
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় মোস্তাকীম (২৮) নামের এক তরুণের মৃত্যুকে ঘিরে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি মারধরের শিকার হয়ে মারা গেছেন, নাকি ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন— এ নিয়ে পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যের সঙ্গে নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের বক্তব্যে মিল নেই।
ঘটনাটি গত মঙ্গলবারের (২৪ মার্চ) হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নান্দাইল বা গফরগাঁওয়ের কোনো থানায় মামলা দায়ের হয়নি। পুলিশের নীরবতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজনরা।
নিহত মোস্তাকীমের বাড়ি গফরগাঁও উপজেলার চরমছলন্দ ইউনিয়নের মধ্যেরটেক সরকারি আশ্রয়ণে। তিনি হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান; বাবা আবুল কালাম একজন শ্রবণপ্রতিবন্ধী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নান্দাইল উপজেলার পাছরুখী বাজারের ‘সুজন হোটেল এন্ড সুইটমিট’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ভেতরে মোস্তাকীমকে বেদম মারধর করা হয়। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের পাশে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে রেলওয়ে থানা-পুলিশ। তাকে প্রথমে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
পরে খবর পেয়ে স্বজনরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া মোড়ে পৌঁছালে পথেই তার মৃত্যু হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় কোনো খোঁজখবর না নেওয়ার অভিযোগ তুলে স্বজনরা জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে স্থানীয়দের পরামর্শে ২৫ মার্চ দুপুরে তাকে দাফন করা হয়।
নিহত মোস্তাকীম ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিল। স্বজনরা আহত মোস্তাকীমকে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখতে গেলে পুলিশ তখন তাদের জানায়, ট্রেনের ধাক্কায় মোস্তাকীম আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, মোস্তাকীমকে মারধরের অভিযোগের বিষয়ে ‘সুজন হোটেল এন্ড সুইটমিট’-এর মালিক সুজন মিয়া বলেন, মোবাইল চুরির অভিযোগে বাইরের লোকজন মোস্তাকীমকে মারধর করছিল। সে সময় তিনি বাঁচার জন্য তার দোকানে ঢুকে পড়েন। একপর্যায়ে পা পিছলে গরম সিরার মধ্যে পড়ে যায়। পরে দোকান থেকে বের করে দেওয়া হলে বাইরের লোকজন তাকে নিয়ে যায়। এরপর কী হয়েছে, তা তিনি জানেন না।
এ বিষয়ে নিহতের ভগ্নিপতি বদরুল ইসলাম জানান, ঈদের ছুটিতে তিনি শ্বশুরবাড়িতে এসেছিলেন। মোস্তাকীম প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের দিন আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে বাড়ি থেকে বের হন। তিনদিন পর ২৪ মার্চ রাতে পুলিশ তাদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে আহত অবস্থায় মোস্তাকীমকে দেখায়। মাথাসহ তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন এবং পায়ে ব্যান্ডেজ বাঁধা ছিল।
তিনি আরও জানান, পরে আত্মীয়-স্বজনদের ডেকে এনে চিকিৎসার জন্য মোস্তাকীমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে নিয়ে যাবার জন্য রওয়ানা করেন। কিন্তু পথিমধ্যে ত্রিশাল উপজেলা বালিপাড়া মোড়ে মোস্তাকীম মারা যান।
গফরগাঁও রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন বলেন, রেললাইনের পাশ থেকে আহত অবস্থায় মোস্তাকীমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরবর্তীতে তার কী হয়েছে সে বিষয়ে থানা-পুলিশকে কেউ অবহিত করেনি।
নান্দাইল মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সম্রাজ মিয়া জানান, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ থানায় জমা পড়েছে। এসআই মামুন অভিযোগটি তদন্ত করছেন।
