সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এ প্রকল্পের মধ্যে সড়ক প্রশস্তকরণ, সেতু নির্মাণ, আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল, সিসি ব্লক স্থাপন এবং ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সাক্ষাৎকালে তারা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান সামরিক সম্পর্ক জোরদার এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, বৈশাখের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রী ১১টি উপজেলায় ‘কৃষক কার্ডে’র প্রাক-পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন। কার্ডে অন্তর্ভুক্ত ১০টি সেবার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রয়ের সুযোগ তৈরি করা।
সোমবার থেকে চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানি ক্যামিলা পার্কার।
চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানী ক্লিন ও গ্রিন করতে সাপ্তাহিক জনসচেতনতার পাশাপাশি মশক নিধনকে জোরদার করা হচ্ছে। বর্জ্য ফেলার জায়গা আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। সবুজায়ন করতে বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে। মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলের বর্জ্য থেকে জ্বালানিতে রূপান্তর করতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার আট দশক অতিক্রান্ত হলেও পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। অব্যাহত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে একসময়ের মিত্র জামায়াত-শিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে যে সংঘাত চলছে, তা কিছুটা একাত্তরের বিভাজন বা আদর্শিক হলেও এর মূল কারণ ‘দখলদারি’। ছাত্র রাজনীতির উপযোগিতা বহু আগেই শেষ হয়ে গেছে।
ক্যাম্পাসের সীমানা পেরিয়ে ছাত্রদল-শিবিরের দ্বন্দ্ব রূপ নিয়েছে রাজনৈতিক ন্যারেটিভ বা বয়ান তৈরির এক বৃহত্তর যুদ্ধে। একদিকে ‘গুপ্ত’ রাজনীতি উচ্ছেদের ডাক, অন্যদিকে ‘মব কালচার’ ও ‘আদু ভাই’ পুনর্বাসনের অভিযোগ— সব মিলিয়ে ছাত্রদল আর শিবিরের মুখোমুখি অবস্থান ক্রমেই সহিংসতার দিকে ধাবিত হচ্ছে।
দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ সম্প্রতি এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মাইলফলক অতিক্রম করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সই হওয়া অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি কেবল একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নয়, বরং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান পুনর্নির্ধারণের একটি সূচক।