
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

জাতীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও উত্তর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালিকা ফুটবল দল। রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত ফাইনালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে ট্রফি ও পুরস্কার গ্রহণ করে দলটির খেলোয়াড়রা। তবে জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য এনে দিলেও স্কুলটিতে রয়েছে শ্রেণিকক্ষের তীব্র সংকট, নেই খেলাধুলার উপযুক্ত পরিবেশও। কর্দমাক্ত মাঠের কারণে নিজেদের স্কুলে অনুশীলনও করতে পারে না ক্ষুদে ফুটবলাররা।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নান্দাইল পৌরসভার আচারগাঁও উত্তর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত। ৪০ শতক জমির ওপর গড়ে ওঠা বিদ্যালয়টির মাঠটি চারপাশের তুলনায় নিচু হওয়ায় বর্ষাকালে প্রায় সারা বছরই বৃষ্টির পানিতে ডুবে থাকে। ফলে শুকনো মৌসুম ছাড়া মাঠে খেলাধুলা করা যায় না। বাধ্য হয়ে বিদ্যালয়ের বালিকা ফুটবল দলের সদস্যদের প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নান্দাইল পাইলট বালিকা বিদ্যালয় অথবা চণ্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে গিয়ে অনুশীলন করতে হয়।
বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত অবস্থাও নাজুক। প্রতিষ্ঠাকালে নির্মিত ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় ২০১৪ সালে তিন কক্ষবিশিষ্ট আরেকটি একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে তিনটি কক্ষের মধ্যে দুটি শ্রেণিকক্ষ এবং একটি অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিদ্যালয়ে দুই শিফটে (পালা) মোট ২০৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। প্রতি শিফটে তিনটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাত্র দুটি কক্ষে পাঠদান করানো হয়। এতে গাদাগাদি করে বসতে হয় শিক্ষার্থীদের এবং স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের মাঠে দাঁড়িয়ে দেখা যায়, চারদিকে আবাসিক এলাকা। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দীর্ঘদিন জমে থাকে। রোদে শুকাতে সময় লাগায় মাঠটি কর্দমাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। ফলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ পায় না।
স্কুল ছুটির পর দলের সদস্য পরশমনি, পৌষী, রওনক, সুমাইয়া, জান্নাতুল, পূর্ণিমা, মাবিয়াসহ অন্যরা কোচ দেলোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের নেতৃত্বে অনুশীলনের জন্য অন্য মাঠে ছুটে যায়। সেই কষ্টকর অনুশীলনের ফলেই দলটি ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে জাতীয় পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
গত ২০ জুন রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বালিকা বিভাগের ফাইনালে আচারগাঁও উত্তর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিপক্ষ ছিল পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার জোড়গাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ওই ম্যাচে নান্দাইলের দলটি ৪-২ গোলে হেরে রানার্সআপ হয়।
টুর্নামেন্টে নান্দাইল দলের স্টপার ব্যাক পরশমনি আক্তার 'ম্যান অব দ্য ম্যাচ' এবং সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি অর্জন করেন। তিনি গোল্ডেন বুটের পাশাপাশি নগদ ৩০ হাজার টাকা পুরস্কার পান। এ ছাড়া রানার্সআপ দল হিসেবে বিদ্যালয়টি ট্রফি, পদক ও দুই লাখ টাকা পুরস্কার লাভ করে।
পরশমনি আক্তার বলেন, চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে আরও ভালো লাগত। কিন্তু নিজেদের বিদ্যালয়ের মাঠটি কর্দমাক্ত থাকায় ইচ্ছা থাকলেও সেখানে অনুশীলন করা যায় না। মাঠটি সংস্কার করা হলে তাদের জন্য অনেক সুবিধা হতো।
দলের আরেক সদস্য পূর্ণিমা জানায়, দুটি শ্রেণিকক্ষে তিনটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এক সঙ্গে ক্লাস করতে হয়, যা খুবই কষ্টকর। নতুন একটি ভবন নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ কমবে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সজিম উদ্দিন ভূইয়া বলেন, জাতীয় পর্যায়ে দলের সাফল্যে তারা গর্বিত। ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলের জন্য প্রস্তুতি চলছে। বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাট, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ এবং নতুন ভবনের জন্য একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হলেও এখনো কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
নান্দাইল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফজিলাতুননেছা জানান, বিদ্যালয়ের জন্য নতুন ভবন নির্মাণ এবং মাঠে মাটি ভরাটের চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

জাতীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও উত্তর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালিকা ফুটবল দল। রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত ফাইনালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে ট্রফি ও পুরস্কার গ্রহণ করে দলটির খেলোয়াড়রা। তবে জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য এনে দিলেও স্কুলটিতে রয়েছে শ্রেণিকক্ষের তীব্র সংকট, নেই খেলাধুলার উপযুক্ত পরিবেশও। কর্দমাক্ত মাঠের কারণে নিজেদের স্কুলে অনুশীলনও করতে পারে না ক্ষুদে ফুটবলাররা।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নান্দাইল পৌরসভার আচারগাঁও উত্তর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত। ৪০ শতক জমির ওপর গড়ে ওঠা বিদ্যালয়টির মাঠটি চারপাশের তুলনায় নিচু হওয়ায় বর্ষাকালে প্রায় সারা বছরই বৃষ্টির পানিতে ডুবে থাকে। ফলে শুকনো মৌসুম ছাড়া মাঠে খেলাধুলা করা যায় না। বাধ্য হয়ে বিদ্যালয়ের বালিকা ফুটবল দলের সদস্যদের প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নান্দাইল পাইলট বালিকা বিদ্যালয় অথবা চণ্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে গিয়ে অনুশীলন করতে হয়।
বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত অবস্থাও নাজুক। প্রতিষ্ঠাকালে নির্মিত ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় ২০১৪ সালে তিন কক্ষবিশিষ্ট আরেকটি একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে তিনটি কক্ষের মধ্যে দুটি শ্রেণিকক্ষ এবং একটি অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিদ্যালয়ে দুই শিফটে (পালা) মোট ২০৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। প্রতি শিফটে তিনটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাত্র দুটি কক্ষে পাঠদান করানো হয়। এতে গাদাগাদি করে বসতে হয় শিক্ষার্থীদের এবং স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের মাঠে দাঁড়িয়ে দেখা যায়, চারদিকে আবাসিক এলাকা। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দীর্ঘদিন জমে থাকে। রোদে শুকাতে সময় লাগায় মাঠটি কর্দমাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। ফলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ পায় না।
স্কুল ছুটির পর দলের সদস্য পরশমনি, পৌষী, রওনক, সুমাইয়া, জান্নাতুল, পূর্ণিমা, মাবিয়াসহ অন্যরা কোচ দেলোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের নেতৃত্বে অনুশীলনের জন্য অন্য মাঠে ছুটে যায়। সেই কষ্টকর অনুশীলনের ফলেই দলটি ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে জাতীয় পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
গত ২০ জুন রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বালিকা বিভাগের ফাইনালে আচারগাঁও উত্তর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিপক্ষ ছিল পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার জোড়গাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ওই ম্যাচে নান্দাইলের দলটি ৪-২ গোলে হেরে রানার্সআপ হয়।
টুর্নামেন্টে নান্দাইল দলের স্টপার ব্যাক পরশমনি আক্তার 'ম্যান অব দ্য ম্যাচ' এবং সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি অর্জন করেন। তিনি গোল্ডেন বুটের পাশাপাশি নগদ ৩০ হাজার টাকা পুরস্কার পান। এ ছাড়া রানার্সআপ দল হিসেবে বিদ্যালয়টি ট্রফি, পদক ও দুই লাখ টাকা পুরস্কার লাভ করে।
পরশমনি আক্তার বলেন, চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে আরও ভালো লাগত। কিন্তু নিজেদের বিদ্যালয়ের মাঠটি কর্দমাক্ত থাকায় ইচ্ছা থাকলেও সেখানে অনুশীলন করা যায় না। মাঠটি সংস্কার করা হলে তাদের জন্য অনেক সুবিধা হতো।
দলের আরেক সদস্য পূর্ণিমা জানায়, দুটি শ্রেণিকক্ষে তিনটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এক সঙ্গে ক্লাস করতে হয়, যা খুবই কষ্টকর। নতুন একটি ভবন নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ কমবে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সজিম উদ্দিন ভূইয়া বলেন, জাতীয় পর্যায়ে দলের সাফল্যে তারা গর্বিত। ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলের জন্য প্রস্তুতি চলছে। বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাট, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ এবং নতুন ভবনের জন্য একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হলেও এখনো কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
নান্দাইল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফজিলাতুননেছা জানান, বিদ্যালয়ের জন্য নতুন ভবন নির্মাণ এবং মাঠে মাটি ভরাটের চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২ দিন আগে
যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
২ দিন আগে
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও
৩ দিন আগে
পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির
৩ দিন আগে