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মামুন জানান, তিনি মোস্তাকীমকে মোবাইল চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন। তবে তাকে আহত অবস্থায় যে জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেটি রেলওয়ে থানার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সেখানকার পুলিশ বাকিটা তদন্ত করবে।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় মোস্তাকীম (২৮) নামের এক তরুণের মৃত্যুকে ঘিরে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি মারধরের শিকার হয়ে মারা গেছেন, নাকি ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন— এ নিয়ে পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যের সঙ্গে নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের বক্তব্যে মিল নেই।
ঘটনাটি গত মঙ্গলবারের (২৪ মার্চ) হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নান্দাইল বা গফরগাঁওয়ের কোনো থানায় মামলা দায়ের হয়নি। পুলিশের নীরবতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজনরা।
নিহত মোস্তাকীমের বাড়ি গফরগাঁও উপজেলার চরমছলন্দ ইউনিয়নের মধ্যেরটেক সরকারি আশ্রয়ণে। তিনি হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান; বাবা আবুল কালাম একজন শ্রবণপ্রতিবন্ধী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নান্দাইল উপজেলার পাছরুখী বাজারের ‘সুজন হোটেল এন্ড সুইটমিট’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ভেতরে মোস্তাকীমকে বেদম মারধর করা হয়। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের পাশে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে রেলওয়ে থানা-পুলিশ। তাকে প্রথমে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
পরে খবর পেয়ে স্বজনরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া মোড়ে পৌঁছালে পথেই তার মৃত্যু হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় কোনো খোঁজখবর না নেওয়ার অভিযোগ তুলে স্বজনরা জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে স্থানীয়দের পরামর্শে ২৫ মার্চ দুপুরে তাকে দাফন করা হয়।
নিহত মোস্তাকীম ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিল। স্বজনরা আহত মোস্তাকীমকে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখতে গেলে পুলিশ তখন তাদের জানায়, ট্রেনের ধাক্কায় মোস্তাকীম আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, মোস্তাকীমকে মারধরের অভিযোগের বিষয়ে ‘সুজন হোটেল এন্ড সুইটমিট’-এর মালিক সুজন মিয়া বলেন, মোবাইল চুরির অভিযোগে বাইরের লোকজন মোস্তাকীমকে মারধর করছিল। সে সময় তিনি বাঁচার জন্য তার দোকানে ঢুকে পড়েন। একপর্যায়ে পা পিছলে গরম সিরার মধ্যে পড়ে যায়। পরে দোকান থেকে বের করে দেওয়া হলে বাইরের লোকজন তাকে নিয়ে যায়। এরপর কী হয়েছে, তা তিনি জানেন না।
এ বিষয়ে নিহতের ভগ্নিপতি বদরুল ইসলাম জানান, ঈদের ছুটিতে তিনি শ্বশুরবাড়িতে এসেছিলেন। মোস্তাকীম প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের দিন আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে বাড়ি থেকে বের হন। তিনদিন পর ২৪ মার্চ রাতে পুলিশ তাদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে আহত অবস্থায় মোস্তাকীমকে দেখায়। মাথাসহ তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন এবং পায়ে ব্যান্ডেজ বাঁধা ছিল।
তিনি আরও জানান, পরে আত্মীয়-স্বজনদের ডেকে এনে চিকিৎসার জন্য মোস্তাকীমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে নিয়ে যাবার জন্য রওয়ানা করেন। কিন্তু পথিমধ্যে ত্রিশাল উপজেলা বালিপাড়া মোড়ে মোস্তাকীম মারা যান।
গফরগাঁও রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন বলেন, রেললাইনের পাশ থেকে আহত অবস্থায় মোস্তাকীমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরবর্তীতে তার কী হয়েছে সে বিষয়ে থানা-পুলিশকে কেউ অবহিত করেনি।
নান্দাইল মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সম্রাজ মিয়া জানান, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ থানায় জমা পড়েছে। এসআই মামুন অভিযোগটি তদন্ত করছেন।
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মামুন জানান, তিনি মোস্তাকীমকে মোবাইল চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন। তবে তাকে আহত অবস্থায় যে জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেটি রেলওয়ে থানার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সেখানকার পুলিশ বাকিটা তদন্ত করবে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে