
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে চলমান তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের মধ্যে পটকা ও আতশবাজি ফোটানোতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। সে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাজধানীর প্রায় সব এলাকাতেই খ্রিষ্টীয় নববর্ষ বরণ করতে ফোটানো হয়েছে পটকা-আতশবাজি। এর মধ্যে মিরপুরে এক ভবনে আতশবাজি থেকে আগুনের ঘটনাও ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) খ্রিষ্টীয় নববর্ষ সামনে রেখে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা কেঁপে উঠতে শুরু করে পটকা আর আতশবাজির শব্দে। পুরান ঢাকায় এর মাত্রা ছিল বেশি। সেখানে রাত ১১টার পর থেকেই ছাদে ছাদে শুরু হয় এ আয়োজন।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাত ১১টা বাজতেই পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজার, রাজার দেউরী, কোর্ট কাচারি, শাঁখারী বাজারসহ আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন ছাদ থেকে বিকট শব্দের পটকা-বাজির শব্দ শোনা যেতে শুরু করে। রাত ১টার দিকেও কোথাও কোথাও এসব শব্দ শোনা গেছে।
পিছিয়ে নেই ঢাকার বাকি অংশও। ধানমন্ডি, গুলশান, মিরপুর থেকে শুরু করে উত্তরা পর্যন্ত সব এলাকাতেই কমবেশি ফুটেছে পটকা, জ্বলেছে আতশবাজি। মধ্যরাতে ঘড়ির কাঁটা ১২টা স্পর্শ কতেই একযোগে সশব্দ হয়ে ওঠে সব এলাকা। এসব এলাকাতেও রাত প্রায় ১টা পর্যন্ত থেমে থেমে শোনা গেছে বর্ষবরণের আওয়াজ।
এর মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফোটানো আতশবাজিতে মিরপুর ৭ নম্বর সেক্টরের একটি বহুতল ভবনে আগুন লেগে গেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
খ্রিষ্টীয় নববর্ষ বরণ করতে প্রতি বছরই থার্টি ফার্স্ট নাইটে পটকা-আতশবাজিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে ডিএমপি। এ বছর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রয়াণে সারা দেশে রাষ্ট্রীয় শোক চলছে। এ অবস্থায় বিধি অনুযায়ী, ডিএমপি ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানোতে নিষেধাজ্ঞা দেয়।
তবে এ বছরও আগের বছরগুলোর মতোই কোনো নিষেধাজ্ঞা কাজে আসেনি। অবশ্য গত কয়েক বছরের চেয়ে এ বছর আতশবাজি ও পটকার 'অত্যাচারব তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম বলে মনে করছে রাজধানীবাসী।
সামাজিক যোগাযোগমধ্যমে এ নিয়ে লেখালেখিও করেছন অনেকে। পরিবেশ ও পশুপাখিসহ শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের কথা ভেবে প্রতিবছরই এমন গণআতশবাজি-পটকার মহড়ার তীব্র সমালোচনা করে থাকেন অনেকে। এ বছর খালেদা জিয়ার মৃত্যু ও রাষ্ট্রীয় শোক বিবেচনায় সবাই সংযত থাকবেন বলে প্রত্যাশা করেছিলেন তারা। পরিমাণে কিছুটা কমলেও তাদের সে প্রত্যাশা আর পূরণ হয়নি।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে চলমান তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের মধ্যে পটকা ও আতশবাজি ফোটানোতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। সে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাজধানীর প্রায় সব এলাকাতেই খ্রিষ্টীয় নববর্ষ বরণ করতে ফোটানো হয়েছে পটকা-আতশবাজি। এর মধ্যে মিরপুরে এক ভবনে আতশবাজি থেকে আগুনের ঘটনাও ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) খ্রিষ্টীয় নববর্ষ সামনে রেখে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা কেঁপে উঠতে শুরু করে পটকা আর আতশবাজির শব্দে। পুরান ঢাকায় এর মাত্রা ছিল বেশি। সেখানে রাত ১১টার পর থেকেই ছাদে ছাদে শুরু হয় এ আয়োজন।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাত ১১টা বাজতেই পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজার, রাজার দেউরী, কোর্ট কাচারি, শাঁখারী বাজারসহ আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন ছাদ থেকে বিকট শব্দের পটকা-বাজির শব্দ শোনা যেতে শুরু করে। রাত ১টার দিকেও কোথাও কোথাও এসব শব্দ শোনা গেছে।
পিছিয়ে নেই ঢাকার বাকি অংশও। ধানমন্ডি, গুলশান, মিরপুর থেকে শুরু করে উত্তরা পর্যন্ত সব এলাকাতেই কমবেশি ফুটেছে পটকা, জ্বলেছে আতশবাজি। মধ্যরাতে ঘড়ির কাঁটা ১২টা স্পর্শ কতেই একযোগে সশব্দ হয়ে ওঠে সব এলাকা। এসব এলাকাতেও রাত প্রায় ১টা পর্যন্ত থেমে থেমে শোনা গেছে বর্ষবরণের আওয়াজ।
এর মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফোটানো আতশবাজিতে মিরপুর ৭ নম্বর সেক্টরের একটি বহুতল ভবনে আগুন লেগে গেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
খ্রিষ্টীয় নববর্ষ বরণ করতে প্রতি বছরই থার্টি ফার্স্ট নাইটে পটকা-আতশবাজিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে ডিএমপি। এ বছর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রয়াণে সারা দেশে রাষ্ট্রীয় শোক চলছে। এ অবস্থায় বিধি অনুযায়ী, ডিএমপি ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানোতে নিষেধাজ্ঞা দেয়।
তবে এ বছরও আগের বছরগুলোর মতোই কোনো নিষেধাজ্ঞা কাজে আসেনি। অবশ্য গত কয়েক বছরের চেয়ে এ বছর আতশবাজি ও পটকার 'অত্যাচারব তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম বলে মনে করছে রাজধানীবাসী।
সামাজিক যোগাযোগমধ্যমে এ নিয়ে লেখালেখিও করেছন অনেকে। পরিবেশ ও পশুপাখিসহ শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের কথা ভেবে প্রতিবছরই এমন গণআতশবাজি-পটকার মহড়ার তীব্র সমালোচনা করে থাকেন অনেকে। এ বছর খালেদা জিয়ার মৃত্যু ও রাষ্ট্রীয় শোক বিবেচনায় সবাই সংযত থাকবেন বলে প্রত্যাশা করেছিলেন তারা। পরিমাণে কিছুটা কমলেও তাদের সে প্রত্যাশা আর পূরণ হয়নি।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে