
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়িতে তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’-র আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে এক বিশাল শোভাযাত্রার মাধ্যমে এই উৎসবের সূচনা করা হয়।
পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
বর্ণিল পোশাক ও ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র নিয়ে কয়েক হাজার পাহাড়ী-বাঙালি এই উৎসবে যোগ দেন, যেখানে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফুটিয়ে তোলা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নোমান হোসেন, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক সাজিয়া তাহের, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহফুজ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহাদাত হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ১২ এপ্রিল থেকে মূল বর্ষবরণ উৎসব শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
বর্ণিল শোভাযাত্রাটি জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে টাউন হল প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়। ঐতিহ্যবাহী বর্ণিল পোশাক, অলংকার এবং বাদ্যযন্ত্র নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন হাজারো পাহাড়ি-বাঙ্গালী। শোভাযাত্রায় জেলার বিভিন্ন সম্প্রদায় ও জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফুটিয়ে তোলা হয়। যেখানে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাদের নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল। এছাড়াও মারমাদের ঐতিহ্যবাহী পানি খেলা ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী করা হয়।
আগামী ১২ এপ্রিল থেকে পাহাড়ে বর্ষবরণ উৎসব ‘বৈসাবি’শুরু হবে।

খাগড়াছড়িতে তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’-র আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে এক বিশাল শোভাযাত্রার মাধ্যমে এই উৎসবের সূচনা করা হয়।
পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
বর্ণিল পোশাক ও ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র নিয়ে কয়েক হাজার পাহাড়ী-বাঙালি এই উৎসবে যোগ দেন, যেখানে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফুটিয়ে তোলা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নোমান হোসেন, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক সাজিয়া তাহের, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহফুজ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহাদাত হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ১২ এপ্রিল থেকে মূল বর্ষবরণ উৎসব শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
বর্ণিল শোভাযাত্রাটি জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে টাউন হল প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়। ঐতিহ্যবাহী বর্ণিল পোশাক, অলংকার এবং বাদ্যযন্ত্র নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন হাজারো পাহাড়ি-বাঙ্গালী। শোভাযাত্রায় জেলার বিভিন্ন সম্প্রদায় ও জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফুটিয়ে তোলা হয়। যেখানে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাদের নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল। এছাড়াও মারমাদের ঐতিহ্যবাহী পানি খেলা ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী করা হয়।
আগামী ১২ এপ্রিল থেকে পাহাড়ে বর্ষবরণ উৎসব ‘বৈসাবি’শুরু হবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে