
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় আসাদুল হক বাবু হত্যার মামলায় গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে রয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, নির্যাতনসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।
এর মধ্যে ইউটিউবভিত্তিক একটি চ্যানেলের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, জুলাই আন্দোলনের সময় ইউটিউবার ও ব্লগারসহ কনটেন্ট নির্মাতাদের আওয়ামী লীগের পক্ষে জোর করে কাজ করাতেন তিনি। চার বছর আগে রাজধানীর গুলশানের একটি বাসা থেকে মোশাররাত জাহান মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার চাঞ্চল্য তৈরি করে সারা দেশে; সেই মুনিয়ার সঙ্গেও আফ্রিদির সম্পর্ক ছিল বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই আন্দোলন চলাকালে তৌহিদ আফ্রিদি দেশের জনপ্রিয় সব কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের হুমকি দিয়ে সরকারের পক্ষে কাজে লাগানোর চেষ্টা চালিয়েছেন। সরকারের পক্ষে কাজ না করলে ক্ষতি করা হবে বলেও নানাভাবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হুমকিধমকি দিতেন অন্যদের।
আফ্রিদির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন নারীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগও উঠেছে। প্রতিবেদনে নাম-পরিচয় প্রকাশ না করে এক নারী বলেন, দীর্ঘদিন সম্পর্ক থাকলেও আফ্রিদি হঠাৎ করে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মাধ্যমে গায়েব করে দেওয়ার হুমকি দেয়। মুনিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আছে জেনে এটা নিয়ে কথা বললে খুব বাজেভাবে রিঅ্যাক্ট করে। বলে, মুনিয়ার যে রকম অবস্থা হয়েছে, আমারও ঠিক সে রকম অবস্থা হবে। মানে ইনডিরেক্টলি ও আমাকে হত্যার হুমকিই দিয়েছে।
তৌহিদ আফ্রিদির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত দুটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে যাত্রাবাড়ি থানার মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে— জুলাই আন্দোলনে বিক্ষোভকারী আসাদুল হক বাবুকে হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তিনি জড়িত। এ মামলায় বর্তমানে পাঁচ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন তিনি।
আরেকটি মামলা হয়েছে বাড্ডা থানায়। এজাহারে উল্লেখ করা হয়— ২০২৪ সালের ২০ জুলাই মধ্য বাড্ডা ফ্লাইওভারের নিচে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায় আফ্রিদি।
জুলাই আন্দোলনে শত শত প্রাণহানির সময়েও তৌহিদ আফ্রিদির নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ওই সময় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি-ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। এরপর ডিবির এই কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিক সাক্ষাতের ছবি-ভিডিও আফ্রিদি নিজেই শেয়ার করেছিলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
জুলাই আন্দোলন নিয়ে দীর্ঘ সময় চুপ থাকায় আফ্রিদির সমালোচনা করে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন তারই ইউটিউবার বন্ধু সালমান মুক্তাদির। অনেক পরে অবশ্য আফ্রিদি ফেসবুক পোস্টে জুলাইয়ের শহিদ আবু সাঈদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর স্ট্যাটাস দিয়ে সমালোচিত হন।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবা নাসির উদ্দিন সাথীর গ্রেপ্তার ইস্যুতে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে নানা বক্তব্য আসছে। ৫ আগস্টের পর এক বছর পর তাদের কেন হত্যা মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার করা হলো— উঠেছে এমন প্রশ্ন। তারা আওয়ামী লীগের যথেষ্ঠ ঘনিষ্ঠ ছিলেন, এ প্রসঙ্গও আলোচনা থেকে বাদ যাচ্ছে না।
এদিকে তৌহিদের বাবা বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথীকে গত ১৭ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার একই মামলায় গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। নাসিরের মাইটিভির মালিকানা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, রয়েছে মাইটিভির মালিকানা দখল নিয়ে পালটাপালটি নানা আলোচনাও।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় আসাদুল হক বাবু হত্যার মামলায় গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে রয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, নির্যাতনসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।
