
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন রমজান ঘিরে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ফলে দেশের সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল ৮ মার্চের পরিবর্তে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই বন্ধ থাকবে।
এর আগে গত ৫ জানুয়ারি পুরো রমজান মাস স্কুল বন্ধ রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে উকিল নোটিশ দেন মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল নামের এক আইনজীবী। রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এ নোটিশটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে পাঠানো হয়।
ওই নোটিশে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে— এটিই আইন, প্রথা ও নীতি। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের তর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক। এটি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ‘এক প্রকার বৈষম্য’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছিল নোটিশে।
পুরো রমজান মাস স্কুল ছুটি রাখার কারণ হিসেবে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছিল, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের শিশু-কিশোরদের স্কুল করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্ট হবে। এতে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে দূরে থাকার শঙ্কা দেখা দেবে, যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র যানযটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।

আসন্ন রমজান ঘিরে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ফলে দেশের সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল ৮ মার্চের পরিবর্তে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই বন্ধ থাকবে।
এর আগে গত ৫ জানুয়ারি পুরো রমজান মাস স্কুল বন্ধ রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে উকিল নোটিশ দেন মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল নামের এক আইনজীবী। রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এ নোটিশটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে পাঠানো হয়।
ওই নোটিশে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে— এটিই আইন, প্রথা ও নীতি। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের তর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক। এটি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ‘এক প্রকার বৈষম্য’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছিল নোটিশে।
পুরো রমজান মাস স্কুল ছুটি রাখার কারণ হিসেবে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছিল, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের শিশু-কিশোরদের স্কুল করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্ট হবে। এতে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে দূরে থাকার শঙ্কা দেখা দেবে, যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র যানযটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।

নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্ত অপর দু’জন হলেন— সনি র্যাংগসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) একরাম হোসেনের ভাই ও কোম্পানিটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) বিনাস হোসেন এবং তাদের মা সাচিমি ওগাওয়ারা হোসেন।
২ ঘণ্টা আগে
নবনিযুক্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ দেশের এক সন্ধিক্ষণে আমার দুর্বল স্কন্দে বিশাল দায়িত্ব পড়েছে; আমি তার ভার মেটানোর চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ এবং অতিতে যেভাবে কাজ করেছি সে একইভাবে কাজ করব; আপনারা সবাই সহায়তা করবেন।’
২ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরো রমজান মাসজুড়ে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, আনসার, বিজিবি ও কোস্ট গার্ডসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ, দায়িত্বশীল ও অনন্য ভূমিকার কারণে জাতীয় নির্বাচন দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
৩ ঘণ্টা আগে