ করে। তবে ২০১৪ সালে সেতুর মাঝখানের অংশ ধসে পড়ে একটি পণ্যবাহী ট্রলি খালে পড়ে যায়। এরপর এক যুগ পার হলেও সংস্কারে নেওয়া হয়নি কার্যকর কোনো উদ্যোগ।

এই সেতুর ওপর নির্ভরশীল সোনাখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গেরাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাহবুব আলম মোল্লা মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থী প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে।
সোনাখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী যুথি জানান, প্রতিদিন ভয় নিয়ে সেতু পার হতে হয়। কখন যে ভেঙে পড়ে, সেই আতঙ্ক সবসময় কাজ করে। একই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র হাসিব বলে, বিকল্প রাস্তা না থাকায় বাধ্য হয়েই ঝুঁকি নিয়ে সেতুটি ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. হানিফ হাওলাদার বলেন, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে কয়েক হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। দ্রুত সংস্কার করা জরুরি।
আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রিপন বলেন, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পরপরই উপজেলা প্রকৌশল বিভাগকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা নিজেরাই কাঠের পাটাতন বসিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন।
এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস জানান, সেতুটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সংস্কার সম্ভব হয়নি। সেখানে একটি নতুন গার্ডার সেতু নির্মাণের প্রস্তাব ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।

মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করে অতিরিক্তি পুলিশ সুপার সুজন সরকার বলেন, ‘সুনামগঞ্জের ১২ জন নিহতের ঘটনায় নিহতদের পরিবারের অভিযোগে দুইটি মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, আমরা তাদের কয়েকজনের নাম পেয়েছি।’
২১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীতে সাম্প্রতিক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেক) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি দেশে হামের প্রা
১ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ফুয়েল কার্ড নিতে এসে বখতিয়ার (৫৫) নামের এক কীটনাশক ব্যবসায়ীর আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে উপজেলা মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
১ দিন আগে