
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার পল্লিতে একটি গ্রামীণ সড়কে সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত একটি কালভার্ট ভেঙে ফেলার দায়ে জমির মালিককে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের ইকরিয়া কান্দা গ্রামের ওই বাসিন্দা শেখ এমদাদুল হক মিলনকে এ সময় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে কালভার্টের পাশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান।
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর অধীন এই জরিমানা করা হয়েছে বলে ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, শেখ এমদাদুল হক মিলন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য। দুই যুগের বেশি আগে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের নাউরী গ্রামের ইকরিয়া কান্দা নামক স্থানে গ্রামীণ সড়কের ওপর কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এটি নির্মাণ করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম। ছবি: সংগৃহীত ছবি
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েকদিন ধরে সেই কালভার্টটি ভাঙছিলেন শ্রমিকরা। ওই শ্রমিকদের নিয়োজিত করেন শেখ এমদাদুল হক মিলন।
বাসিন্দারা জানান, নাউরী, ইকরিয়া কান্দা, নয়াপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামের পানি নিষ্কাশনের জন্য কালভার্টটির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এটি না থাকলে গ্রামগুলোতে জলাবদ্ধতা তৈরি হবে। ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যেতে পারে।
নাউরী গ্রামের কৃষক শাহজাহান মণ্ডল বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছি এই কালভার্টের নিচ দিয়ে কয়েকটি গ্রামের সমস্ত পানি নিষ্কাশন হয়ে আসছে। কিন্তু হঠাৎ বিএনপি নেতা শেখ এমদাদুল হক মিলন তার জমি ভরাটের জন্য কালভার্টটি ভাঙতে শুরু করেন। স্থানীয়রা বাধা দিলেও শোনেননি।
পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশ ও ইউএনওকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়।
এমদাদুল হক মিলন সাংবাদিকদের বলেন, মাসখানেক আগে জমিটি কিনেছি। বাড়ি বানাব জন্য জমি ভরাট করছি। কালভার্ট ভেঙে ফেলার বিষয়টি এলজিইডির লোকজন জানে বলে দাবি করেন তিনি।
উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. মোজ্জাম্মেল হোসেন কালভার্ট ভাঙার খবর পেয়ে একজন কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত না করার জন্য বলা হয়েছে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবায়দুর রহমান জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ সরকারি স্থাপনা ভাঙার কাজ বন্ধ করে দিয়ে আসে।

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার পল্লিতে একটি গ্রামীণ সড়কে সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত একটি কালভার্ট ভেঙে ফেলার দায়ে জমির মালিককে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের ইকরিয়া কান্দা গ্রামের ওই বাসিন্দা শেখ এমদাদুল হক মিলনকে এ সময় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে কালভার্টের পাশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান।
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর অধীন এই জরিমানা করা হয়েছে বলে ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, শেখ এমদাদুল হক মিলন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য। দুই যুগের বেশি আগে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের নাউরী গ্রামের ইকরিয়া কান্দা নামক স্থানে গ্রামীণ সড়কের ওপর কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এটি নির্মাণ করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম। ছবি: সংগৃহীত ছবি
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েকদিন ধরে সেই কালভার্টটি ভাঙছিলেন শ্রমিকরা। ওই শ্রমিকদের নিয়োজিত করেন শেখ এমদাদুল হক মিলন।
বাসিন্দারা জানান, নাউরী, ইকরিয়া কান্দা, নয়াপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামের পানি নিষ্কাশনের জন্য কালভার্টটির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এটি না থাকলে গ্রামগুলোতে জলাবদ্ধতা তৈরি হবে। ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যেতে পারে।
নাউরী গ্রামের কৃষক শাহজাহান মণ্ডল বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছি এই কালভার্টের নিচ দিয়ে কয়েকটি গ্রামের সমস্ত পানি নিষ্কাশন হয়ে আসছে। কিন্তু হঠাৎ বিএনপি নেতা শেখ এমদাদুল হক মিলন তার জমি ভরাটের জন্য কালভার্টটি ভাঙতে শুরু করেন। স্থানীয়রা বাধা দিলেও শোনেননি।
পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশ ও ইউএনওকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়।
এমদাদুল হক মিলন সাংবাদিকদের বলেন, মাসখানেক আগে জমিটি কিনেছি। বাড়ি বানাব জন্য জমি ভরাট করছি। কালভার্ট ভেঙে ফেলার বিষয়টি এলজিইডির লোকজন জানে বলে দাবি করেন তিনি।
উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. মোজ্জাম্মেল হোসেন কালভার্ট ভাঙার খবর পেয়ে একজন কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত না করার জন্য বলা হয়েছে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবায়দুর রহমান জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ সরকারি স্থাপনা ভাঙার কাজ বন্ধ করে দিয়ে আসে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে