
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি নাগরিক আসাদুল হক দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করেছে বিএসএফ। এ ঘটনায় মোস্তাকিন (৩৪) ও উদয় চন্দ্র রায় (৩৫) নামের আরও দুই বাংলাদেশি আহত হয়ে বিএসএফের হাতে আটক রয়েছে বলে জানায় বিজিবি।
দিনাজপুর ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন জানান, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার রামনা-চান্দোহর সীমান্তের শূন্যরেখায় তিন দফা পতাকা বৈঠক শেষে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।
নিহত আসাদুল হক (২৮) পীরগঞ্জ উপজেলার ইন্দ্রইল গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে। গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছিলেন তিনি।
বিজিবি জানিয়েছে, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে পীরগঞ্জের বৈরচুনা সীমান্তের চান্দেরহাট বিজিবি ক্যাম্পের ৩৩৩/২-এস পিলার এলাকা দিয়ে কয়েকজন বাংলাদেশি ভারতের প্রায় তিন কিলোমিটার ভেতরে প্রবেশ করেন। ওই সময় চকশিবানন্দ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা গুলি করলে আসাদুল গুলিবিদ্ধ হন। তাকে ভারতের কালিয়াগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মরদেহ হস্তান্তরের সময় বিজিবি-বিএসএফ কর্মকর্তা এবং পীরগঞ্জ ও ভারতের রায়গঞ্জ থানা পুলিশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পীরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল হাকিম জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি নাগরিক আসাদুল হক দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করেছে বিএসএফ। এ ঘটনায় মোস্তাকিন (৩৪) ও উদয় চন্দ্র রায় (৩৫) নামের আরও দুই বাংলাদেশি আহত হয়ে বিএসএফের হাতে আটক রয়েছে বলে জানায় বিজিবি।
দিনাজপুর ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন জানান, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার রামনা-চান্দোহর সীমান্তের শূন্যরেখায় তিন দফা পতাকা বৈঠক শেষে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।
নিহত আসাদুল হক (২৮) পীরগঞ্জ উপজেলার ইন্দ্রইল গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে। গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছিলেন তিনি।
বিজিবি জানিয়েছে, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে পীরগঞ্জের বৈরচুনা সীমান্তের চান্দেরহাট বিজিবি ক্যাম্পের ৩৩৩/২-এস পিলার এলাকা দিয়ে কয়েকজন বাংলাদেশি ভারতের প্রায় তিন কিলোমিটার ভেতরে প্রবেশ করেন। ওই সময় চকশিবানন্দ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা গুলি করলে আসাদুল গুলিবিদ্ধ হন। তাকে ভারতের কালিয়াগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মরদেহ হস্তান্তরের সময় বিজিবি-বিএসএফ কর্মকর্তা এবং পীরগঞ্জ ও ভারতের রায়গঞ্জ থানা পুলিশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পীরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল হাকিম জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক আদেশে দাউদ হোসেনকে প্রত্যাহারের তথ্য জানানো হয়। আদেশ অনুযায়ী, তাকে গুলশান থানা থেকে সরিয়ে ডিএমপি সদরদপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
১ দিন আগে
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মাদারগঞ্জ পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক রাসেল মিয়া এবং বালিজুড়ী ইউনিয়নের নাদাগাড়ী এলাকার ওবিনুর, সেলিম, সুমন ও সুমন ওরফে নুরু মিয়া। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের কাছ থেকে ট্রান্সফরমার চুরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে চাঁনখারপুল এলাকার বি কে গাঙ্গুলী লেইনের একটি ভবনের চতুর্থ তলার মেস থেকে অনিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
১ দিন আগে
নিখোঁজের পর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে শিশুটির সন্ধান চেয়ে প্রচার চালানো হয়। গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পাবনা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে নিহতের স্বজন ও সহপাঠীরা।
১ দিন আগে