যশোরে চলন্ত বাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

যশোর প্রতিনিধি
যশোরে নড়াইল এক্সপ্রেস নামের যাত্রীবাহী একটি বাস আগুনে পুড়ে গেছে। ছবি: সংগৃহীত

যশোরে যাত্রীবাহী একটি চলন্ত বাসে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বাসে থাকা অর্ধশতাধিক যাত্রী দ্রুত নেমে পড়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে মালামালসহ সম্পূর্ণ বাসটি পুড়ে গেছে।

আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে থেকে যশোর-ঢাকা মহাসড়কে উপজেলার ফতেপুর দাইতলা সেতুর কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ‘নড়াইল এক্সপ্রেসে’র এই বাসটি যশোর শহরের মণিহার কাউন্টার থেকে ঢাকায় যাচ্ছিল।

যশোর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে যশোর ও বাঘারপাড়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়। ইঞ্জিন থেকে বাসটিতে আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন তিনি।

তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে আগুন নেভানোর আগেই পুরো বাসটি পুড়ে যায়। দাইতলা এলাকার লোকজন জানান, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে মহাসড়কটিতে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুই পাশে বিপুল যানবাহনের ভিড় জমে, প্রায় দুই ঘণ্টা সড়কটিতে যানজট ছিল।

পুড়ে যাওয়া বাসের সুকান্ত নামের একজন যাত্রী বলেন, মণিহার কাউন্টার থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে কিছুদূর যাওয়ার পর ফতেপুর দাইতলা এলাকায় বাসের ইঞ্জিনে আগুন ধরে। চালক দ্রুত বাসটি থামালে যাত্রীরা তড়িঘড়ি নেমে পড়েন। তবে সবার মালামাল আগুনে পুড়ে গেছে বলে জানান তিনি।

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মাসুদ খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলেন।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে প্রায় ৬ কোটি টাকার ফসলহানি

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।

১ দিন আগে

নাগেশ্বরীতে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩

রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন

১ দিন আগে

কিশোরগঞ্জে তলিয়ে গেছে ২ হাজার হেক্টর জমির ধান, কৃষকের আহাজারি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।

২ দিন আগে

সুনামগঞ্জে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে দুটি বাঁধ, ডুবছে জমির ধান

টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।

২ দিন আগে