
রাজশাহী ব্যুরো

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, 'যে জাতি তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সম্মান দিতে জানে না, সে জাতি কখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বক্ষেত্রে সম্মান দেওয়া এবং তাঁদের প্রতিষ্ঠিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের অসীম ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা ও জাতীয় পতাকা। সে সময়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, দেশ যখন দিকনির্দেশনা খুঁজছিল, তখন মুক্তিযুদ্ধের আহ্বান বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। লাখো শহিদ, আহত ও নির্যাতিত মানুষের আত্মত্যাগ এবং মা-বোনদের ত্যাগের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মন্ত্রী মিনু বলেন, স্বাধীনতার সময় মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও ক্ষুধামুক্ত দেশ গড়া—যেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত হবে। বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছে।
মুক্তিযোদ্ধা পরিবারগুলোর কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ডসহ বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করা হবে এবং এসব ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধারা অগ্রাধিকার পাবেন। দেশ সবার—কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়।
জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, আরএমপি কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানসহ অন্যান্যরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ ও যোদ্ধাহত পরিবারের সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করা হয় এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন অতিথিরা। সংবর্ধনা শেষে তাদের হাতে উপহার ও খাবার তুলে দেওয়া হয়।
এর আগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিল্পীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, 'যে জাতি তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সম্মান দিতে জানে না, সে জাতি কখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বক্ষেত্রে সম্মান দেওয়া এবং তাঁদের প্রতিষ্ঠিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের অসীম ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা ও জাতীয় পতাকা। সে সময়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, দেশ যখন দিকনির্দেশনা খুঁজছিল, তখন মুক্তিযুদ্ধের আহ্বান বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। লাখো শহিদ, আহত ও নির্যাতিত মানুষের আত্মত্যাগ এবং মা-বোনদের ত্যাগের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মন্ত্রী মিনু বলেন, স্বাধীনতার সময় মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও ক্ষুধামুক্ত দেশ গড়া—যেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত হবে। বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছে।
মুক্তিযোদ্ধা পরিবারগুলোর কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ডসহ বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করা হবে এবং এসব ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধারা অগ্রাধিকার পাবেন। দেশ সবার—কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়।
জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, আরএমপি কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানসহ অন্যান্যরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ ও যোদ্ধাহত পরিবারের সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করা হয় এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন অতিথিরা। সংবর্ধনা শেষে তাদের হাতে উপহার ও খাবার তুলে দেওয়া হয়।
এর আগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিল্পীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে