
রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের খেওয়ারচর হাটে উপজেলা প্রশাসনের নোটিশের দুই সপ্তাহ পার হলেও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন অবৈধ দোকানঘর এখনো অপসারণ করা হয়নি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
এর আগে খেওয়ারচর হাটে অবৈধ স্থাপনা নিয়ে কয়েকটি জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি আমলে নেয়। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাফিউর রহমান এক দিনের মধ্যে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে নোটিশ জারি করেন। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও উচ্ছেদ কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়নি।
জানা গেছে, খেওয়ারচর হাটের সরকারি পেরিফেরিভুক্ত এলাকায় এর আগে নির্মিত ২২টি দোকানঘর উচ্ছেদ করে সরকারি উদ্যোগে হাট সেট নির্মাণ করা হয়। কিন্তু পরে খালি জায়গায় স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল নতুন করে দোকানঘর নির্মাণ শুরু করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সরবেশ আলী, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান হালু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মিয়া এবং ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলীর ভগ্নীপতি ও সাবেক মেম্বর হায়দার আলীসহ অনেকে।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, হাটের ভেতরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও কিছু বিএনপি নেতাদের নেতৃত্বে দলের প্রভাব দেখিয়ে দোকানঘর নির্মাণ চলছে। দোকানপাট সরিয়ে নিতে প্রশাসন এক দিনের সময় দিয়ে নোটিশ দিয়েছিল। তবে দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সেগুলো এখনো সরিয়ে নেওয়া হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলীকে ফোন করলে তিনি বলেন, “আমরা অনুমোতি নিয়েই কাজ করছি। আপনি কাকে ফোন দিয়েছেন জানেন? আপনি খোঁজ নেন। আমাদের ঘর কেউ ভাঙতে পারবে না। আপনে কী করতে পারেন, করেন।”
অন্যদিকে ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, “হাট-বাজারে সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে, বিএনপির ক্ষমতার দাপটে, তাদের মনগড়াভাবে দোকান নির্মাণ করছে। এসিল্যান্ড স্যার অবৈধভাবে উত্তোলনকৃত দোকানপাট সরিয়ে নিতে এক দিনের সময় দিয়ে নোটিশ দিলেও দুই সপ্তাহ পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয় নাই।”
যাদুরচর ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা মো. রুহুল্লা বলেন, “সরকারি ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ভূমি ও ইমারাত (দখল পুনরুদ্ধার) অধ্যাদেশ, ১৯৭০ অনুযায়ী অবৈধ দখলীয় ভূমি ও স্থাপনা ছেড়ে দেওয়ার জন্য এসিল্যান্ড স্যারসহ গিয়ে এক দিনের সময় দিয়ে নোটিশ টাঙানো হয়েছে। তারা যদি তা না ভাঙে, তবে সরকারিভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই, খোঁজখবর নিচ্ছি। প্রশাসন যেখানে নোটিশ দিয়েছে, সেখানে দলের নাম করে ঘর নির্মণ করা মোটেও ঠিক না। তারা দলের দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। যদি দলের নাম করে কিছু করে এবং কেউ অভিযোগ দেয়, তাহলে তদন্ত করে সত্যতা পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে দেবো না।”
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাফিউর রহমান বলেন, “অবৈধভাবে নির্মিত দোকানঘর সরিয়ে নিতে এক দিনের সময় দিয়ে নোটিশ টাঙানো হয়েছে। যদি তারা না ভেঙে থাকে, আবারও গিয়ে তা ভেঙে দেওয়া হবে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা চলায় সময় পাচ্ছি না, অভিযান কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে। পরীক্ষা শেষ হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের খেওয়ারচর হাটে উপজেলা প্রশাসনের নোটিশের দুই সপ্তাহ পার হলেও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন অবৈধ দোকানঘর এখনো অপসারণ করা হয়নি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
এর আগে খেওয়ারচর হাটে অবৈধ স্থাপনা নিয়ে কয়েকটি জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি আমলে নেয়। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাফিউর রহমান এক দিনের মধ্যে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে নোটিশ জারি করেন। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও উচ্ছেদ কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়নি।
জানা গেছে, খেওয়ারচর হাটের সরকারি পেরিফেরিভুক্ত এলাকায় এর আগে নির্মিত ২২টি দোকানঘর উচ্ছেদ করে সরকারি উদ্যোগে হাট সেট নির্মাণ করা হয়। কিন্তু পরে খালি জায়গায় স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল নতুন করে দোকানঘর নির্মাণ শুরু করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সরবেশ আলী, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান হালু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মিয়া এবং ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলীর ভগ্নীপতি ও সাবেক মেম্বর হায়দার আলীসহ অনেকে।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, হাটের ভেতরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও কিছু বিএনপি নেতাদের নেতৃত্বে দলের প্রভাব দেখিয়ে দোকানঘর নির্মাণ চলছে। দোকানপাট সরিয়ে নিতে প্রশাসন এক দিনের সময় দিয়ে নোটিশ দিয়েছিল। তবে দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সেগুলো এখনো সরিয়ে নেওয়া হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলীকে ফোন করলে তিনি বলেন, “আমরা অনুমোতি নিয়েই কাজ করছি। আপনি কাকে ফোন দিয়েছেন জানেন? আপনি খোঁজ নেন। আমাদের ঘর কেউ ভাঙতে পারবে না। আপনে কী করতে পারেন, করেন।”
অন্যদিকে ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, “হাট-বাজারে সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে, বিএনপির ক্ষমতার দাপটে, তাদের মনগড়াভাবে দোকান নির্মাণ করছে। এসিল্যান্ড স্যার অবৈধভাবে উত্তোলনকৃত দোকানপাট সরিয়ে নিতে এক দিনের সময় দিয়ে নোটিশ দিলেও দুই সপ্তাহ পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয় নাই।”
যাদুরচর ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা মো. রুহুল্লা বলেন, “সরকারি ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ভূমি ও ইমারাত (দখল পুনরুদ্ধার) অধ্যাদেশ, ১৯৭০ অনুযায়ী অবৈধ দখলীয় ভূমি ও স্থাপনা ছেড়ে দেওয়ার জন্য এসিল্যান্ড স্যারসহ গিয়ে এক দিনের সময় দিয়ে নোটিশ টাঙানো হয়েছে। তারা যদি তা না ভাঙে, তবে সরকারিভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই, খোঁজখবর নিচ্ছি। প্রশাসন যেখানে নোটিশ দিয়েছে, সেখানে দলের নাম করে ঘর নির্মণ করা মোটেও ঠিক না। তারা দলের দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। যদি দলের নাম করে কিছু করে এবং কেউ অভিযোগ দেয়, তাহলে তদন্ত করে সত্যতা পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে দেবো না।”
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাফিউর রহমান বলেন, “অবৈধভাবে নির্মিত দোকানঘর সরিয়ে নিতে এক দিনের সময় দিয়ে নোটিশ টাঙানো হয়েছে। যদি তারা না ভেঙে থাকে, আবারও গিয়ে তা ভেঙে দেওয়া হবে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা চলায় সময় পাচ্ছি না, অভিযান কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে। পরীক্ষা শেষ হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে