
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনা শহরে ছেলের সামনে এক বাবাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এর মাত্র ঘণ্টা তিনেক আগেই পৃথক আরেক ঘটনায় এক তরুণকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পাবনা পৌর এলাকার জামিয়া আশরাফিয়া মাদরাসার সামনে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে। ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের পেছনে বিকেলে ৪টার দিকে।
গুলিতে নিহত হোসেন আলী (৫৫) পাবনা সদর উপজেলার গয়েশপুর জাফরাবাদ গ্রামের মঈন উদ্দিনের ছেলে। আর ছুরিকাঘাতে নিহত মনিরুল ইসলাম (২২) সাঁথিয়া উপজেলার শিবরামপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মুন্নাফ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জামিয়া আশরাফিয়া মাদরাসায় ছেলেকে রাখতে গিয়েছিলেন হোসেন আলী। আগে থেকে সেখানে আশপাশে ওঁৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা ছেলের সামনেই বাবা হোসেন আলীকে গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই হোসেন আলী মারা যান।
অন্যদিকে পাবনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পূর্ববিরোধের জেরে বিকেলে রাকিব ও মনিরুল নামের দুই তরুণের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর মধ্যে মনিরুলকে ছুরিকাঘাত করেন রাকিব। আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে অবস্থা বেগতিক দেখে রাকিব পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রাকিবকে আটক করে।
এ সময় স্থানীয়রা মনিরুলকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখান থেকে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পথেই মৃত্যু হয় মনিরুলের।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, হোসেন আলীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মনিরুলের মরদেহ রাজশাহী থেকে পাবনার পথে রয়েছে। মনিরুলের ঘটনায় অভিযুক্ত রাকিবকে আটক করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, হোসেন আলীকে গুলি করে হত্যার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। হত্যার কারণ উদ্ঘাটন ও তদন্তে কাজ করছে পুলিশ।

পাবনা শহরে ছেলের সামনে এক বাবাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এর মাত্র ঘণ্টা তিনেক আগেই পৃথক আরেক ঘটনায় এক তরুণকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পাবনা পৌর এলাকার জামিয়া আশরাফিয়া মাদরাসার সামনে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে। ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের পেছনে বিকেলে ৪টার দিকে।
গুলিতে নিহত হোসেন আলী (৫৫) পাবনা সদর উপজেলার গয়েশপুর জাফরাবাদ গ্রামের মঈন উদ্দিনের ছেলে। আর ছুরিকাঘাতে নিহত মনিরুল ইসলাম (২২) সাঁথিয়া উপজেলার শিবরামপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মুন্নাফ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জামিয়া আশরাফিয়া মাদরাসায় ছেলেকে রাখতে গিয়েছিলেন হোসেন আলী। আগে থেকে সেখানে আশপাশে ওঁৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা ছেলের সামনেই বাবা হোসেন আলীকে গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই হোসেন আলী মারা যান।
অন্যদিকে পাবনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পূর্ববিরোধের জেরে বিকেলে রাকিব ও মনিরুল নামের দুই তরুণের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর মধ্যে মনিরুলকে ছুরিকাঘাত করেন রাকিব। আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে অবস্থা বেগতিক দেখে রাকিব পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রাকিবকে আটক করে।
এ সময় স্থানীয়রা মনিরুলকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখান থেকে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পথেই মৃত্যু হয় মনিরুলের।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, হোসেন আলীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মনিরুলের মরদেহ রাজশাহী থেকে পাবনার পথে রয়েছে। মনিরুলের ঘটনায় অভিযুক্ত রাকিবকে আটক করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, হোসেন আলীকে গুলি করে হত্যার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। হত্যার কারণ উদ্ঘাটন ও তদন্তে কাজ করছে পুলিশ।

সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে শামসুল হুদা মাছ ধরার উদ্দেশ্যে নিজ গ্রামের পাশের মোড়াইল বিলে যান। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও আন্তঃবিভাগের সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
২ দিন আগে
কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুন জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় বহু শ্রমিককে হাসপাতালে আনা হয়েছে। হাসপাতালে জায়গা হচ্ছে না। একের পর এক রোগী আসছে। আমরা যথাক্রমে তাদের চিকিৎসা দিচ্ছি।
২ দিন আগে