
রাজশাহী ব্যুরো

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. মোস্তফা (৫০) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আজ শনিবার দুপুরে রামেক হাসপাতাল থেকে পাঠানো এক প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মৃত মোস্তফা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মোস্তফা গত ৭ অক্টোবর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরদিন দুপুর ২টার দিকে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
রামেক হাসপাতালের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমানে হাসপাতালে দুই শিশুসহ ৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের মধ্যে ২৬ জন পুরুষ ও ৭ জন নারী। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ১৩ জন রাজশাহীর বাসিন্দা।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ৮১৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৭৬৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. মোস্তফা (৫০) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আজ শনিবার দুপুরে রামেক হাসপাতাল থেকে পাঠানো এক প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মৃত মোস্তফা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মোস্তফা গত ৭ অক্টোবর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরদিন দুপুর ২টার দিকে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
রামেক হাসপাতালের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমানে হাসপাতালে দুই শিশুসহ ৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের মধ্যে ২৬ জন পুরুষ ও ৭ জন নারী। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ১৩ জন রাজশাহীর বাসিন্দা।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ৮১৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৭৬৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৮ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে