
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গত এক সপ্তাহে বজ্রপাতে সারা দেশে ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ৩ হাজার ৪৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) রাজধানীর মহাখালী ব্র্যাক সেন্টারে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ব্র্যাকের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশে বজ্রপাতের ঝুঁকি হ্রাস ও প্রস্তুতি’ শীর্ষক এক জাতীয় কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। কর্মশালায় বজ্রপাতের ঝুঁকি রোধে চলমান উদ্যোগ পর্যালোচনা, ঘাটতি, চ্যালেঞ্জ শনাক্তসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গৃহীত উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
কর্মশালায় জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার তুলনায় প্রতিবছর বজ্রপাতে বেশি মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে। জীবন রক্ষায় মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে নাগরিকদের অতি সাবধান থাকতে হবে।
কর্মশালায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব আবু দাউদ মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, কুসংস্কার দূর করে সঠিক সময়ে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া সম্ভব হলে সাইক্লোনের মতো বজ্রপাতেও মৃত্যুর হার শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তিদের ৭০ শতাংশই কৃষক। কাজেই প্রাণহানি কমাতে দ্রুত আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছানো জরুরি।
আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, দেশে মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুর্যোগের অতি ঝুঁকিপূর্ণ সময়। হিমালয়ের পাদদেশ ও বঙ্গোপসাগরের বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে তৈরি হওয়া আর্দ্রতা বজ্রমেঘ তৈরির মূল উৎস। আর ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ বজ্রপাত ও আকস্মিক বন্যার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
তিনি জানান, আবহাওয়া বার্তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের উদাসীনতা বড় সমস্যা। মানুষকে সচেতন করতে আবহাওয়া অধিদপ্তর একটি স্লোগান নির্ধারণ করেছে। এটি হলো, ‘শুনলে বজ্রধ্বনি, ঘরে যাই তখনই’। তার মতে, প্রকৃতপক্ষে বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।
এ সময় বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও বুয়েট-জিআইডিপাসের পরিচালক তানভীর মনজুর বলেন, মাঠের কৃষকের কাছে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট না থাকায় তথ্য পৌঁছাতে বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। তার মতে, কৃষক ও শ্রমিকেরা যখন তাদের পরিচিত কারও কাছ থেকে তথ্য পান, তখন তারা সেটাকে বেশি গুরুত্ব দেন। এ কৌশলে মৃত্যু কমিয়ে আনা সম্ভব।

গত এক সপ্তাহে বজ্রপাতে সারা দেশে ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ৩ হাজার ৪৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) রাজধানীর মহাখালী ব্র্যাক সেন্টারে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ব্র্যাকের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশে বজ্রপাতের ঝুঁকি হ্রাস ও প্রস্তুতি’ শীর্ষক এক জাতীয় কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। কর্মশালায় বজ্রপাতের ঝুঁকি রোধে চলমান উদ্যোগ পর্যালোচনা, ঘাটতি, চ্যালেঞ্জ শনাক্তসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গৃহীত উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
কর্মশালায় জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার তুলনায় প্রতিবছর বজ্রপাতে বেশি মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে। জীবন রক্ষায় মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে নাগরিকদের অতি সাবধান থাকতে হবে।
কর্মশালায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব আবু দাউদ মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, কুসংস্কার দূর করে সঠিক সময়ে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া সম্ভব হলে সাইক্লোনের মতো বজ্রপাতেও মৃত্যুর হার শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তিদের ৭০ শতাংশই কৃষক। কাজেই প্রাণহানি কমাতে দ্রুত আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছানো জরুরি।
আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, দেশে মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুর্যোগের অতি ঝুঁকিপূর্ণ সময়। হিমালয়ের পাদদেশ ও বঙ্গোপসাগরের বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে তৈরি হওয়া আর্দ্রতা বজ্রমেঘ তৈরির মূল উৎস। আর ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ বজ্রপাত ও আকস্মিক বন্যার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
তিনি জানান, আবহাওয়া বার্তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের উদাসীনতা বড় সমস্যা। মানুষকে সচেতন করতে আবহাওয়া অধিদপ্তর একটি স্লোগান নির্ধারণ করেছে। এটি হলো, ‘শুনলে বজ্রধ্বনি, ঘরে যাই তখনই’। তার মতে, প্রকৃতপক্ষে বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।
এ সময় বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও বুয়েট-জিআইডিপাসের পরিচালক তানভীর মনজুর বলেন, মাঠের কৃষকের কাছে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট না থাকায় তথ্য পৌঁছাতে বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। তার মতে, কৃষক ও শ্রমিকেরা যখন তাদের পরিচিত কারও কাছ থেকে তথ্য পান, তখন তারা সেটাকে বেশি গুরুত্ব দেন। এ কৌশলে মৃত্যু কমিয়ে আনা সম্ভব।

ঈদুল আজহার আগে-পরে ১৩ দিনে সারা দেশে সড়ক, রেল ও নৌ পথে ৩২৭টি দুর্ঘটনায় ৩০৬ জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৮৬১ জন। এর মধ্যে কেবল সড়কেই ২৯২টি দুর্ঘটনায় ২৮১ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ৮৩৭ জন।
৪ ঘণ্টা আগে
মৃত নারীর স্বামী ও দুই সন্তান কানাডা প্রবাসী এবং তিনি প্রায় ১২ বছর ধরে ওই ফ্ল্যাটে একা থাকতেন। একই এলাকায় পরপর দু’টি এমন মর্মান্তিক ঘটনা নগরীর প্রবীণদের একাকীত্ব ও পারিবারিক সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছে বাংলাদেশ। সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সমর্থনে সম্মেলনের (আইএলসি) সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি নাহিদা সোবহান।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ৯৯ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন ড. খলিলুর রহমান। অধিবেশনে জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র ভোট দেয়।
৬ ঘণ্টা আগে