
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

নান্দাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল মডেল থানা পুলিশ। এক ছাত্রলীগ নেতার সন্তানের আকিকার দাওয়াতে গিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাতে নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের ধুরুয়া এলাকা থেকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার (১৮ জুন) তাদের ময়মনসিংহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের স্থানীয় এক নেতার ছেলের আকিকায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের। ওই সাতজন আমন্ত্রণ গ্রহণ করে মঙ্গলবার রাতে সেখানে হাজির হন। গোপন সূত্রে পুলিশ খবর পেলে সেখানে গিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার সাতজন হলেন— নান্দাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মাহবুব হাসান (৩০), ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদ সরকার (৩২), পাবেল (৩১), ইহছানুল হক জয় (২২), শাকিল আহম্মেদ (৩০) ও বরকত উল্লাহ (৩৫) এবং যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম (৩৫)।
নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ধুরুয়া এলাকায় পুলিশ অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় সাতজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নান্দাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল মডেল থানা পুলিশ। এক ছাত্রলীগ নেতার সন্তানের আকিকার দাওয়াতে গিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাতে নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের ধুরুয়া এলাকা থেকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার (১৮ জুন) তাদের ময়মনসিংহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের স্থানীয় এক নেতার ছেলের আকিকায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের। ওই সাতজন আমন্ত্রণ গ্রহণ করে মঙ্গলবার রাতে সেখানে হাজির হন। গোপন সূত্রে পুলিশ খবর পেলে সেখানে গিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার সাতজন হলেন— নান্দাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মাহবুব হাসান (৩০), ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদ সরকার (৩২), পাবেল (৩১), ইহছানুল হক জয় (২২), শাকিল আহম্মেদ (৩০) ও বরকত উল্লাহ (৩৫) এবং যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম (৩৫)।
নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ধুরুয়া এলাকায় পুলিশ অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় সাতজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২০ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে