
রংপুর প্রতিনিধি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম। তারা বলছেন, তার ছেলেকে হত্যার নির্দেশনা দিয়েছেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ-প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তাদেরও মৃত্যুদণ্ড সাজা দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে এ হত্যা মামলার রায় প্রকাশের পর তারা গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান। এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম পুলিশের গুলিতে নিহত আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
রায়ে পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় ওই সময়কার সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) রবিউল ইসলাম নয়ন ও এসআই বিভূতি ভূষণ রায় মাধবকে। মামলার আরও ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায় পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আবু সাঈদের বাবার মকবুল হোসেন বলেন, এ রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। আদালত কনস্টেবলের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। কিন্তু গুলি করার জন্য ওপর লেভেলের অফিসাররা নিদের্শনা দিয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে ভালো করে তদন্ত করতে হবে। মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা বাড়াতে হবে।
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার জাফরপাড়া বাবনপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা কথা বলছিলেন মকবুল হোসেন। তিনি জানান, ছেলেদের সঙ্গে পরামর্শ করে আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, আমার ছেলের সঠিক বিচার হয়নি। আরও মৃত্যুদণ্ড দিলো না কেন, এটি আমার দাবি। এ জন্য আমার অন্তর ঠান্ডা হয়নি, মন অসন্তুষ্ট।
আবু সাঈদ হত্যা মামলার সাক্ষী আরমান হোসেন বলেন, এ রায়ে ১১ জুলাই, ১২ জুলাই ও ১৬ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর যেসব আসামিরা হামলা চালিয়েছে তাদের কম সাজা দেওয়া হয়েছে। প্রত্যাশা অনুযায়ী রায় ঘোষণা হয়নি। বিজ্ঞ আদালত এটি আমলে নেবে ও রায় পুনর্বিবেচনা করবে প্রত্যাশা করছি।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আবু সাঈদের সহযোদ্ধা শামসুর রহমান সুমন বলেন, শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে গুরুতর অপরাধ করা আসামিদের লঘু শাস্তি দেওয়া হয়েছে। যাদের লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, নিশ্চয় তাদের বিষয়ে আদালত চিন্তা করবে বলে প্রত্যাশা করছি।
রায়ে যাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে তাদের রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান শামসুর রহমান। এ ছাড়া ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া অভ্যুত্থানের সময় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালালেও তাকে শাস্তি কম দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আবু সাঈদের আরেক সহযোদ্ধা আশিকুর রহমান আশিক বলেন, আমাদের দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে, এটি ছিল স্পষ্ট পুলিশি হত্যাকাণ্ড। পুলিশের এসি ইমরান শিক্ষার্থীদের ওপর ঢিল ছুড়েছিল, হামলার জন্য নির্দেশনা দিয়েছিল। কিন্তু তাকে মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আশা করছি আদালত এ বিষয়টি বিবেচনায় আনবেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম। তারা বলছেন, তার ছেলেকে হত্যার নির্দেশনা দিয়েছেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ-প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তাদেরও মৃত্যুদণ্ড সাজা দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে এ হত্যা মামলার রায় প্রকাশের পর তারা গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান। এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম পুলিশের গুলিতে নিহত আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
রায়ে পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় ওই সময়কার সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) রবিউল ইসলাম নয়ন ও এসআই বিভূতি ভূষণ রায় মাধবকে। মামলার আরও ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায় পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আবু সাঈদের বাবার মকবুল হোসেন বলেন, এ রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। আদালত কনস্টেবলের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। কিন্তু গুলি করার জন্য ওপর লেভেলের অফিসাররা নিদের্শনা দিয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে ভালো করে তদন্ত করতে হবে। মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা বাড়াতে হবে।
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার জাফরপাড়া বাবনপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা কথা বলছিলেন মকবুল হোসেন। তিনি জানান, ছেলেদের সঙ্গে পরামর্শ করে আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, আমার ছেলের সঠিক বিচার হয়নি। আরও মৃত্যুদণ্ড দিলো না কেন, এটি আমার দাবি। এ জন্য আমার অন্তর ঠান্ডা হয়নি, মন অসন্তুষ্ট।
আবু সাঈদ হত্যা মামলার সাক্ষী আরমান হোসেন বলেন, এ রায়ে ১১ জুলাই, ১২ জুলাই ও ১৬ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর যেসব আসামিরা হামলা চালিয়েছে তাদের কম সাজা দেওয়া হয়েছে। প্রত্যাশা অনুযায়ী রায় ঘোষণা হয়নি। বিজ্ঞ আদালত এটি আমলে নেবে ও রায় পুনর্বিবেচনা করবে প্রত্যাশা করছি।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আবু সাঈদের সহযোদ্ধা শামসুর রহমান সুমন বলেন, শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে গুরুতর অপরাধ করা আসামিদের লঘু শাস্তি দেওয়া হয়েছে। যাদের লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, নিশ্চয় তাদের বিষয়ে আদালত চিন্তা করবে বলে প্রত্যাশা করছি।
রায়ে যাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে তাদের রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান শামসুর রহমান। এ ছাড়া ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া অভ্যুত্থানের সময় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালালেও তাকে শাস্তি কম দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আবু সাঈদের আরেক সহযোদ্ধা আশিকুর রহমান আশিক বলেন, আমাদের দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে, এটি ছিল স্পষ্ট পুলিশি হত্যাকাণ্ড। পুলিশের এসি ইমরান শিক্ষার্থীদের ওপর ঢিল ছুড়েছিল, হামলার জন্য নির্দেশনা দিয়েছিল। কিন্তু তাকে মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আশা করছি আদালত এ বিষয়টি বিবেচনায় আনবেন।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে