
নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী সদর উপজেলায় ইয়াবা সেবন ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এক পক্ষের বেধড়ক পিটুনিতে মো. কামাল উদ্দিন (৫০) নামে এক গাছ ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
শনিবার (৩০ মে) রাত ১০টার দিকে উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের রামবল্লভপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কামাল উদ্দিনের ছেলে ও ভাতিজার মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয় তাকে।
নিহত মো. কামাল একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের লেসি সরদার বাড়ির মৃত সোলাইমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত কামালের ছেলে তারেক (২৫) ও ভাতিজা ফরহাদ (২৪) দুজনের বিরুদ্ধেই ইয়াবা সেবন ও তা বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। গতকাল রাত আনুমানিক ৯টায় রামবল্লভপুর এলাকার মিনু হাজী বাড়ি ও লেসি সরদার বাড়ির পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাদের ইয়াবা বিক্রি ও সেবনকে কেন্দ্র করে উভয় বাড়ির কিশোরদের মধ্যে তর্কাতর্কি ও মারামারি হয়।
এক পর্যায়ে লেসি সরদার বাড়ির লোকজন মিনু মাঝি বাড়ির শামসুদ্দিন শামু (২৫), সিফাত (২২), সাইফুল ইসলাম (২৩), নুর উদ্দিন (২৪), তাওহীদ (২৩), মামুনমহ (২২) আরও কয়েকজনকে আটক করে।
পরে মিনু মাঝি বাড়ির ইমাম উদ্দিনের (৪০) হস্তক্ষেপে তাদের ছাড়িয়ে আনতে গেলে সেখানে তাদের সাথে তারেক (২৫), ফরহাদ (২৪) ও পারভেজ (২৪) ও আরও কয়েকজনের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময়ে মিনু মাঝি বাড়ির কিশোরদের ধাওয়ায় তারেক, পারভেজ ও ফরহাদ পালিয়ে গেলেও তারেকের বাবা মো. কামাল উদ্দিনকে বেধড়ক মারধর করে তারা। মারধরের এক পর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুধারাম মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) রাম চন্দ্র ভট্টাচার্য বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। এখানে এসে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন ধরনের তথ্য হাতে পাচ্ছি। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শব্দ বিশিষ্ট নোয়াখালীর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
রাজনীতি/এসআর

নোয়াখালী সদর উপজেলায় ইয়াবা সেবন ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এক পক্ষের বেধড়ক পিটুনিতে মো. কামাল উদ্দিন (৫০) নামে এক গাছ ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
শনিবার (৩০ মে) রাত ১০টার দিকে উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের রামবল্লভপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কামাল উদ্দিনের ছেলে ও ভাতিজার মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয় তাকে।
নিহত মো. কামাল একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের লেসি সরদার বাড়ির মৃত সোলাইমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত কামালের ছেলে তারেক (২৫) ও ভাতিজা ফরহাদ (২৪) দুজনের বিরুদ্ধেই ইয়াবা সেবন ও তা বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। গতকাল রাত আনুমানিক ৯টায় রামবল্লভপুর এলাকার মিনু হাজী বাড়ি ও লেসি সরদার বাড়ির পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাদের ইয়াবা বিক্রি ও সেবনকে কেন্দ্র করে উভয় বাড়ির কিশোরদের মধ্যে তর্কাতর্কি ও মারামারি হয়।
এক পর্যায়ে লেসি সরদার বাড়ির লোকজন মিনু মাঝি বাড়ির শামসুদ্দিন শামু (২৫), সিফাত (২২), সাইফুল ইসলাম (২৩), নুর উদ্দিন (২৪), তাওহীদ (২৩), মামুনমহ (২২) আরও কয়েকজনকে আটক করে।
পরে মিনু মাঝি বাড়ির ইমাম উদ্দিনের (৪০) হস্তক্ষেপে তাদের ছাড়িয়ে আনতে গেলে সেখানে তাদের সাথে তারেক (২৫), ফরহাদ (২৪) ও পারভেজ (২৪) ও আরও কয়েকজনের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময়ে মিনু মাঝি বাড়ির কিশোরদের ধাওয়ায় তারেক, পারভেজ ও ফরহাদ পালিয়ে গেলেও তারেকের বাবা মো. কামাল উদ্দিনকে বেধড়ক মারধর করে তারা। মারধরের এক পর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুধারাম মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) রাম চন্দ্র ভট্টাচার্য বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। এখানে এসে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন ধরনের তথ্য হাতে পাচ্ছি। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শব্দ বিশিষ্ট নোয়াখালীর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
রাজনীতি/এসআর

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
২১ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
২ দিন আগে