
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে কলেজছাত্রীর এডিট করা নগ্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার দায়ে মনোয়ার হোসেন মুন্না (২৮) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বৃহস্পতিবার দুপুরে র্যাব-৫ এর উপ-অধিনায়ক মেজর আসিফ আল-রাজেক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় পুঠিয়ার ঝলমলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মুন্না রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া বাজার এলাকার আশরাফ উদ্দিনের ছেলে।
র্যাব জানায়, রাজশাহী সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত এক ছাত্রী সম্প্রতি ওই যুবকের বিরুদ্ধে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৩ সালের ১১ জুলাই মুন্না ইমেইলের মাধ্যমে ছাত্রীর কাছে তার একটি এডিট করা নগ্ন ছবি পাঠিয়ে হুমকি দেন। পরে বিভিন্ন নামে একাধিক মেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ওই ছাত্রীর ছবি পাঠাতে থাকেন তিনি।
এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ছবিটি ছড়িয়ে দেন ছাত্রীর পরিচিতদের কাছে। ঘটনার পর র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর তাকে বোয়ালিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

রাজশাহীতে কলেজছাত্রীর এডিট করা নগ্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার দায়ে মনোয়ার হোসেন মুন্না (২৮) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বৃহস্পতিবার দুপুরে র্যাব-৫ এর উপ-অধিনায়ক মেজর আসিফ আল-রাজেক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় পুঠিয়ার ঝলমলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মুন্না রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া বাজার এলাকার আশরাফ উদ্দিনের ছেলে।
র্যাব জানায়, রাজশাহী সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত এক ছাত্রী সম্প্রতি ওই যুবকের বিরুদ্ধে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৩ সালের ১১ জুলাই মুন্না ইমেইলের মাধ্যমে ছাত্রীর কাছে তার একটি এডিট করা নগ্ন ছবি পাঠিয়ে হুমকি দেন। পরে বিভিন্ন নামে একাধিক মেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ওই ছাত্রীর ছবি পাঠাতে থাকেন তিনি।
এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ছবিটি ছড়িয়ে দেন ছাত্রীর পরিচিতদের কাছে। ঘটনার পর র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর তাকে বোয়ালিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৯ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে