
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পঞ্চগড়ের একটি কার্যালয়ের তালা খুলে দেওয়াকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার চাকলাহাট বাজারে উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আবু দাউদ প্রধানের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটির একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান (বুলেট) কার্যালয়ের সামনে বক্তব্য দিচ্ছেন। তার পাশে উপস্থিত ছিলেন আবু দাউদ প্রধানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা ।
কামরুজ্জামান বক্তব্যে কার্যালয় তালামুক্ত করায় বিএনপি নেতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তবে এটি যে আওয়ামী লীগের কার্যালয় ছিলো তা তিনি জানতেন না বলে দাবি করেছেন উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আবু দাউদ প্রধান।
তিনি জানান, সকালে তিনি বাজারে যাওয়ার সময় স্থানীয় বণিক সমিতির সভাপতি তার কাছে অভিযোগ করেন যে স্থানীয় জামায়াত কর্মী তার গুদামের চাবি নিয়ে গিয়েছে।
তিনি মূলত স্থানীয়দের মধ্যে এই সমস্যা মিটমাট করতে যান এবং ওই জামায়াত কর্মীকে গুদামের চাবি বুঝিয়ে দিতে বলেন। এই গুদামটি এক সময় আওয়ামী লীগের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
তিনি বলেন, আমি জানতাম না এখানে কোন আওয়ামী লীগের অফিস আছে। সেখানে কোনো সাইনবোর্ড নেই। আমি উত্তেজনা সামাল দেয়ার জন্য চাবি বুঝিয়ে দিতে বলি, ওইখানে আওয়ামী লীগের কর্মী ছিল। তারপর তারা ধন্যবাদ জানালো। আমি বিষয়টাকে সেভাবে নেইনি।
গুদামে তালা থাকায় এলাকায় যে উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছিল সেখানে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই তালা খুলে দেওয়ার কথা জানান তিনি। এটি কোনো দলীয় সিদ্ধান্ত নয় এবং আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক মাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে মন্তব্য দেখা গেছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পঞ্চগড়ের একটি কার্যালয়ের তালা খুলে দেওয়াকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার চাকলাহাট বাজারে উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আবু দাউদ প্রধানের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটির একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান (বুলেট) কার্যালয়ের সামনে বক্তব্য দিচ্ছেন। তার পাশে উপস্থিত ছিলেন আবু দাউদ প্রধানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা ।
কামরুজ্জামান বক্তব্যে কার্যালয় তালামুক্ত করায় বিএনপি নেতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তবে এটি যে আওয়ামী লীগের কার্যালয় ছিলো তা তিনি জানতেন না বলে দাবি করেছেন উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আবু দাউদ প্রধান।
তিনি জানান, সকালে তিনি বাজারে যাওয়ার সময় স্থানীয় বণিক সমিতির সভাপতি তার কাছে অভিযোগ করেন যে স্থানীয় জামায়াত কর্মী তার গুদামের চাবি নিয়ে গিয়েছে।
তিনি মূলত স্থানীয়দের মধ্যে এই সমস্যা মিটমাট করতে যান এবং ওই জামায়াত কর্মীকে গুদামের চাবি বুঝিয়ে দিতে বলেন। এই গুদামটি এক সময় আওয়ামী লীগের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
তিনি বলেন, আমি জানতাম না এখানে কোন আওয়ামী লীগের অফিস আছে। সেখানে কোনো সাইনবোর্ড নেই। আমি উত্তেজনা সামাল দেয়ার জন্য চাবি বুঝিয়ে দিতে বলি, ওইখানে আওয়ামী লীগের কর্মী ছিল। তারপর তারা ধন্যবাদ জানালো। আমি বিষয়টাকে সেভাবে নেইনি।
গুদামে তালা থাকায় এলাকায় যে উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছিল সেখানে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই তালা খুলে দেওয়ার কথা জানান তিনি। এটি কোনো দলীয় সিদ্ধান্ত নয় এবং আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক মাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে মন্তব্য দেখা গেছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে