
রাজশাহী ব্যুরো

সারাদেশে যখন পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে আগামীকাল বৃহস্পতিবারকে কেন্দ্র করে, ঠিক তখনই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় আগাম ঈদের নামাজ আদায় করেছেন কয়েকজন মুসল্লি।
আজ বুধবার সকাল ৮টায় উপজেলার কৃষ্ণপুর এলাকার কৃষ্ণপুর মুসলিম জামে মসজিদে ব্যতিক্রমী এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামাতে ইমামতি করেন এলাকার বাসিন্দা মো. রহিম গাজী। তবে জামাতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল খুবই কম। নারী-পুরুষ মিলিয়ে মোট ৫ জন মুসল্লি ঈদের নামাজে অংশ নেন। এর মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ২ জন নারী ছিলেন।
নামাজ শেষে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা জানান, তারা কয়েক বছর ধরেই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের জামাত আদায় করে আসছেন। আগে দেশের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ঈদ উদযাপন করলেও বর্তমানে তারা সৌদির চন্দ্রোদয়ের ভিত্তিতে ঈদ পালন করছেন। এতে তারা আত্মিকভাবে বেশি তৃপ্তি অনুভব করেন বলেও জানান।
ঈদের খুতবা ও দোয়া শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ইমাম মো. রহিম গাজী। তিনি বলেন,
'অনেকে মনে করেন সৌদি আরবে ঈদ হচ্ছে বলেই আমরা ঈদ করছি। আসলে বিষয়টি তা নয়। চাঁদ শুধু সৌদি আরব বা বাংলাদেশের জন্য ওঠে না, চাঁদ ওঠে পুরো পৃথিবীর জন্য। যেদিন চাঁদ উদিত হয়, সেদিন থেকেই নতুন মাস শুরু হয়। পৃথিবী বড় হওয়ায় সব জায়গা থেকে একই সময়ে চাঁদ দেখা যায় না। সেটা দেখার সীমাবদ্ধতা হতে পারে, কিন্তু চাঁদের উপস্থিতি তো বাস্তব।'
স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত ধর্মীয় বিশ্বাসের চর্চা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ প্রচলিত জাতীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে আগাম ঈদ উদযাপনকে ভিন্নধর্মী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করছেন।
উল্লেখ্য, প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে ঈদ উদযাপনের খবর পাওয়া যায়। তবে রাজশাহীর পুঠিয়ায় মাত্র পাঁচজন মুসল্লির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই আগাম ঈদের জামাত এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের জন্ম দিয়েছে।
রাজনীতি/একে

সারাদেশে যখন পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে আগামীকাল বৃহস্পতিবারকে কেন্দ্র করে, ঠিক তখনই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় আগাম ঈদের নামাজ আদায় করেছেন কয়েকজন মুসল্লি।
আজ বুধবার সকাল ৮টায় উপজেলার কৃষ্ণপুর এলাকার কৃষ্ণপুর মুসলিম জামে মসজিদে ব্যতিক্রমী এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামাতে ইমামতি করেন এলাকার বাসিন্দা মো. রহিম গাজী। তবে জামাতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল খুবই কম। নারী-পুরুষ মিলিয়ে মোট ৫ জন মুসল্লি ঈদের নামাজে অংশ নেন। এর মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ২ জন নারী ছিলেন।
নামাজ শেষে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা জানান, তারা কয়েক বছর ধরেই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের জামাত আদায় করে আসছেন। আগে দেশের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ঈদ উদযাপন করলেও বর্তমানে তারা সৌদির চন্দ্রোদয়ের ভিত্তিতে ঈদ পালন করছেন। এতে তারা আত্মিকভাবে বেশি তৃপ্তি অনুভব করেন বলেও জানান।
ঈদের খুতবা ও দোয়া শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ইমাম মো. রহিম গাজী। তিনি বলেন,
'অনেকে মনে করেন সৌদি আরবে ঈদ হচ্ছে বলেই আমরা ঈদ করছি। আসলে বিষয়টি তা নয়। চাঁদ শুধু সৌদি আরব বা বাংলাদেশের জন্য ওঠে না, চাঁদ ওঠে পুরো পৃথিবীর জন্য। যেদিন চাঁদ উদিত হয়, সেদিন থেকেই নতুন মাস শুরু হয়। পৃথিবী বড় হওয়ায় সব জায়গা থেকে একই সময়ে চাঁদ দেখা যায় না। সেটা দেখার সীমাবদ্ধতা হতে পারে, কিন্তু চাঁদের উপস্থিতি তো বাস্তব।'
স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত ধর্মীয় বিশ্বাসের চর্চা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ প্রচলিত জাতীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে আগাম ঈদ উদযাপনকে ভিন্নধর্মী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করছেন।
উল্লেখ্য, প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে ঈদ উদযাপনের খবর পাওয়া যায়। তবে রাজশাহীর পুঠিয়ায় মাত্র পাঁচজন মুসল্লির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই আগাম ঈদের জামাত এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের জন্ম দিয়েছে।
রাজনীতি/একে

ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২১ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে