
যশোর প্রতিনিধি

পঞ্চাশ বছর আগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে শুরু হওয়া খাল খনন কর্মসূচি সারাদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সেই কর্মসূচির সূচনা হয়েছিল যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী-যদুনাথপুর খাল খননের মধ্য দিয়ে। প্রকল্পটি ঘিরে নতুন স্বপ্নে জেগে উঠেছিল স্থানীয় জনপদ; কৃষি, সেচ ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসে ইতিবাচক পরিবর্তন। খালটি পুনঃখনন করায় আবারও আলোচনায় এসেছে ঐতিহাসিক সেই প্রকল্প। খালের পাড়ে স্থাপিত হয়েছে নতুন নামফলক। এতে পূর্বের নামফলকের পাশে সংযোজিত হয়েছে তারেক রহমানের নাম। এতে করে প্রায় পাঁচ দশক পর একই স্থানে বাবা ও ছেলের নামফলক পাশাপাশি অবস্থান করছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ ও আলোচনা তৈরি করেছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এ খনন কার্যক্রমের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্য দিয়ে তিনি দেশের তিনটি স্থানে মাটি কেটে খাল খনন কর্মসূচিতে অংশ নিলেন। উদ্বোধন শেষে তিনি খালপাড়ে সুধী সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে সরকারপ্রধান খালপাড়ে ফলক উন্মোচন করেন, যাতে লেখা আছে, ‘যশোর জেলার শার্শা উপজেলাধীন উলশী খাল (জিয়া খাল) পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান এমপি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬।’
শার্শা উপজেলার উলশী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর স্বেচ্ছাশ্রমে খননের উদ্বোধন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। যা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত। পাঁচ দশক বাদে খালটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে পুনঃখনন করা হচ্ছে। ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর ‘বেতনা নদী’ পুনঃখনন কাজ যখন উদ্বোধন করেন জিয়াউর রহমান, তখন তিনি ছিলেন সেনাপ্রধান ও উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক।
উলশী-যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পের জিয়াউর রহমানের সেই ফলক এখনো আছে। তাতে লেখা রয়েছে- ‘উলশী-যদুনাথপুর বেতনা নদীর সংযোগ প্রকল্প। দেশব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রম ভিত্তিক গণউপযোগ অনুগামী প্রকল্প বাস্তবায়নে সামাজিক আন্দোলনের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে উদ্বোধন করেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। ১ নভেম্বর ১৯৭৬।’

পঞ্চাশ বছর আগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে শুরু হওয়া খাল খনন কর্মসূচি সারাদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সেই কর্মসূচির সূচনা হয়েছিল যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী-যদুনাথপুর খাল খননের মধ্য দিয়ে। প্রকল্পটি ঘিরে নতুন স্বপ্নে জেগে উঠেছিল স্থানীয় জনপদ; কৃষি, সেচ ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসে ইতিবাচক পরিবর্তন। খালটি পুনঃখনন করায় আবারও আলোচনায় এসেছে ঐতিহাসিক সেই প্রকল্প। খালের পাড়ে স্থাপিত হয়েছে নতুন নামফলক। এতে পূর্বের নামফলকের পাশে সংযোজিত হয়েছে তারেক রহমানের নাম। এতে করে প্রায় পাঁচ দশক পর একই স্থানে বাবা ও ছেলের নামফলক পাশাপাশি অবস্থান করছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ ও আলোচনা তৈরি করেছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এ খনন কার্যক্রমের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্য দিয়ে তিনি দেশের তিনটি স্থানে মাটি কেটে খাল খনন কর্মসূচিতে অংশ নিলেন। উদ্বোধন শেষে তিনি খালপাড়ে সুধী সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে সরকারপ্রধান খালপাড়ে ফলক উন্মোচন করেন, যাতে লেখা আছে, ‘যশোর জেলার শার্শা উপজেলাধীন উলশী খাল (জিয়া খাল) পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান এমপি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬।’
শার্শা উপজেলার উলশী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর স্বেচ্ছাশ্রমে খননের উদ্বোধন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। যা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত। পাঁচ দশক বাদে খালটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে পুনঃখনন করা হচ্ছে। ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর ‘বেতনা নদী’ পুনঃখনন কাজ যখন উদ্বোধন করেন জিয়াউর রহমান, তখন তিনি ছিলেন সেনাপ্রধান ও উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক।
উলশী-যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পের জিয়াউর রহমানের সেই ফলক এখনো আছে। তাতে লেখা রয়েছে- ‘উলশী-যদুনাথপুর বেতনা নদীর সংযোগ প্রকল্প। দেশব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রম ভিত্তিক গণউপযোগ অনুগামী প্রকল্প বাস্তবায়নে সামাজিক আন্দোলনের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে উদ্বোধন করেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। ১ নভেম্বর ১৯৭৬।’

বহিস্কৃত তিনজন হলেন— পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহমেদ বাবু এবং উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহমেদ ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান কবির।
১২ ঘণ্টা আগে
আহতরা হলেন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল পাটোয়ারী, কর্মী রাকিব ও আপন। অপরদিকে ছাত্রশিবিরের আহদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলা সভাপতি সুজন মিয়া, কর্মী মাহিন ও শরিফুল ইসলাম। আহতদের রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
তিনি জানান, শনিবার রাত থেকে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।
১ দিন আগে
পুলিশ জানায়, রাজধানীর বাড্ডায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন মিমো। তিনি সাধারণত দরজা খোলা রেখে ঘুমালেও রোববার সকালে পরিবারের সদস্যরা তার ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। ধাক্কাধাক্কি করেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভাঙলে মিমোর মরদেহ ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
১ দিন আগে