এর মধ্যে ইউটিউবভিত্তিক একটি চ্যানেলের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, জুলাই আন্দোলনের সময় ইউটিউবার ও ব্লগারসহ কনটেন্ট নির্মাতাদের আওয়ামী লীগের পক্ষে জোর করে কাজ করাতেন তিনি। চার বছর আগে রাজধানীর গুলশানের একটি বাসা থেকে মোশাররাত জাহান মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার চাঞ্চল্য তৈরি করে সারা দেশে; সেই মুনিয়ার সঙ্গেও আফ্রিদির সম্পর্ক ছিল বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই আন্দোলন চলাকালে তৌহিদ আফ্রিদি দেশের জনপ্রিয় সব কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের হুমকি দিয়ে সরকারের পক্ষে কাজে লাগানোর চেষ্টা চালিয়েছেন। সরকারের পক্ষে কাজ না করলে ক্ষতি করা হবে বলেও নানাভাবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হুমকিধমকি দিতেন অন্যদের।
আফ্রিদির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন নারীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগও উঠেছে। প্রতিবেদনে নাম-পরিচয় প্রকাশ না করে এক নারী বলেন, দীর্ঘদিন সম্পর্ক থাকলেও আফ্রিদি হঠাৎ করে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মাধ্যমে গায়েব করে দেওয়ার হুমকি দেয়। মুনিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আছে জেনে এটা নিয়ে কথা বললে খুব বাজেভাবে রিঅ্যাক্ট করে। বলে, মুনিয়ার যে রকম অবস্থা হয়েছে, আমারও ঠিক সে রকম অবস্থা হবে। মানে ইনডিরেক্টলি ও আমাকে হত্যার হুমকিই দিয়েছে।
তৌহিদ আফ্রিদির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত দুটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে যাত্রাবাড়ি থানার মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে— জুলাই আন্দোলনে বিক্ষোভকারী আসাদুল হক বাবুকে হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তিনি জড়িত। এ মামলায় বর্তমানে পাঁচ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন তিনি।
আরেকটি মামলা হয়েছে বাড্ডা থানায়। এজাহারে উল্লেখ করা হয়— ২০২৪ সালের ২০ জুলাই মধ্য বাড্ডা ফ্লাইওভারের নিচে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায় আফ্রিদি।
জুলাই আন্দোলনে শত শত প্রাণহানির সময়েও তৌহিদ আফ্রিদির নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ওই সময় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি-ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। এরপর ডিবির এই কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিক সাক্ষাতের ছবি-ভিডিও আফ্রিদি নিজেই শেয়ার করেছিলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
জুলাই আন্দোলন নিয়ে দীর্ঘ সময় চুপ থাকায় আফ্রিদির সমালোচনা করে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন তারই ইউটিউবার বন্ধু সালমান মুক্তাদির। অনেক পরে অবশ্য আফ্রিদি ফেসবুক পোস্টে জুলাইয়ের শহিদ আবু সাঈদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর স্ট্যাটাস দিয়ে সমালোচিত হন।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবা নাসির উদ্দিন সাথীর গ্রেপ্তার ইস্যুতে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে নানা বক্তব্য আসছে। ৫ আগস্টের পর এক বছর পর তাদের কেন হত্যা মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার করা হলো— উঠেছে এমন প্রশ্ন। তারা আওয়ামী লীগের যথেষ্ঠ ঘনিষ্ঠ ছিলেন, এ প্রসঙ্গও আলোচনা থেকে বাদ যাচ্ছে না।
এদিকে তৌহিদের বাবা বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথীকে গত ১৭ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার একই মামলায় গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। নাসিরের মাইটিভির মালিকানা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, রয়েছে মাইটিভির মালিকানা দখল নিয়ে পালটাপালটি নানা আলোচনাও।

জুলাই সনদ নিয়ে বিভিন্ন অপপ্রচারের কথা উল্লেখ করে আলী রিয়াজ বলেন, “সনদে বিসমিল্লাহ নেই, এটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী—এমন নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। বাস্তবতা হলো, অনেক রক্তের বিনিময়ে নাগরিকদের ক্ষমতায়নের যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, তা হেলায় হারানো যাবে না।”
১৪ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের আইন এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করেছে অন্তবর্তী সরকার। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
১৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন পরিচালনার মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের এবং এ দায়িত্বে কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন এর সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে সরকারকে শতভাগ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স কাজী আসিফ আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. জসিম উদ্দিন এবং ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পর
২১ ঘণ্টা আগে