
রংপুর প্রতিনিধি

রংপুরের তারাগঞ্জে ভ্যান চুরির অভিযোগ তুলে রূপলাল রবিদাস ও প্রদীপ লাল রবিদাসকে পিটিয়ে হত্যার সময়কার নতুন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সে ভিডিওতে দেখা গেছে তাদের দুজনকে নৃশংসভাবে হত্যার দৃশ্য।
পুলিশ বলছে, পাঁচ মিনিট ২১ সেকেন্ডের ওই ভিডিও দেখে হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে পুলিশের দুই উপপরিদর্শক (এসআই) ও ছয় কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট স্কুল মাঠে ভ্যানের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন দুজন। ওই ভ্যানের চারপাশ ঘিরে রয়েছে অনেক মানুষ। পাশেই পুলিশের কয়েকজন সদস্য, তারা বাঁশি বাজিয়ে ভিড় সরানোর চেষ্টা করছিলেন।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, রূপলাল ওঠার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে শুয়ে পড়েন। ওই সময় পুলিশ পাশে থাকলেও রূপলাল ও প্রদীপের ওপর হামলা চলতে থাকে। একপর্যায়ে পুলিশ ভিড় ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ সময় সবাই আরও মারমুখী হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে রূপলাল ও প্রদীপ ভ্যান থেকে মাটিতে পড়ে যান। সে সময় ভ্যানটি তাদের শরীরের ওপর উলটে ফেলা হয়।
ভিডিওতে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘ভ্যানের ওপর চড়, চাপা দিয়ে মেরে ফেল।’ আরেকজন বলছিলেন, ‘ছুরি নিয়ে আয়, জবাই করে মেরে ফেল।’ পরে কয়েকজন তরুণ ভ্যান সরিয়ে আবারও দুজনকে কিল-ঘুষি-লাথি মারেন এবং লাঠি ও রড দিয়েও তাদের মারতে থাকেন।
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ ফারুক বলেন, ঘটনাস্থলে হাজার হাজার মানুষ ছিল, পুলিশ ছিল কয়েকজন। পুলিশ দুজনকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও পেছন থেকে ধাক্কাধাক্কি ও হামলার মুখে পুলিশ সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া নতুন ভিডিও দেখে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে জানিয়ে ওসি বলেন, অনেককে শনাক্ত করা হয়েছে, তারা পলাতক। নিরপরাধ কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না, প্রমাণের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হবে।
এদিকে রংপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) আবু সাইম জানিয়েছেন, এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বুধবার বিকেলে আট পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরখাস্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন— তারাগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু জোবায়ের ও সফিকুল ইসলাম এবং কনস্টেবল ফারিকুদ আখতার জামান, ধিরাজ কুমার রায়, হাসান আলী, ফিরোজ কবির, মোক্তার হোসেন ও বাবুল চন্দ্র রায়।
তারাগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম মামলার তদন্তের ভার পেয়েছেন।
গত শনিবার রাত ৯টার দিকে তারাগঞ্জের সয়ার ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় গণপিটুনিতে নিহত হন উপজেলার ঘনিরাপুর এলাকার রূপলাল দাস ও তার ভাগনির স্বামী প্রদীপ লাল (৩৫)। প্রদীপের বাড়ি মিঠাপুকুর উপজেলার বালুয়াভাটা গ্রামে।
রূপলাল স্থানীয় বাজারে জুতা সেলাই করতেন। ছোট্ট একটি টিনের ঘরে মা, স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ থাকতেন। আর প্রদীপ লাল ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
এ ঘটনায় রূপলালের স্ত্রী মালতি রানী রবিদাস রোববার দুপুরে তারাগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ৭০০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। সেই রাতেই পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

রংপুরের তারাগঞ্জে ভ্যান চুরির অভিযোগ তুলে রূপলাল রবিদাস ও প্রদীপ লাল রবিদাসকে পিটিয়ে হত্যার সময়কার নতুন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সে ভিডিওতে দেখা গেছে তাদের দুজনকে নৃশংসভাবে হত্যার দৃশ্য।
পুলিশ বলছে, পাঁচ মিনিট ২১ সেকেন্ডের ওই ভিডিও দেখে হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে পুলিশের দুই উপপরিদর্শক (এসআই) ও ছয় কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট স্কুল মাঠে ভ্যানের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন দুজন। ওই ভ্যানের চারপাশ ঘিরে রয়েছে অনেক মানুষ। পাশেই পুলিশের কয়েকজন সদস্য, তারা বাঁশি বাজিয়ে ভিড় সরানোর চেষ্টা করছিলেন।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, রূপলাল ওঠার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে শুয়ে পড়েন। ওই সময় পুলিশ পাশে থাকলেও রূপলাল ও প্রদীপের ওপর হামলা চলতে থাকে। একপর্যায়ে পুলিশ ভিড় ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ সময় সবাই আরও মারমুখী হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে রূপলাল ও প্রদীপ ভ্যান থেকে মাটিতে পড়ে যান। সে সময় ভ্যানটি তাদের শরীরের ওপর উলটে ফেলা হয়।
ভিডিওতে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘ভ্যানের ওপর চড়, চাপা দিয়ে মেরে ফেল।’ আরেকজন বলছিলেন, ‘ছুরি নিয়ে আয়, জবাই করে মেরে ফেল।’ পরে কয়েকজন তরুণ ভ্যান সরিয়ে আবারও দুজনকে কিল-ঘুষি-লাথি মারেন এবং লাঠি ও রড দিয়েও তাদের মারতে থাকেন।
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ ফারুক বলেন, ঘটনাস্থলে হাজার হাজার মানুষ ছিল, পুলিশ ছিল কয়েকজন। পুলিশ দুজনকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও পেছন থেকে ধাক্কাধাক্কি ও হামলার মুখে পুলিশ সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া নতুন ভিডিও দেখে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে জানিয়ে ওসি বলেন, অনেককে শনাক্ত করা হয়েছে, তারা পলাতক। নিরপরাধ কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না, প্রমাণের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হবে।
এদিকে রংপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) আবু সাইম জানিয়েছেন, এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বুধবার বিকেলে আট পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরখাস্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন— তারাগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু জোবায়ের ও সফিকুল ইসলাম এবং কনস্টেবল ফারিকুদ আখতার জামান, ধিরাজ কুমার রায়, হাসান আলী, ফিরোজ কবির, মোক্তার হোসেন ও বাবুল চন্দ্র রায়।
তারাগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম মামলার তদন্তের ভার পেয়েছেন।
গত শনিবার রাত ৯টার দিকে তারাগঞ্জের সয়ার ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় গণপিটুনিতে নিহত হন উপজেলার ঘনিরাপুর এলাকার রূপলাল দাস ও তার ভাগনির স্বামী প্রদীপ লাল (৩৫)। প্রদীপের বাড়ি মিঠাপুকুর উপজেলার বালুয়াভাটা গ্রামে।
রূপলাল স্থানীয় বাজারে জুতা সেলাই করতেন। ছোট্ট একটি টিনের ঘরে মা, স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ থাকতেন। আর প্রদীপ লাল ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
এ ঘটনায় রূপলালের স্ত্রী মালতি রানী রবিদাস রোববার দুপুরে তারাগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ৭০০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। সেই রাতেই পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতের সবশেষ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কালনী নদীর পানির সমতল পরিমাপ করা হয়েছে ২ দশমিক ৪৭ মিটার, যা প্রাক-বর্ষা বিপৎসীমার (৫ দশমিক ৩৫ মিটার) ২৮৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
১১ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১ দিন আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে