
পাবনা প্রতিনিধি

রাজধানীর রামপুরার বনশ্রী এলাকায় একটি মাদরাসার বাথরুম থেকে মো. আব্দুল্লাহ নামে ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আরেক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাবনার বেড়া উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বেড়া মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মন্তাজ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রামপুরা থানার এসআই একরামুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বুধবার বিকেলে বেড়ায় অভিযান চালায়। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মাদরাসা থেকে পালিয়ে টাঙ্গাইলে অবস্থান করছিল।
এসআই মন্তাজ বলেন, পরে তার বাবার মাধ্যমে যোগাযোগ করে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে বেড়ায় ডেকে আনা হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে বেড়া সিঅ্যান্ডবি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রামপুরা থানার পুলিশ তাকে ঢাকায় নিয়ে যায়। অভিযানে বেড়া থানা-পুলিশ সহযোগিতা করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রামপুরা থানার এসআই একরামুল হক জানান, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে বুধবার ওই শিক্ষার্থীকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছে। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, তার বিরুদ্ধে মাদরাসার আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, শিশু আব্দুল্লাহকেও ধর্ষণ করা হয়েছিল এবং অপমান ও মানসিক আঘাতে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এর আগে বুধবার ভোরের দিকে বনশ্রী এলাকার একটি মাদরাসার বাথরুম থেকে আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না, তবে পুলিশের প্রাথমিক সুরতহালে শিশুটিকে যৌন নির্যাতনের স্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়। শিশু আব্দুল্লাহর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার অনুপনগর গ্রামে। বাবার নাম আবুল কালাম আজাদ।
মরদেহ উদ্ধারের পর রামপুরা থানা পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে বনশ্রীর ‘সি’ ব্লকের তিন নম্বর রোডে অবস্থিত ‘আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসা’ কর্তৃপক্ষই তাদের খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত সেখানে গিয়ে মাদরাসার তিন তলার বাথরুমের ভেতর থেকে গামছা পেঁচানো অবস্থায় আব্দুল্লাহর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
মাদরাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আব্দুল্লাহ মাদরাসার প্রথম দিকের শিক্ষার্থীদের একজন ছিল এবং হেফজ বিভাগে পড়াশোনা করত। মঙ্গলবার মাগরিবের পর সে বাথরুমে যায়। দীর্ঘ সময়েও ফিরে না আসায় শিক্ষকরা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, কয়েকজন শিক্ষার্থী ওই শিক্ষার্থীর (গ্রেপ্তারকৃত) বিরুদ্ধে সন্দেহজনক কিছু তথ্য দিয়েছে। এ ছাড়া ঘটনার দিন বিকেলেই সে মাদরাসা থেকে ছুটি নিয়ে বেরিয়ে যায়।

রাজধানীর রামপুরার বনশ্রী এলাকায় একটি মাদরাসার বাথরুম থেকে মো. আব্দুল্লাহ নামে ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আরেক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাবনার বেড়া উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বেড়া মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মন্তাজ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রামপুরা থানার এসআই একরামুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বুধবার বিকেলে বেড়ায় অভিযান চালায়। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মাদরাসা থেকে পালিয়ে টাঙ্গাইলে অবস্থান করছিল।
এসআই মন্তাজ বলেন, পরে তার বাবার মাধ্যমে যোগাযোগ করে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে বেড়ায় ডেকে আনা হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে বেড়া সিঅ্যান্ডবি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রামপুরা থানার পুলিশ তাকে ঢাকায় নিয়ে যায়। অভিযানে বেড়া থানা-পুলিশ সহযোগিতা করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রামপুরা থানার এসআই একরামুল হক জানান, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে বুধবার ওই শিক্ষার্থীকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছে। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, তার বিরুদ্ধে মাদরাসার আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, শিশু আব্দুল্লাহকেও ধর্ষণ করা হয়েছিল এবং অপমান ও মানসিক আঘাতে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এর আগে বুধবার ভোরের দিকে বনশ্রী এলাকার একটি মাদরাসার বাথরুম থেকে আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না, তবে পুলিশের প্রাথমিক সুরতহালে শিশুটিকে যৌন নির্যাতনের স্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়। শিশু আব্দুল্লাহর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার অনুপনগর গ্রামে। বাবার নাম আবুল কালাম আজাদ।
মরদেহ উদ্ধারের পর রামপুরা থানা পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে বনশ্রীর ‘সি’ ব্লকের তিন নম্বর রোডে অবস্থিত ‘আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসা’ কর্তৃপক্ষই তাদের খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত সেখানে গিয়ে মাদরাসার তিন তলার বাথরুমের ভেতর থেকে গামছা পেঁচানো অবস্থায় আব্দুল্লাহর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
মাদরাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আব্দুল্লাহ মাদরাসার প্রথম দিকের শিক্ষার্থীদের একজন ছিল এবং হেফজ বিভাগে পড়াশোনা করত। মঙ্গলবার মাগরিবের পর সে বাথরুমে যায়। দীর্ঘ সময়েও ফিরে না আসায় শিক্ষকরা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, কয়েকজন শিক্ষার্থী ওই শিক্ষার্থীর (গ্রেপ্তারকৃত) বিরুদ্ধে সন্দেহজনক কিছু তথ্য দিয়েছে। এ ছাড়া ঘটনার দিন বিকেলেই সে মাদরাসা থেকে ছুটি নিয়ে বেরিয়ে যায়।

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে