
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইলে কয়েকজন নিরীহ কৃষকের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে ভুক্তভোগী কৃষকসহ স্থানীয়রা মানববন্ধন করেছেন।
এদিকে উপজেলার পাথর ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে তাদের ব্যবসায়িক সুনাম নষ্টের পাঁয়তারা করছে একটি চক্র। তারাও আলাদা একটি মানববন্ধন করে এর প্রতিকার চেয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, জমি খোয়ানো কৃষকরা নান্দাইল উপজেলার নান্দাইল পৌরসভার ঝাউগড়া মহল্লার বাসিন্দা। তারা মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে নান্দাইল উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করেন। দখলদারের কাছে জমি খোয়ানো ১২ জন কৃষক ওই মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন।
কৃষক মকবুল হোসেন বলেন, তার পাঁচ শতক জমি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান নিজ বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সময় দখল করে নেন। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করলে তাকে মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়।
কৃষক বকুল মিয়ার ছেলে শামীম মিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমালে তাদের ১৫ শতক জমি দখল করে নিয়েছেন আতাউর রহমান। তখনকার সময়ে আতাউর পুলিশে চাকরি করতেন। তিনি আওয়ামী লীগের নেতাদের টাকা দিয়ে এলাকায় ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করে রাখতেন। ফলে আমাদের মতো সাধারণ কৃষকের পক্ষে প্রতিবাদ করা সহজ ছিল না।
কৃষকদের অভিযোগ প্রসঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন, কৃষকদের অভিযোগ সত্য নয়। এ বিষয়ে এলাকায় একাধিক সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওইসব সালিশে এসব অভিযোগ মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে।

মঙ্গলবার নান্দাইলের তারেরঘাট বাজারে পাথর ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা মানববন্ধন করেন। ছবি: রাজনীতি ডটকম
এদিকে উপজেলার মুশুলি ইউনিয়নের তারেরঘাট বাজারের পাথর ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা মানববন্ধন করেন মঙ্গলবার সকালে। পাথর ব্যবসা নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদ জানাতে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন।
মানববন্ধনে পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান বাচ্চু বলেন, আমাদের বৈধ ব্যবসা নিয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা বৈধ পথে আমদানি করা পাথর এনে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে থাকি। নিয়মমাফিক ও আইনসম্মতভাবে ব্যবসা পরিচালনা করি।
পাথর ব্যবসায় কয়েক শ শ্রমিক কাজ করছেন জানিয়ে হাবিবুর বলেন, আমাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেলে এসব শত শত শ্রমিক কাজ হারাবেন। পরিবার নিয়ে তাদের পথে বসতে হবে।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে কয়েকজন নিরীহ কৃষকের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে ভুক্তভোগী কৃষকসহ স্থানীয়রা মানববন্ধন করেছেন।
এদিকে উপজেলার পাথর ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে তাদের ব্যবসায়িক সুনাম নষ্টের পাঁয়তারা করছে একটি চক্র। তারাও আলাদা একটি মানববন্ধন করে এর প্রতিকার চেয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, জমি খোয়ানো কৃষকরা নান্দাইল উপজেলার নান্দাইল পৌরসভার ঝাউগড়া মহল্লার বাসিন্দা। তারা মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে নান্দাইল উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করেন। দখলদারের কাছে জমি খোয়ানো ১২ জন কৃষক ওই মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন।
কৃষক মকবুল হোসেন বলেন, তার পাঁচ শতক জমি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান নিজ বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সময় দখল করে নেন। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করলে তাকে মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়।
কৃষক বকুল মিয়ার ছেলে শামীম মিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমালে তাদের ১৫ শতক জমি দখল করে নিয়েছেন আতাউর রহমান। তখনকার সময়ে আতাউর পুলিশে চাকরি করতেন। তিনি আওয়ামী লীগের নেতাদের টাকা দিয়ে এলাকায় ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করে রাখতেন। ফলে আমাদের মতো সাধারণ কৃষকের পক্ষে প্রতিবাদ করা সহজ ছিল না।
কৃষকদের অভিযোগ প্রসঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন, কৃষকদের অভিযোগ সত্য নয়। এ বিষয়ে এলাকায় একাধিক সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওইসব সালিশে এসব অভিযোগ মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে।

মঙ্গলবার নান্দাইলের তারেরঘাট বাজারে পাথর ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা মানববন্ধন করেন। ছবি: রাজনীতি ডটকম
এদিকে উপজেলার মুশুলি ইউনিয়নের তারেরঘাট বাজারের পাথর ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা মানববন্ধন করেন মঙ্গলবার সকালে। পাথর ব্যবসা নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদ জানাতে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন।
মানববন্ধনে পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান বাচ্চু বলেন, আমাদের বৈধ ব্যবসা নিয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা বৈধ পথে আমদানি করা পাথর এনে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে থাকি। নিয়মমাফিক ও আইনসম্মতভাবে ব্যবসা পরিচালনা করি।
পাথর ব্যবসায় কয়েক শ শ্রমিক কাজ করছেন জানিয়ে হাবিবুর বলেন, আমাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেলে এসব শত শত শ্রমিক কাজ হারাবেন। পরিবার নিয়ে তাদের পথে বসতে হবে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৭ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে