
বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট জেলার চিতলমারি উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ৩০টি বসতবাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সংঘর্ষে রাজিব শেখ (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের চিংগড়িয়া গ্রামের ফারুক শেখের ছেলে। এছাড়া এ ঘটনায় অন্তত ১২ থেকে ১৫ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চিংগড়িয়া গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে এ সহিংসতা চলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, হামলাকারীরা একাধিক বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে পরে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি।
স্থানীয়দের দাবি, হামলাকারীরা সংগঠিতভাবে হামলা চালানোয় পুলিশ শুরুতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খায়। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ ও কালাম শেখ জানান, দীর্ঘদিন ধরে চিংগড়িয়া গ্রামের সাঈদ বিশ্বাস গ্রুপ ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা শেখ মনজুরুল আলম গ্রুপের মধ্যে জমিজমা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল।
এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি লিচুতলা এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে সাঈদ বিশ্বাস গ্রুপের নিজাম উদ্দিন নিহত হন। ওই ঘটনার জের ধরেই সর্বশেষ এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এতে মনজুরুল আলম গ্রুপের রাজিব শেখ নিহত হন।
ঘটনার পর বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. হাসান চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
চিতলমারি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে এবং এতে একজন নিহত হয়েছেন। নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

বাগেরহাট জেলার চিতলমারি উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ৩০টি বসতবাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সংঘর্ষে রাজিব শেখ (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের চিংগড়িয়া গ্রামের ফারুক শেখের ছেলে। এছাড়া এ ঘটনায় অন্তত ১২ থেকে ১৫ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চিংগড়িয়া গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে এ সহিংসতা চলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, হামলাকারীরা একাধিক বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে পরে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি।
স্থানীয়দের দাবি, হামলাকারীরা সংগঠিতভাবে হামলা চালানোয় পুলিশ শুরুতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খায়। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ ও কালাম শেখ জানান, দীর্ঘদিন ধরে চিংগড়িয়া গ্রামের সাঈদ বিশ্বাস গ্রুপ ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা শেখ মনজুরুল আলম গ্রুপের মধ্যে জমিজমা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল।
এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি লিচুতলা এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে সাঈদ বিশ্বাস গ্রুপের নিজাম উদ্দিন নিহত হন। ওই ঘটনার জের ধরেই সর্বশেষ এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এতে মনজুরুল আলম গ্রুপের রাজিব শেখ নিহত হন।
ঘটনার পর বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. হাসান চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
চিতলমারি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে এবং এতে একজন নিহত হয়েছেন। নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে