
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ী সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ২৮ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের (ঠেলে পাঠানো) চেষ্টা করলেও বিজিবির বাধার মুখে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। বর্তমানে ওই ২৮ জন সীমান্তের শূন্যরেখা (নো ম্যান্স ল্যান্ড) এলাকায় অবস্থান করছেন।
সীমান্তে খোলা আকাশের নিচে অবস্থানরত এসব মানুষ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ভারী বৃষ্টিতে ভিজেছেন। তাদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশু রয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, তারা পর্যাপ্ত খাবারও পাচ্ছেন না। অসুস্থ হয়ে পড়েছেন একজন বয়স্ক নারী।
বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, ২৮ জনের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলায়। তারা প্রায় দুই বছর আগে ভারতে গিয়েছিলেন। পরিচয় নিশ্চিত করতে কয়রা থেকে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি পাঠানো হয়েছে। তাদের সঙ্গে বলে জানা গেছে, বিএসএফের পক্ষ থেকে কিছু খাবার সরবরাহ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে সীমান্তের ২০৩/৬-আর পিলার সংলগ্ন এলাকা দিয়ে বিএসএফের ১২ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ওই ২৮ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেন। তাদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী ও ৬ জন শিশু রয়েছে। তবে বিজিবির কড়া অবস্থানের কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি।
বিজিবি ১৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি। বর্তমানে তারা নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করছেন এবং শূন্যরেখা থেকে ভারতীয় অংশের প্রায় ৫০ গজ ভেতরে রয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজিবি ও বিএসএফের ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএসএফ ২৮ জনকে সীমান্তে নিয়ে আসার বিষয়টি স্বীকার করে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির সমাধান করা হবে বলে আশ্বাস দেয়। তবে বৈঠকের পর এ বিষয়ে বিএসএফের পক্ষ থেকে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
এদিকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বৃহস্পতিবার বিকেলে সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন বিজিবির রাজশাহী সেক্টর কমান্ডার কর্নেল কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।’
রাজনীতি/আইআর

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ী সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ২৮ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের (ঠেলে পাঠানো) চেষ্টা করলেও বিজিবির বাধার মুখে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। বর্তমানে ওই ২৮ জন সীমান্তের শূন্যরেখা (নো ম্যান্স ল্যান্ড) এলাকায় অবস্থান করছেন।
সীমান্তে খোলা আকাশের নিচে অবস্থানরত এসব মানুষ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ভারী বৃষ্টিতে ভিজেছেন। তাদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশু রয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, তারা পর্যাপ্ত খাবারও পাচ্ছেন না। অসুস্থ হয়ে পড়েছেন একজন বয়স্ক নারী।
বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, ২৮ জনের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলায়। তারা প্রায় দুই বছর আগে ভারতে গিয়েছিলেন। পরিচয় নিশ্চিত করতে কয়রা থেকে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি পাঠানো হয়েছে। তাদের সঙ্গে বলে জানা গেছে, বিএসএফের পক্ষ থেকে কিছু খাবার সরবরাহ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে সীমান্তের ২০৩/৬-আর পিলার সংলগ্ন এলাকা দিয়ে বিএসএফের ১২ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ওই ২৮ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেন। তাদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী ও ৬ জন শিশু রয়েছে। তবে বিজিবির কড়া অবস্থানের কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি।
বিজিবি ১৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি। বর্তমানে তারা নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করছেন এবং শূন্যরেখা থেকে ভারতীয় অংশের প্রায় ৫০ গজ ভেতরে রয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজিবি ও বিএসএফের ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএসএফ ২৮ জনকে সীমান্তে নিয়ে আসার বিষয়টি স্বীকার করে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির সমাধান করা হবে বলে আশ্বাস দেয়। তবে বৈঠকের পর এ বিষয়ে বিএসএফের পক্ষ থেকে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
এদিকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বৃহস্পতিবার বিকেলে সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন বিজিবির রাজশাহী সেক্টর কমান্ডার কর্নেল কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।’
রাজনীতি/আইআর

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২১ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে