
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যেই সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি নির্ধারিত সময়ের দুদিন আগে দেশে ফিরছেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে হলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। এ ছাড়া নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত স্পিকারকেই অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বও পালন করতে হয়। ফলে স্পিকারের তড়িঘড়ি করে দেশে ফেরার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার (২৪ জুলাই) থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন।
এর আগে গত ১৯ জুলাই চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক সফরে যান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী রোববার (২৬ জুলাইয়) তার দেশে ফেরার জন্য ফিরতি টিকিট কাটা ছিল। এখন দুদিন আগেই দেশে ফিরছেন তিনি।
সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে স্পিকারকে দ্রুত দেশে ফিরতে অনুরোধ করার কথা জানিয়েছেন। তবে কী কারণে স্পিকারকে দ্রুত দেশে ফিরতে বলা হয়েছে বা এর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না— সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলতে পারেননি ওই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘আশা করি সবকিছু কালকেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।’
বাংলাদেশের সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে জাতীয় সংসদের স্পিকার পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। রাষ্ট্রীয় প্রটোকল বা পদমর্যাদাক্রমে এই পদের অবস্থান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পরেই, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে যৌথভাবে তৃতীয় অবস্থানে। সংবিধান বলছে, রাষ্ট্রপতি পদের সঙ্গে স্পিকার পদটি নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত।
সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, স্পিকার বরাবর নিজের সই করা চিঠিতে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে পারবেন। অন্যদিকে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
গুঞ্জন রয়েছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন খুব শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছেই তাকে পদত্যাগপত্র দিতে হবে। আবার নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত হাফিজ উদ্দিন আহমদকেই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সংবিধানের ১২৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ করলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
এর আগে বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে ২০০২ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী পদত্যাগ করেন। ওই সময় অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার প্রয়াত জমির উদ্দিন সরকার ৭৮ দিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। স্পিকার পদে থেকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের এটিই সবশেষ নজির।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যেই সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি নির্ধারিত সময়ের দুদিন আগে দেশে ফিরছেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে হলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। এ ছাড়া নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত স্পিকারকেই অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বও পালন করতে হয়। ফলে স্পিকারের তড়িঘড়ি করে দেশে ফেরার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার (২৪ জুলাই) থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন।
এর আগে গত ১৯ জুলাই চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক সফরে যান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী রোববার (২৬ জুলাইয়) তার দেশে ফেরার জন্য ফিরতি টিকিট কাটা ছিল। এখন দুদিন আগেই দেশে ফিরছেন তিনি।
সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে স্পিকারকে দ্রুত দেশে ফিরতে অনুরোধ করার কথা জানিয়েছেন। তবে কী কারণে স্পিকারকে দ্রুত দেশে ফিরতে বলা হয়েছে বা এর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না— সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলতে পারেননি ওই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘আশা করি সবকিছু কালকেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।’
বাংলাদেশের সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে জাতীয় সংসদের স্পিকার পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। রাষ্ট্রীয় প্রটোকল বা পদমর্যাদাক্রমে এই পদের অবস্থান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পরেই, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে যৌথভাবে তৃতীয় অবস্থানে। সংবিধান বলছে, রাষ্ট্রপতি পদের সঙ্গে স্পিকার পদটি নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত।
সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, স্পিকার বরাবর নিজের সই করা চিঠিতে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে পারবেন। অন্যদিকে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
গুঞ্জন রয়েছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন খুব শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছেই তাকে পদত্যাগপত্র দিতে হবে। আবার নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত হাফিজ উদ্দিন আহমদকেই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সংবিধানের ১২৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ করলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
এর আগে বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে ২০০২ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী পদত্যাগ করেন। ওই সময় অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার প্রয়াত জমির উদ্দিন সরকার ৭৮ দিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। স্পিকার পদে থেকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের এটিই সবশেষ নজির।

বাংলাদেশ পুলিশের ১৭ জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনজন উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এবং ১১ জন অতিরিক্ত ডিআইজি সমমর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া আলোচনাকে ‘গুঞ্জন’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্যগত বা অন্য কোনো কারণে পদত্যাগ করতে চাইলে সংবিধানে সে সুযোগ রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী বলেন, প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কমিটির প্রতিটি সিদ্ধান্তে সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের প্রতিফলন থাকতে হবে। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণে দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, পরীক্ষার্থীরা এখন থেকে পূর্বঘোষিত নিয়মিত রুটিন অনুযায়ী বাকি পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেবেন। তবে যেসব পরীক্ষা ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেগুলো পরে নতুন সময়সূচি প্রকাশ করে আবার নেওয়া হবে।
৯ ঘণ্টা আগে