
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় অটোভ্যানের এক্সেল ভেঙে নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর যাত্রীবাহী বাসের চাপায় এক দম্পতি ও অটোভ্যানচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দম্পতির একমাত্র মেয়েও গুরুতর আহত হয়েছে।
শুক্রবার সকালে সিরাজগঞ্জ-এনায়েতপুর সড়কের মেঘুল্লা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন বেলকুচি উপজেলার আজুগড়া হিজলতলা এলাকার মোতালেব সরকার (৪০), তাঁর স্ত্রী ফজিলা খাতুন (৩৫) এবং অটোভ্যানচালক নুরু মিয়া (৩৫)। নুরু মিয়ার বাড়ি একই উপজেলার জামতৈল আজুগড়া গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যাত্রী নিয়ে যাওয়ার সময় অটোভ্যানটির এক্সেল ভেঙে যায়। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যানবাহনটি সড়কের মাঝখানে চলে আসে। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস অটোভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। পরে বাসটি রাস্তার পাশের একটি গাছের সঙ্গে গিয়ে ধাক্কা খায়। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মোতালেব সরকার, তাঁর স্ত্রী ফজিলা খাতুন এবং অটোভ্যানচালক নুরু মিয়ার মৃত্যু হয়। আহত হন মোতালেব-ফজিলা দম্পতির মেয়ে তামান্না খাতুন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে। গুরুতর আহত তামান্নাকে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাম জাফর বলেন, অটোভ্যানটির যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর বাসচালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে গেছেন।
তিনি জানান, দুর্ঘটনায় জড়িত বাস ও অটোভ্যান জব্দ করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
রাজনীতি/আরআইআর

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় অটোভ্যানের এক্সেল ভেঙে নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর যাত্রীবাহী বাসের চাপায় এক দম্পতি ও অটোভ্যানচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দম্পতির একমাত্র মেয়েও গুরুতর আহত হয়েছে।
শুক্রবার সকালে সিরাজগঞ্জ-এনায়েতপুর সড়কের মেঘুল্লা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন বেলকুচি উপজেলার আজুগড়া হিজলতলা এলাকার মোতালেব সরকার (৪০), তাঁর স্ত্রী ফজিলা খাতুন (৩৫) এবং অটোভ্যানচালক নুরু মিয়া (৩৫)। নুরু মিয়ার বাড়ি একই উপজেলার জামতৈল আজুগড়া গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যাত্রী নিয়ে যাওয়ার সময় অটোভ্যানটির এক্সেল ভেঙে যায়। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যানবাহনটি সড়কের মাঝখানে চলে আসে। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস অটোভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। পরে বাসটি রাস্তার পাশের একটি গাছের সঙ্গে গিয়ে ধাক্কা খায়। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মোতালেব সরকার, তাঁর স্ত্রী ফজিলা খাতুন এবং অটোভ্যানচালক নুরু মিয়ার মৃত্যু হয়। আহত হন মোতালেব-ফজিলা দম্পতির মেয়ে তামান্না খাতুন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে। গুরুতর আহত তামান্নাকে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাম জাফর বলেন, অটোভ্যানটির যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর বাসচালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে গেছেন।
তিনি জানান, দুর্ঘটনায় জড়িত বাস ও অটোভ্যান জব্দ করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
রাজনীতি/আরআইআর

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে