
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন নাম ‘যমুনা রেল সেতু’। এর পাশাপাশি টাঙ্গাইলের সেতু পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের বঙ্গবন্ধু রেল স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে যমুনা সেতু পূর্ব প্রান্তের নাম ইব্রাহীমাবাদ ও পশ্চিম প্রান্তের নাম সয়দাবাদ করা হয়।
রোববার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে রেল সেতুর প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আগের নাম পরিবর্তন করে যমুনা রেল সেতু করা হয়েছে। আর দুই রেল স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্তের নাম ইব্রাহীমাবাদ ও পশ্চিম প্রান্তের নাম সয়দাবাদ করেছে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর।
এর আগে ২০ ডিসেম্বর রেল স্টেশন পরিদর্শনে আসেন রেল সচিব ফাহিমুল ইসলাম। পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের জানান, যমুনা রেল সেতু আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন করা হবে।
১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পরই ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়। তবে ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় কমিয়ে দেওয়া হয় ট্রেনের গতি। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৩৮টি ট্রেন ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে সেতু পারাপার হচ্ছে।
এসব সমস্যা সমাধানে বিগত সরকার যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উজানে আলাদা রেল সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি সেতুটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর ২০২১ সালের মার্চে রেল সেতুর পিলার নির্মাণে পাইলিংয়ের কাজ শুরু হয়।
প্রথমে প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা নির্ধারিত হলেও পরবর্তীতে তা ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় উন্নীত হয়। এরমধ্যে ২৭ দশমিক ৬০ শতাংশ অর্থায়ন এসেছে দেশীয় উৎস থেকে এবং ৭২ দশমিক ৪০ শতাংশ ঋণ দিয়েছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।

টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন নাম ‘যমুনা রেল সেতু’। এর পাশাপাশি টাঙ্গাইলের সেতু পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের বঙ্গবন্ধু রেল স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে যমুনা সেতু পূর্ব প্রান্তের নাম ইব্রাহীমাবাদ ও পশ্চিম প্রান্তের নাম সয়দাবাদ করা হয়।
রোববার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে রেল সেতুর প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আগের নাম পরিবর্তন করে যমুনা রেল সেতু করা হয়েছে। আর দুই রেল স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্তের নাম ইব্রাহীমাবাদ ও পশ্চিম প্রান্তের নাম সয়দাবাদ করেছে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর।
এর আগে ২০ ডিসেম্বর রেল স্টেশন পরিদর্শনে আসেন রেল সচিব ফাহিমুল ইসলাম। পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের জানান, যমুনা রেল সেতু আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন করা হবে।
১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পরই ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়। তবে ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় কমিয়ে দেওয়া হয় ট্রেনের গতি। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৩৮টি ট্রেন ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে সেতু পারাপার হচ্ছে।
এসব সমস্যা সমাধানে বিগত সরকার যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উজানে আলাদা রেল সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি সেতুটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর ২০২১ সালের মার্চে রেল সেতুর পিলার নির্মাণে পাইলিংয়ের কাজ শুরু হয়।
প্রথমে প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা নির্ধারিত হলেও পরবর্তীতে তা ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় উন্নীত হয়। এরমধ্যে ২৭ দশমিক ৬০ শতাংশ অর্থায়ন এসেছে দেশীয় উৎস থেকে এবং ৭২ দশমিক ৪০ শতাংশ ঋণ দিয়েছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।

শনিবার (১ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর: চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ যৌথভাবে তিন দিনের এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ কার্যালয়ে অবস্থিত টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হাগিং ফেসে চলতি মাসে আলোড়ন তোলা হ্যাকিং ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে নিজেদের আরও কয়েকটি স্বয়ংক্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) এজেন্টের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঘটনা শনাক্ত করেছে ওপেনএআই। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ব্যক্তি গত শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে