
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মেট্রোরেলের হাই-ভোল্টেজ ট্র্যাকে একটি বিড়ালের অনুপ্রবেশের ঘটনায় নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ট্রেন চলাচল। শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টা ৪০ মিনিট থেকে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক লাইনে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে কর্তৃপক্ষ এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিলেও, হঠাৎ ট্রেন বন্ধ হওয়ায় স্টেশনগুলোতে হাজার হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সাধারণত কারিগরি ত্রুটি বা সিগন্যাল সমস্যার কারণে ট্রেন থামার নজির থাকলেও, একটি ক্ষুদ্র প্রাণীর উপস্থিতির কারণে পুরো নেটওয়ার্ক থমকে যাওয়ার ঘটনাটি বেশ চমকপ্রদ। তবে কোন স্টেশনের ঠিক কোন পয়েন্টে বিড়ালটি ঢুকেছে, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তা নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
হঠাৎ ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো যাত্রী। স্টেশনগুলোতে মুহূর্তের মধ্যেই তৈরি হয় অপেক্ষমাণ মানুষের দীর্ঘ সারি। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও কোনও সমাধান না পেয়ে অনেকেই স্টেশন ছেড়ে বিকল্প পরিবহনের দিকে পা বাড়ান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নতুন কোনও যাত্রীকে স্টেশনে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এরই মধ্যে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। যারা এরইমধ্যে পাঞ্চ করে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করেছিলেন, তারা কাউন্টার থেকে ভাড়ার টাকা বুঝে নিচ্ছেন।
মেট্রোরেল পরিচালনাকারী সংস্থা বিএমটিসিএল-এর এক কর্মকর্তা জানান, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক লাইনে যেকোনও প্রাণীর উপস্থিতি বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লাইনটি সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং ঝুঁকিমুক্ত করার চেষ্টা চলছে। তবে ঠিক কখন নাগাদ চাকা আবার সচল হবে, তা সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। ঝুঁকি দূর হওয়ামাত্রই দ্রুততম সময়ে সেবা পুনরায় চালু করা হবে।

মেট্রোরেলের হাই-ভোল্টেজ ট্র্যাকে একটি বিড়ালের অনুপ্রবেশের ঘটনায় নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ট্রেন চলাচল। শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টা ৪০ মিনিট থেকে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক লাইনে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে কর্তৃপক্ষ এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিলেও, হঠাৎ ট্রেন বন্ধ হওয়ায় স্টেশনগুলোতে হাজার হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সাধারণত কারিগরি ত্রুটি বা সিগন্যাল সমস্যার কারণে ট্রেন থামার নজির থাকলেও, একটি ক্ষুদ্র প্রাণীর উপস্থিতির কারণে পুরো নেটওয়ার্ক থমকে যাওয়ার ঘটনাটি বেশ চমকপ্রদ। তবে কোন স্টেশনের ঠিক কোন পয়েন্টে বিড়ালটি ঢুকেছে, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তা নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
হঠাৎ ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো যাত্রী। স্টেশনগুলোতে মুহূর্তের মধ্যেই তৈরি হয় অপেক্ষমাণ মানুষের দীর্ঘ সারি। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও কোনও সমাধান না পেয়ে অনেকেই স্টেশন ছেড়ে বিকল্প পরিবহনের দিকে পা বাড়ান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নতুন কোনও যাত্রীকে স্টেশনে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এরই মধ্যে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। যারা এরইমধ্যে পাঞ্চ করে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করেছিলেন, তারা কাউন্টার থেকে ভাড়ার টাকা বুঝে নিচ্ছেন।
মেট্রোরেল পরিচালনাকারী সংস্থা বিএমটিসিএল-এর এক কর্মকর্তা জানান, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক লাইনে যেকোনও প্রাণীর উপস্থিতি বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লাইনটি সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং ঝুঁকিমুক্ত করার চেষ্টা চলছে। তবে ঠিক কখন নাগাদ চাকা আবার সচল হবে, তা সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। ঝুঁকি দূর হওয়ামাত্রই দ্রুততম সময়ে সেবা পুনরায় চালু করা হবে।

এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রস্তুতিতে সুন্দর আগামী গড়ি’ আমাদের জাতীয় উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা বর্তমান
৫ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল (শনিবার, ১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ (শুক্রবার, ১০ জুলাই) এক বাণীতে এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
৫ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১২৮ জনের শরীরে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সময়ে হামের সুনির্দিষ্ট উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯০১ জন। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়ে
৫ ঘণ্টা আগে
সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, জুলাই জাদুঘর পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। শিগগিরই জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হবে।
৭ ঘণ্টা আগে