
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেছেন, চামড়া শিল্প দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। পোশাক শিল্পের পরই এ খাতের অবস্থান। অথচ কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে একশ্রেণির অসাধু চামড়া ব্যবসায়ী এতিম-গরিব মানুষের হকের ওপর লোভাতুর দৃষ্টি দেয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
শনিবার (২৩ মে) সকালে পবা উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি মিলন বলেন, দেশে সারা বছরে যে পরিমাণ পশুর চামড়া সংগ্রহ হয়, তার অর্ধেকেরও বেশি আসে কোরবানির সময়। এই চামড়ার অর্থের প্রকৃত হকদার দেশের এতিম, গরিব, মিসকিন ও অসহায় মানুষ। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে চামড়া সিন্ডিকেটের তেলেসমাতি কার্যক্রমের কারণে আমরা দেখেছি—চামড়া পচে গেছে, বিক্রি হয়নি, এমনকি পানির দামে বিক্রি করতে হয়েছে। এই অবস্থার পুনরাবৃত্তি আর দেখতে চাই না।
তিনি আরও বলেন, চামড়া সংরক্ষণের জন্য সরকার বিনামূল্যে লবণ দিচ্ছে। সবাইকে সচেতন হতে হবে, যেন কোনোভাবেই চামড়া নষ্ট না হয়।
পশু বিক্রেতাদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংসারের প্রয়োজনে অনেক নিম্নআয়ের মানুষ আদরের গরু-ছাগল বিক্রি করে। তারা যেন ন্যায্য মূল্য পায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। পশুর হাটে গিয়ে তারা যেন দালাল সিন্ডিকেটের খপ্পরে না পড়ে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীন। তিনি বলেন, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পশুর হাটে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং কোরবানির পশুর চামড়া যথাযথভাবে সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে। চামড়া সংরক্ষণে লবণ ব্যবহারের বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় আরও বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এম এ মান্নান, হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, পবা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী হোসেন, সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ।
রাজনীতি/একে

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেছেন, চামড়া শিল্প দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। পোশাক শিল্পের পরই এ খাতের অবস্থান। অথচ কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে একশ্রেণির অসাধু চামড়া ব্যবসায়ী এতিম-গরিব মানুষের হকের ওপর লোভাতুর দৃষ্টি দেয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
শনিবার (২৩ মে) সকালে পবা উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি মিলন বলেন, দেশে সারা বছরে যে পরিমাণ পশুর চামড়া সংগ্রহ হয়, তার অর্ধেকেরও বেশি আসে কোরবানির সময়। এই চামড়ার অর্থের প্রকৃত হকদার দেশের এতিম, গরিব, মিসকিন ও অসহায় মানুষ। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে চামড়া সিন্ডিকেটের তেলেসমাতি কার্যক্রমের কারণে আমরা দেখেছি—চামড়া পচে গেছে, বিক্রি হয়নি, এমনকি পানির দামে বিক্রি করতে হয়েছে। এই অবস্থার পুনরাবৃত্তি আর দেখতে চাই না।
তিনি আরও বলেন, চামড়া সংরক্ষণের জন্য সরকার বিনামূল্যে লবণ দিচ্ছে। সবাইকে সচেতন হতে হবে, যেন কোনোভাবেই চামড়া নষ্ট না হয়।
পশু বিক্রেতাদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংসারের প্রয়োজনে অনেক নিম্নআয়ের মানুষ আদরের গরু-ছাগল বিক্রি করে। তারা যেন ন্যায্য মূল্য পায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। পশুর হাটে গিয়ে তারা যেন দালাল সিন্ডিকেটের খপ্পরে না পড়ে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীন। তিনি বলেন, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পশুর হাটে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং কোরবানির পশুর চামড়া যথাযথভাবে সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে। চামড়া সংরক্ষণে লবণ ব্যবহারের বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় আরও বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এম এ মান্নান, হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, পবা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী হোসেন, সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ।
রাজনীতি/একে

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে