আরও এক মাস সময় পেল ঐকমত্য কমিশন

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৫, ১১: ২৫
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন

সরকার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়ে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করেছে। সোমবার (১১ আগস্ট) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছয় মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। আগামী ১৫ আগস্ট সেই সময় শেষ হওয়ার কথা ছিল।

ছয়টি সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বিবেচনা ও গ্রহণের জন্য এই কমিশনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ঐকমত্য কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করে সংস্কারের বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্যে আসছে।

সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি। এ ছাড়া জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক এবং দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামানকে এই কমিশনের সদস্য করা হয়েছে।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন কাজ শুরু করেছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় কমিশনকে সাচিবিক সহায়তা দিচ্ছে।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

নারায়ণগঞ্জে চব্বিশের জুলাই-আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ও তার ছেলে অয়ন ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

২ ঘণ্টা আগে

বৈধ অস্ত্র থানায় জমা দেওয়ার সময় বেঁধে দিল সরকার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে লাইসেন্স করা বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

২ ঘণ্টা আগে

আইনজীবী আলিফ হত্যা: চিন্ময়সহ সব আসামির বিচার শুরুর আদেশ

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল (জেলা ও দায়রা জজ) মো. জাহিদুল হকের আদালত অভিযোগ গঠনের এ আদেশ দেন।

৪ ঘণ্টা আগে

বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতি কেন্দ্রে একজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, প্রতি ভোটকক্ষে একজন সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও প্রতিটি ভোটকক্ষে দুজন করে পোলিং অফিসার থাকবেন। সব মিলিয়ে একেকটি কেন্দ্রে আট থেকে ১০ জন পোলিং অফিসার প্রয়োজন হবে।

৫ ঘণ্টা আগে