
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর ডাবতলা এলাকায় মহানগর ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর রহমানের ভাড়া বাসায় ঢুকে তার ছেলে তাওশিফ রহমান সুমনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। একই ঘটনায় বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহারও গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) নগরীর ডাবতলায় স্পার্ক ভিউ নামের ১০ তলা ভবনের পাঁচতলার একটি ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে। বিচারক আব্দুর রহমান পরিবার নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন। তাদের বাড়ি জামালপুরে। নিহত তাওসিফ রহমান সুমন নবম শ্রেণিতে পড়ত।
হামলায় জড়িত সন্দেহে লিমন মিঞা ওরফে ইমন নামে একজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটকের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সময় আহত হওয়ায় তিনিও চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে। লিমন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার মদোনেরপাড়া গ্রামের হেমায়েত মিয়া সোলায়মান শাহিদের ছেলে।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, তাসমিন নাহারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে হামলাকারী সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। আহত হওয়ায় তাকেও রামেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারী হিসেবে আটক ইমন ভবনে ঢোকার সময় দারোয়ানের কাছে থাকা খাতায় নিজের নাম লিখেছেন লিমন। ‘বিচারকের ভাই’ পরিচয় দিয়ে তিনি পাঁচতলার ফ্ল্যাটে যান।
ওই ভাড়া বাসার ম্যানেজার মাহবুব বলেন, বিকেল ৩টার দিকে বিচারকের ফ্ল্যাটে ঝামেলা হচ্ছে বলে গৃহকর্মী খবর দেয়। সেখানে গিয়ে সুমন, তার মা ও হামলাকারীকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। তাদের উদ্ধার করে দ্রুত রামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সুমনকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত মা ও হামলাকারী লিমনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভবনের দারোয়ান মেসের আলী জানান, লিমন পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিকে তিনি কখনো দেখেননি। বিচারকের ভাই পরিচয় দেওয়ায় লিমনকে বাসায় ঢুকতে দেওয়া হয়। ভবনের রেজিস্ট্রার খাতায় তার নাম ও মোবাইল নম্বর লিখিয়ে নেওয়া হয়। দুপুর আড়াইটার দিকে লিমন ওই ফ্ল্যাটে যান।
মেসের আলী বলেন, আধা ঘণ্টা মতো সময় পর বিচারক স্যারের বাসার গৃহকর্মী জানান, ওই ফ্ল্যাটে ঝামেলা হচ্ছে। অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজনও চলে আসে। সবাই মিলে ফ্ল্যাটে ঢুকে দেখি তিনজনেই আহত হয়ে পড়ে আছে। পরে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, নিহত সুমনের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। হামলাকারী তরুণ ও বিচারকের স্ত্রীকে অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ নভেম্বর সুমনের মা তাসমিন নাহার সিলেটের জালালাবাদ থানায় লিমনের বিরুদ্ধে বারবার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, লিমন আর্থিক দুরবস্থার কথা বলে সাহায্য নিয়েছিলেন, পরে আর সাহায্য না দেওয়ায় লিমন হুমকি দিতে শুরু করেন।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া মুখপাত্র) গাজিউর রহমান বলেন, ‘লিমন পূর্বপরিচিত হওয়ার কারণে ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এ হামলা চালানো হতে পারে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।
এদিকে বিকেল ৫টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। তিনি জানান, হামলাকারী ব্যক্তির পকেটে একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি চালক। তার সঙ্গে পূর্ববিরোধ থাকতে পারে।
পুলিশ কমিশনার বলেন, সিলেটের সুরমা থানায় এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন তাসমিন নাহার। কেন এ ঘটনা ঘটেছে, তার বিস্তারিত জানতে কাজ চলছে।

রাজশাহীর ডাবতলা এলাকায় মহানগর ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর রহমানের ভাড়া বাসায় ঢুকে তার ছেলে তাওশিফ রহমান সুমনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। একই ঘটনায় বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহারও গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) নগরীর ডাবতলায় স্পার্ক ভিউ নামের ১০ তলা ভবনের পাঁচতলার একটি ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে। বিচারক আব্দুর রহমান পরিবার নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন। তাদের বাড়ি জামালপুরে। নিহত তাওসিফ রহমান সুমন নবম শ্রেণিতে পড়ত।
হামলায় জড়িত সন্দেহে লিমন মিঞা ওরফে ইমন নামে একজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটকের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সময় আহত হওয়ায় তিনিও চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে। লিমন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার মদোনেরপাড়া গ্রামের হেমায়েত মিয়া সোলায়মান শাহিদের ছেলে।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, তাসমিন নাহারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে হামলাকারী সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। আহত হওয়ায় তাকেও রামেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারী হিসেবে আটক ইমন ভবনে ঢোকার সময় দারোয়ানের কাছে থাকা খাতায় নিজের নাম লিখেছেন লিমন। ‘বিচারকের ভাই’ পরিচয় দিয়ে তিনি পাঁচতলার ফ্ল্যাটে যান।
ওই ভাড়া বাসার ম্যানেজার মাহবুব বলেন, বিকেল ৩টার দিকে বিচারকের ফ্ল্যাটে ঝামেলা হচ্ছে বলে গৃহকর্মী খবর দেয়। সেখানে গিয়ে সুমন, তার মা ও হামলাকারীকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। তাদের উদ্ধার করে দ্রুত রামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সুমনকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত মা ও হামলাকারী লিমনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভবনের দারোয়ান মেসের আলী জানান, লিমন পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিকে তিনি কখনো দেখেননি। বিচারকের ভাই পরিচয় দেওয়ায় লিমনকে বাসায় ঢুকতে দেওয়া হয়। ভবনের রেজিস্ট্রার খাতায় তার নাম ও মোবাইল নম্বর লিখিয়ে নেওয়া হয়। দুপুর আড়াইটার দিকে লিমন ওই ফ্ল্যাটে যান।
মেসের আলী বলেন, আধা ঘণ্টা মতো সময় পর বিচারক স্যারের বাসার গৃহকর্মী জানান, ওই ফ্ল্যাটে ঝামেলা হচ্ছে। অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজনও চলে আসে। সবাই মিলে ফ্ল্যাটে ঢুকে দেখি তিনজনেই আহত হয়ে পড়ে আছে। পরে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, নিহত সুমনের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। হামলাকারী তরুণ ও বিচারকের স্ত্রীকে অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ নভেম্বর সুমনের মা তাসমিন নাহার সিলেটের জালালাবাদ থানায় লিমনের বিরুদ্ধে বারবার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, লিমন আর্থিক দুরবস্থার কথা বলে সাহায্য নিয়েছিলেন, পরে আর সাহায্য না দেওয়ায় লিমন হুমকি দিতে শুরু করেন।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া মুখপাত্র) গাজিউর রহমান বলেন, ‘লিমন পূর্বপরিচিত হওয়ার কারণে ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এ হামলা চালানো হতে পারে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।
এদিকে বিকেল ৫টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। তিনি জানান, হামলাকারী ব্যক্তির পকেটে একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি চালক। তার সঙ্গে পূর্ববিরোধ থাকতে পারে।
পুলিশ কমিশনার বলেন, সিলেটের সুরমা থানায় এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন তাসমিন নাহার। কেন এ ঘটনা ঘটেছে, তার বিস্তারিত জানতে কাজ চলছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে