
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের পেটানোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলানিউজের মাল্টিমিডিয়া প্রতিবেদক তোফায়েল আহমদসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ সদস্যরা।
এ ঘটনায় তোফায়েল আহমদ গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অভিযান কাভার করার সময় বাংলানিউজের মাল্টিমিডিয়া প্রতিবেদক তোফায়েল আহমদসহ কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করে।
নিজেদের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পরও তাদের মারধর ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, তোফায়েল লাইভে থাকা অবস্থায় কোনো উসকানি ছাড়াই কয়েকজন পুলিশ সদস্য তার কাছে গিয়ে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। তিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পর পুলিশ সদস্যরা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ সদস্যরা তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং লাঠি দিয়ে বারবার আঘাত করেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত আজকের পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া প্রতিবেদক কাউসার আহমেদ রিপন বলেন, "কোনো উসকানি ছাড়াই পুলিশ সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে। তোফায়েলকে মারধর করা হলে আমরা তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করি। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা এতটাই আক্রমণাত্মক ছিলেন যে, তারা আমাদেরও লাঠি দিয়ে মারধর করেন।"
মারধরের ঘটনায় তোফায়েল আহমদ গুরুতর আহত হন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে এবং মাথা ও পিঠে আঘাতের কারণে রক্তক্ষরণ হয়।
সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম বলেন, "ঘটনার ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের পেটানোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলানিউজের মাল্টিমিডিয়া প্রতিবেদক তোফায়েল আহমদসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ সদস্যরা।
এ ঘটনায় তোফায়েল আহমদ গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অভিযান কাভার করার সময় বাংলানিউজের মাল্টিমিডিয়া প্রতিবেদক তোফায়েল আহমদসহ কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করে।
নিজেদের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পরও তাদের মারধর ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, তোফায়েল লাইভে থাকা অবস্থায় কোনো উসকানি ছাড়াই কয়েকজন পুলিশ সদস্য তার কাছে গিয়ে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। তিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পর পুলিশ সদস্যরা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ সদস্যরা তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং লাঠি দিয়ে বারবার আঘাত করেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত আজকের পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া প্রতিবেদক কাউসার আহমেদ রিপন বলেন, "কোনো উসকানি ছাড়াই পুলিশ সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে। তোফায়েলকে মারধর করা হলে আমরা তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করি। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা এতটাই আক্রমণাত্মক ছিলেন যে, তারা আমাদেরও লাঠি দিয়ে মারধর করেন।"
মারধরের ঘটনায় তোফায়েল আহমদ গুরুতর আহত হন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে এবং মাথা ও পিঠে আঘাতের কারণে রক্তক্ষরণ হয়।
সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম বলেন, "ঘটনার ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ভারতের ম্যাক্স হেলথকেয়ারের যৌথ উদ্যোগে কিডনি প্রতিস্থাপন, বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশন এবং জটিল রক্তরোগের আধুনিক চিকিৎসা নিয়ে একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
এরপর পুলিশ সদস্যরা তার কাছ থেকে মাইক্রোফোন সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ট্রাইব্যুনালের এজলাসে তাদের সঙ্গে লতিফ সিদ্দিকীর উচ্চবাচ্য হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল-২-এর কাঠগড়া থেকে তাকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় এক সাংবাদিক জানতে চান, ট্রাইব্যুনালে তিনি কী বলতে চাচ্ছিলেন। জবাবে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘বলতে চাচ্ছিলাম যে আমা
৬ ঘণ্টা আগে
টুথপেস্ট বা অন্যান্য পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক কিংবা ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি নিয়ে কোনো বেসরকারি সংস্থা গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাকে অবহিত করা এবং বিষয়টি যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে এ ধরনের গবেষণা
৬ ঘণ্টা আগে
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত আসা ২৩ জনের মধ্যে ১৩ জন নোয়াখালীর বাসিন্দা। এ ছাড়া সিলেটের তিনজন এবং কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ঢাকা ও অন্যান্য জেলার বাসিন্দারাও রয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে