
বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপালে নৌ বাহিনীর একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে একটি মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুর্ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছিলেন চারজন। এ দুর্ঘটনায় আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩। দুর্ঘটনায় আহত আরও কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে খুলনা-মোংলা মহাসড়কে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বেলাই ব্রিজের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটি খুলনা ও মাইক্রোবাসটি মোংলার দিকে যাচ্ছিল।
বাগেরহাটের কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহমেদ প্রাথমিকভাবে এ দুর্ঘটনায় চারজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন। পরে আহতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে আটজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন আরও একজন।
ওসি জাফর আহমেদ রাজনীতি ডটকমকে বলেন, মোংলা থেকে ছেড়ে আসা নৌ বাহিনীর একটি বাস বৃহষ্পতিবার বিকেল ৪টা নাগাদ রামপালের বেলাই ব্রিজ এলাকায় পৌঁছায়। সেখানে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে এ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। মাইক্রোবাসে থাকা চারজন দুর্ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। মাইক্রোবাসের বাকি যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মেহনাজ মোশাররফ গণমাধ্যমকে বলেন, রামপালের দুর্ঘটনায় আহত ১১ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের মধ্যে আটজনকে তখনই মৃত ঘোষণা করা হয়। কিছুক্ষণ পর চিকিসাধীন বাকি তিনজনের মধ্যে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
দুর্ঘটনাস্থলেই যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের মরদেহ রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। সেখানকার মেডিকেল অফিসার সুকান্ত পাল জানান, ছয়জনকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছিল। এর মধ্যে চারজন আগেই মারা গেছেন। দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় খুলনা মেডিকেলে পাঠানো হয়।
নিহত ১৩ জনের মধ্যে ছয়জন নারী, তিনটি শিশু৷ হতাহতদের বিস্তারিত পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

বাগেরহাটের রামপালে নৌ বাহিনীর একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে একটি মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুর্ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছিলেন চারজন। এ দুর্ঘটনায় আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩। দুর্ঘটনায় আহত আরও কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে খুলনা-মোংলা মহাসড়কে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বেলাই ব্রিজের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটি খুলনা ও মাইক্রোবাসটি মোংলার দিকে যাচ্ছিল।
বাগেরহাটের কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহমেদ প্রাথমিকভাবে এ দুর্ঘটনায় চারজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন। পরে আহতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে আটজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন আরও একজন।
ওসি জাফর আহমেদ রাজনীতি ডটকমকে বলেন, মোংলা থেকে ছেড়ে আসা নৌ বাহিনীর একটি বাস বৃহষ্পতিবার বিকেল ৪টা নাগাদ রামপালের বেলাই ব্রিজ এলাকায় পৌঁছায়। সেখানে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে এ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। মাইক্রোবাসে থাকা চারজন দুর্ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। মাইক্রোবাসের বাকি যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মেহনাজ মোশাররফ গণমাধ্যমকে বলেন, রামপালের দুর্ঘটনায় আহত ১১ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের মধ্যে আটজনকে তখনই মৃত ঘোষণা করা হয়। কিছুক্ষণ পর চিকিসাধীন বাকি তিনজনের মধ্যে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
দুর্ঘটনাস্থলেই যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের মরদেহ রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। সেখানকার মেডিকেল অফিসার সুকান্ত পাল জানান, ছয়জনকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছিল। এর মধ্যে চারজন আগেই মারা গেছেন। দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় খুলনা মেডিকেলে পাঠানো হয়।
নিহত ১৩ জনের মধ্যে ছয়জন নারী, তিনটি শিশু৷ হতাহতদের বিস্তারিত পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে