
রাজশাহী ব্যুরো

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কোনো ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা নেই। ভোটগ্রহণ সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে হবে।
আজ বুধবার বিকেলে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ একাডেমি মিলনায়তনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে আয়োজিত বিভাগীয় আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভার শেষে তিনি এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, সারাদেশে নির্বাচনে এক লাখ সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এর পাশাপাশি নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিমান বাহিনীর তিন হাজার ৫০০, বিজিবির প্রায় ৩৭ হাজার, কোস্ট গার্ডের সাড়ে চার হাজার, পুলিশের দেড় লাখ, র্যাবের প্রায় নয় হাজার এবং আনসারের পাঁচ লক্ষাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে আনসার বাহিনী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে প্রায় সব ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। যেসব কেন্দ্রে স্থায়ী বাউন্ডারি ওয়াল নেই, সেখানে অস্থায়ী বাঁশের বেড়া দিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়া হবে।
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হচ্ছে এবং এগুলো নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে না জানিয়ে তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে কোনো ধরনের ভীতি বা চাপ নেই।
‘মব ভায়োলেন্স’ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, 'মব ভায়োলেন্স বলতে কোনো কিছুই নেই। তিনি পুলিশি কর্মকর্তাদের পাশে ডেকে সাংবাদিকদের দেখিয়ে বলেন, ‘দেখুন, তাদের মধ্যে কেউ ভীত মনে হচ্ছে কি?’
এছাড়া তিনি বলেন, কোনো প্রার্থী বা ব্যক্তি যদি অসদাচরণে লিপ্ত হন, তা গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলে তারা নিজেই সংশোধিত হবে এবং প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, অতিরিক্ত মহা পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ড. মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. মুহাম্মদ জিল্লুর রহমান, রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারসহ বিভাগের আট জেলার পুলিশ সুপার, নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কোনো ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা নেই। ভোটগ্রহণ সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে হবে।
আজ বুধবার বিকেলে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ একাডেমি মিলনায়তনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে আয়োজিত বিভাগীয় আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভার শেষে তিনি এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, সারাদেশে নির্বাচনে এক লাখ সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এর পাশাপাশি নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিমান বাহিনীর তিন হাজার ৫০০, বিজিবির প্রায় ৩৭ হাজার, কোস্ট গার্ডের সাড়ে চার হাজার, পুলিশের দেড় লাখ, র্যাবের প্রায় নয় হাজার এবং আনসারের পাঁচ লক্ষাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে আনসার বাহিনী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে প্রায় সব ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। যেসব কেন্দ্রে স্থায়ী বাউন্ডারি ওয়াল নেই, সেখানে অস্থায়ী বাঁশের বেড়া দিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়া হবে।
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হচ্ছে এবং এগুলো নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে না জানিয়ে তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে কোনো ধরনের ভীতি বা চাপ নেই।
‘মব ভায়োলেন্স’ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, 'মব ভায়োলেন্স বলতে কোনো কিছুই নেই। তিনি পুলিশি কর্মকর্তাদের পাশে ডেকে সাংবাদিকদের দেখিয়ে বলেন, ‘দেখুন, তাদের মধ্যে কেউ ভীত মনে হচ্ছে কি?’
এছাড়া তিনি বলেন, কোনো প্রার্থী বা ব্যক্তি যদি অসদাচরণে লিপ্ত হন, তা গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলে তারা নিজেই সংশোধিত হবে এবং প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, অতিরিক্ত মহা পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ড. মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. মুহাম্মদ জিল্লুর রহমান, রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারসহ বিভাগের আট জেলার পুলিশ সুপার, নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে