
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত ‘অঞ্জলি লহ মোর’ ভাস্কর্যটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনের আদেশেই ছুটি চলাকালে এটি ভাঙা হচ্ছে।
ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়েছিল ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ ভবন এবং পুরাতন কলা অনুষদ ভবনের মাঝামাঝি পুকুরে। ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছিলেন সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর।
ভাস্কর্য ভাঙার বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে পরিকল্পনা ও প্রকৌশল দপ্তর ভালো বলতে পারবে।’
প্রকৌশল দপ্তরের উপপ্রধান প্রকৌশলী মো. মাহবুবুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি অবগত নই। আপনি পরিকল্পনা দপ্তর ও প্রকল্প পরিচালকের সঙ্গে কথা বলুন।’
পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভাস্কর্যটা বর্তমান প্রশাসন গ্রহণ করছে না। তাই এটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। উপাচার্য স্যারের পক্ষ থেকেই সিদ্ধান্ত এসেছে।’
উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পালন করা ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী বলেন, ‘এ বিষয়ে অনেক আগেই বিভিন্ন বিভাগের ডিনসহ সবাইকে নিয়ে একটা সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এটা সম্ভবত সেই সিদ্ধান্তের কারণেই হচ্ছে।’

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত ‘অঞ্জলি লহ মোর’ ভাস্কর্যটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনের আদেশেই ছুটি চলাকালে এটি ভাঙা হচ্ছে।
ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়েছিল ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ ভবন এবং পুরাতন কলা অনুষদ ভবনের মাঝামাঝি পুকুরে। ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছিলেন সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর।
ভাস্কর্য ভাঙার বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে পরিকল্পনা ও প্রকৌশল দপ্তর ভালো বলতে পারবে।’
প্রকৌশল দপ্তরের উপপ্রধান প্রকৌশলী মো. মাহবুবুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি অবগত নই। আপনি পরিকল্পনা দপ্তর ও প্রকল্প পরিচালকের সঙ্গে কথা বলুন।’
পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভাস্কর্যটা বর্তমান প্রশাসন গ্রহণ করছে না। তাই এটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। উপাচার্য স্যারের পক্ষ থেকেই সিদ্ধান্ত এসেছে।’
উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পালন করা ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী বলেন, ‘এ বিষয়ে অনেক আগেই বিভিন্ন বিভাগের ডিনসহ সবাইকে নিয়ে একটা সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এটা সম্ভবত সেই সিদ্ধান্তের কারণেই হচ্ছে।’

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৯ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে