
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলালের চেয়ে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়েছেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে লুৎফুজ্জামান বাবর পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৮০১ ভোট। আর জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ৩৯ হাজার ৮৪০ ভোট।
নেত্রকোনার এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৩০৮ জন। এখানে ১৫০টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যান্য প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির জলি তালুকদার (কাস্তে প্রতীক) পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৫৯ ভোট। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির চম্পা রানী সরকার (কোদাল প্রতীক) পেয়েছেন ২৮২ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মুখলেছুর রহমান (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ২ হাজার ২৫ ভোট।
বিজয়ী হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘এই বিজয় জনগণের বিজয়। এলাকার উন্নয়ন, অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমি কাজ করে যাব। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’
২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে ২০০৪ সালের মার্চে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান লুৎফুজ্জামান বাবর। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা অবস্থাতেই সংঘটিত হয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি ঘটনা— ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্রের চালান জব্দ।
আলোচিত দুটি মামলাতেই দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে বাবরকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দেন আদালত। এ ছাড়া সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলা ও সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি ছিলেন তিনি। তার নামে আরও মামলা ছিল।
গত বছরের ডিসেম্বরে আদালত একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় বাবরকে খালাস দেন। তার নামে থাকা অন্য মামলাগুলো থেকেও তাকে খালাস দেওয়া হয়। দীর্ঘ সাড়ে ১৭ বছর কারাবন্দি থাকার পর গত ১৬ জানুয়ারি কারামুক্ত হন লুৎফুজ্জামান বাবর।

নেত্রকোনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলালের চেয়ে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়েছেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে লুৎফুজ্জামান বাবর পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৮০১ ভোট। আর জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ৩৯ হাজার ৮৪০ ভোট।
নেত্রকোনার এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৩০৮ জন। এখানে ১৫০টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যান্য প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির জলি তালুকদার (কাস্তে প্রতীক) পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৫৯ ভোট। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির চম্পা রানী সরকার (কোদাল প্রতীক) পেয়েছেন ২৮২ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মুখলেছুর রহমান (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ২ হাজার ২৫ ভোট।
বিজয়ী হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘এই বিজয় জনগণের বিজয়। এলাকার উন্নয়ন, অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমি কাজ করে যাব। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’
২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে ২০০৪ সালের মার্চে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান লুৎফুজ্জামান বাবর। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা অবস্থাতেই সংঘটিত হয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি ঘটনা— ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্রের চালান জব্দ।
আলোচিত দুটি মামলাতেই দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে বাবরকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দেন আদালত। এ ছাড়া সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলা ও সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি ছিলেন তিনি। তার নামে আরও মামলা ছিল।
গত বছরের ডিসেম্বরে আদালত একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় বাবরকে খালাস দেন। তার নামে থাকা অন্য মামলাগুলো থেকেও তাকে খালাস দেওয়া হয়। দীর্ঘ সাড়ে ১৭ বছর কারাবন্দি থাকার পর গত ১৬ জানুয়ারি কারামুক্ত হন লুৎফুজ্জামান বাবর।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে