
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইতালির রাজধানী রোমের অরেলিও এলাকায় নিজ বাসায় এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশি একটি পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) ইতালির স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৯টায় অরেলিও’র ভিয়া মন্টিগ্লিও এলাকার একটি ফ্ল্যাটের ভেতর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ইতালি পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে জানা গেছে, নিহতরা হলেন এক বাংলাদেশি দম্পতি ও তাদের মেয়েশিশু। তাদের সবাইকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই পরিবারের আরেক সদস্য গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ ও ফরেনসিক টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং পুরো এলাকাটি কর্ডন করে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ কিংবা এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহভাজন কাউকে শনাক্ত বা আটক করা সম্ভব হয়নি।
ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসীদের সূত্রে জানা গেছে, নিহত পরিবারটি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং তাদের আদি বাড়ি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়।
স্থানীয় রোম পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের বিরুদ্ধে ইতালিতে কোনো ধরনের অপরাধমূলক রেকর্ড ছিল না এবং তারা অত্যন্ত সজ্জন হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
রোম পুলিশ আরও জানিয়েছে, এটি একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং অপরাধীদের ধরতে সব দিক বিবেচনা করে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে। এই ঘটনায় রোমে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির মাঝে গভীর শোক ও আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে।

ইতালির রাজধানী রোমের অরেলিও এলাকায় নিজ বাসায় এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশি একটি পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) ইতালির স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৯টায় অরেলিও’র ভিয়া মন্টিগ্লিও এলাকার একটি ফ্ল্যাটের ভেতর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ইতালি পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে জানা গেছে, নিহতরা হলেন এক বাংলাদেশি দম্পতি ও তাদের মেয়েশিশু। তাদের সবাইকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই পরিবারের আরেক সদস্য গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ ও ফরেনসিক টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং পুরো এলাকাটি কর্ডন করে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ কিংবা এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহভাজন কাউকে শনাক্ত বা আটক করা সম্ভব হয়নি।
ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসীদের সূত্রে জানা গেছে, নিহত পরিবারটি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং তাদের আদি বাড়ি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়।
স্থানীয় রোম পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের বিরুদ্ধে ইতালিতে কোনো ধরনের অপরাধমূলক রেকর্ড ছিল না এবং তারা অত্যন্ত সজ্জন হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
রোম পুলিশ আরও জানিয়েছে, এটি একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং অপরাধীদের ধরতে সব দিক বিবেচনা করে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে। এই ঘটনায় রোমে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির মাঝে গভীর শোক ও আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে।

দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় রিপোর্টের ভিত্তিতে গতকাল তাদের ৭ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সাথে এসব অঞ্চলে বজ্রপাতসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি টর্নেডো দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রে। তবে বাংলাদেশও টর্নেডোপ্রবণ দেশগুলোর একটি। বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী টর্নেডোর ঘটনাও ঘটেছে বাংলাদেশে। ১৯৮৯ সালের ২৬ এপ্রিল মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর ও সাটুরিয়া উপজেলায় এই ভয়াবহ টর্নেডো আঘাত হানে, যা ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ টর্নেডো হিসেবে স্বীকৃত।
২০ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, গ্রামে মাসে ৭৫ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় না। এ কারণে যারা মাসে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, তাদের জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। প্রান্তিক মানুষ যাতে কষ্ট না পান, সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
১ দিন আগে