
রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কুড়িগ্রামের রৌমারীতে পুশইন চেষ্টার শিকার ৯ জন চার দিন ধরে অবস্থান করছিলেন সীমান্তের শূন্য রেখায়। তাদের মধ্য থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তাদের কোথায় নেওয়া হয়েছে, এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
গয়টাপাড়া সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য সোনা মিয়া বিবিসি বাংলাকে বলেন, গতকাল (বুধবার) রাতেও ছয়জনকে সীমান্তে দেখছিলাম, কিন্তু আজকে সকালে এসে দেখলাম দুইজন বসে আছে। বাকিদের কোথায় নেওয়া হয়েছে আমার ধারণা নেই।
দুই শিশুসহ চারজনের সীমান্তের শূন্যরেখায় না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমানও। তবে তাদের কোথায় নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর বলেন, বর্তমানে রৌমারি উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তে দুজন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজন শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।
এর আগে গত রোববার সকালে কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের এই দুই পয়েন্ট দিয়ে ৯ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছিল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধার মুখে সে চেষ্টা সফল হয়নি।
ওই ৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করে বিএসএফ। এ দাবির সত্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে বলে জানিয়েছিল বিজিবি। ওই সময় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সমাধান না হওয়ায় ওই ৯ জনকে শূন্যরেখাতেই অবস্থান করতে হয়।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কুড়িগ্রামের রৌমারীতে পুশইন চেষ্টার শিকার ৯ জন চার দিন ধরে অবস্থান করছিলেন সীমান্তের শূন্য রেখায়। তাদের মধ্য থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তাদের কোথায় নেওয়া হয়েছে, এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
গয়টাপাড়া সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য সোনা মিয়া বিবিসি বাংলাকে বলেন, গতকাল (বুধবার) রাতেও ছয়জনকে সীমান্তে দেখছিলাম, কিন্তু আজকে সকালে এসে দেখলাম দুইজন বসে আছে। বাকিদের কোথায় নেওয়া হয়েছে আমার ধারণা নেই।
দুই শিশুসহ চারজনের সীমান্তের শূন্যরেখায় না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমানও। তবে তাদের কোথায় নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর বলেন, বর্তমানে রৌমারি উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তে দুজন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজন শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।
এর আগে গত রোববার সকালে কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের এই দুই পয়েন্ট দিয়ে ৯ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছিল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধার মুখে সে চেষ্টা সফল হয়নি।
ওই ৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করে বিএসএফ। এ দাবির সত্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে বলে জানিয়েছিল বিজিবি। ওই সময় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সমাধান না হওয়ায় ওই ৯ জনকে শূন্যরেখাতেই অবস্থান করতে হয়।

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে