
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ (রৌমারী, রাজিবপুর ও চিলমারী) আসনে এক নজিরবিহীন লড়াইয়ের সাক্ষী হলো দেশবাসী। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী আপন বড় ভাইকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে জয় পেয়েছেন জামায়াত সমর্থিত জোটের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।
বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ১৩০টি কেন্দ্রে মুস্তাফিজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৯৪৩ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ও আপন বড় ভাই বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজিজুর রহমান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৪৫ ভোট।
কুড়িগ্রামের এই আসনের এবারের নির্বাচন ছিল দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে। কারণ এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট এবং জামায়াত জোটের দুই প্রার্থী ছিলেন একই পরিবারের আপন দুই ভাই।
বড় ভাই আজিজুর রহমান বিএনপির দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতা এবং দলের পক্ষ থেকে তাকে ধানের শীষের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অন্যদিকে, ছোট ভাই মুস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত এবং সাংগঠনিকভাবে এলাকায় বেশ শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেন।
ভোটের আগে দুই ভাই একই বাড়িতে থাকলেও নির্বাচনি প্রচারে একে অপরকে ছাড় দেননি। ছোট ভাই মুস্তাফিজুর রহমান শুরু থেকেই দাবি করেছিলেন যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের চেয়ে রাজনৈতিক আদর্শ ও দলের জনপ্রিয়তা এবার বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াবে। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা গেল, ভোটাররা শেষ পর্যন্ত ছোট ভাইয়ের পক্ষেই রায় দিয়েছেন।
রৌমারী, রাজিবপুর ও চিলমারী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনটি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও জামায়াতের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এবারের লড়াইয়ে এ আসনে জামায়াতের সাংগঠনিক শক্তির পরিচয় মিলেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ (রৌমারী, রাজিবপুর ও চিলমারী) আসনে এক নজিরবিহীন লড়াইয়ের সাক্ষী হলো দেশবাসী। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী আপন বড় ভাইকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে জয় পেয়েছেন জামায়াত সমর্থিত জোটের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।
বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ১৩০টি কেন্দ্রে মুস্তাফিজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৯৪৩ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ও আপন বড় ভাই বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজিজুর রহমান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৪৫ ভোট।
কুড়িগ্রামের এই আসনের এবারের নির্বাচন ছিল দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে। কারণ এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট এবং জামায়াত জোটের দুই প্রার্থী ছিলেন একই পরিবারের আপন দুই ভাই।
বড় ভাই আজিজুর রহমান বিএনপির দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতা এবং দলের পক্ষ থেকে তাকে ধানের শীষের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অন্যদিকে, ছোট ভাই মুস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত এবং সাংগঠনিকভাবে এলাকায় বেশ শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেন।
ভোটের আগে দুই ভাই একই বাড়িতে থাকলেও নির্বাচনি প্রচারে একে অপরকে ছাড় দেননি। ছোট ভাই মুস্তাফিজুর রহমান শুরু থেকেই দাবি করেছিলেন যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের চেয়ে রাজনৈতিক আদর্শ ও দলের জনপ্রিয়তা এবার বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াবে। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা গেল, ভোটাররা শেষ পর্যন্ত ছোট ভাইয়ের পক্ষেই রায় দিয়েছেন।
রৌমারী, রাজিবপুর ও চিলমারী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনটি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও জামায়াতের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এবারের লড়াইয়ে এ আসনে জামায়াতের সাংগঠনিক শক্তির পরিচয় মিলেছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে