
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় চলতি মৌসুমে আউশ ধানের আশানুরূপ ফলন হয়েছে। ভালো ফলনে কৃষকদের মুখে এখন তৃপ্তির হাসি। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আবাদ করা জমির সোনালী ধান এখন হাওয়ায় দোল খাচ্ছে।
নান্দাইল পৌরসভাসহ উপজেলার বীরবেতাগৈর, শেরপুর, খারুয়া, নান্দাইল সদর, গাংগাইল, মোয়াজ্জেমপুর ও চণ্ডীপাশা ইউনিয়নে আউশ ধানের আবাদ বেশি হয়েছে।
বীরকামট খালী গ্রামের কৃষক মুনজুরুল হক, আলতাফ মিয়া ,সাভার গ্রামের মাসুম মিয়া, রাজাবাড়িয়া গ্রামের আমিনুল হকসহ বেশ কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় , এই মৌসুমে ধান চাষের জন্য আবহাওয়া বেশ অনুকূল ছিল। তাই কৃষকরা আশা করছেন, এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হবে।
সাভার গ্রামের কৃষক মাসুম মিয়া বলেন, তিনি এ বছর পাঁচ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের আবাদ করেছেন এবং ফলনও ভালো হয়েছে। আগামী সপ্তাহে তার জমির ধান কাটা শুরু হবে।
আরেক কৃষক মনজুরুল হক জানান, তিনি ৭০ শতক জমিতে আউশ ধান চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল হক জানান, এই মৌসুমে ব্রি ধান ৪৮, ৮৫ এবং ৯৮ জাতের আবাদ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর নান্দাইলে আউশ ধানের আবাদ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হয়েছে। এবার ১ হাজার ২৫০ হেক্টর জমির লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আবাদ হয়েছে মাত্র ৮৫০ হেক্টর জমিতে। তবে ফলন ভালো হয়েছে, প্রতি হেক্টরে গড় ফলন ২.৮২ মেট্রিক টন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নাঈমা সুলতানা জানান, এ বছর আউশের ফলন ভালো হয়েছে। যেহেতু এই মৌসুমে ধান চাষে সেচ, সার ও শ্রম তুলনামূলকভাবে কম লাগে, তাই কৃষকরা আউশ ধান চাষে দিন দিন আগ্রহী হচ্ছেন।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় চলতি মৌসুমে আউশ ধানের আশানুরূপ ফলন হয়েছে। ভালো ফলনে কৃষকদের মুখে এখন তৃপ্তির হাসি। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আবাদ করা জমির সোনালী ধান এখন হাওয়ায় দোল খাচ্ছে।
নান্দাইল পৌরসভাসহ উপজেলার বীরবেতাগৈর, শেরপুর, খারুয়া, নান্দাইল সদর, গাংগাইল, মোয়াজ্জেমপুর ও চণ্ডীপাশা ইউনিয়নে আউশ ধানের আবাদ বেশি হয়েছে।
বীরকামট খালী গ্রামের কৃষক মুনজুরুল হক, আলতাফ মিয়া ,সাভার গ্রামের মাসুম মিয়া, রাজাবাড়িয়া গ্রামের আমিনুল হকসহ বেশ কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় , এই মৌসুমে ধান চাষের জন্য আবহাওয়া বেশ অনুকূল ছিল। তাই কৃষকরা আশা করছেন, এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হবে।
সাভার গ্রামের কৃষক মাসুম মিয়া বলেন, তিনি এ বছর পাঁচ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের আবাদ করেছেন এবং ফলনও ভালো হয়েছে। আগামী সপ্তাহে তার জমির ধান কাটা শুরু হবে।
আরেক কৃষক মনজুরুল হক জানান, তিনি ৭০ শতক জমিতে আউশ ধান চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল হক জানান, এই মৌসুমে ব্রি ধান ৪৮, ৮৫ এবং ৯৮ জাতের আবাদ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর নান্দাইলে আউশ ধানের আবাদ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হয়েছে। এবার ১ হাজার ২৫০ হেক্টর জমির লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আবাদ হয়েছে মাত্র ৮৫০ হেক্টর জমিতে। তবে ফলন ভালো হয়েছে, প্রতি হেক্টরে গড় ফলন ২.৮২ মেট্রিক টন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নাঈমা সুলতানা জানান, এ বছর আউশের ফলন ভালো হয়েছে। যেহেতু এই মৌসুমে ধান চাষে সেচ, সার ও শ্রম তুলনামূলকভাবে কম লাগে, তাই কৃষকরা আউশ ধান চাষে দিন দিন আগ্রহী হচ্ছেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৬ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে