
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির বাসায় গিয়ে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানালেন সরকারের তিন নারী উপদেষ্টা। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার শনিবার ওসমান হাদির রামপুরার বাসায় যান।
এ সময় ওসমান হাদির মা, স্ত্রী রাবেয়া ও ১০ মাসের সন্তানের সঙ্গে তারা সময় কাটান। উপদেষ্টাদের কাছে পেয়ে শোকার্ত স্ত্রী রাবেয়া স্বামীর হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেছেন।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিজেই ফেসবুকে পোস্ট করে জানিয়েছেন ফরিদা আখতার।
ফেসবুক পোস্টে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার লিখেছেন, ‘আজ (শনিবার) তিন উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম, শারমিন মুরশিদ এবং আমি গিয়েছিলাম রামপুরায় ওসমান হাদির বাসায়। হাদির স্ত্রী রাবেয়া, তার মা এবং ছোট ১০ মাসের শিশুকে দেখলাম। রাবেয়া সন্তানকে হাদীর আদর্শে গড়ে তোলার শপথ নিয়ে শক্ত থাকার চেষ্টা করছে, তার জন্যে কান্নাও কষ্টকর। ছেলে মায়ের চোখে পানি দেখলে কাঁদে। ওসমান হাদি তাকে অনেক দায়িত্ব দিয়ে গেছে, তার অনেক অসমাপ্ত কাজও হয়তো তাকে করতে হবে। ওসমান হাদির মার কান্না কেমন তা বলে বোঝাবার মতো নয়। তিনি কথা বলছেন, চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়ছে। আবার তার চোখে ছেলের জন্যে গর্বও দেখা যায়।
তিনি লিখেছেন, ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড পুরো পরিবারকে ছারখার করে দিয়েছে। এক সংক্ষিপ্ত জীবনে সে যেন খুব তাড়াহুড়া করে অনেক কিছু অর্জন করে ফেলেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও কেন জানি মনে হলো হত্যাকারী জানে না সে আসলে ওসমান হাদিকে শারীরিকভাবে হত্যা করলেও তাকে শেষ করে দিতে পারেনি। রাবেয়ার দৃঢ়তা, মায়ের দোয়া, ছোট ছেলের ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা এক সময় আবার নতুন ওসমান হাদি সামনে এসে দাঁড়াবে। রাবেয়ার শুধু একটি চাওয়া, ওসমান হাদির হত্যাকারীর বিচার এবং শাস্তি যেন অবশ্যই হয়।
উপদেষ্টা লিখেছেন, ওসমান হাদির মৃত্যু তরুণদের মধ্যে ভীতি নয়, স্বপ্ন তৈরি করছে। এক এক জনের নতুন ওসমান হাদি হওয়ার স্বপ্ন। নজরুল হবার স্বপ্ন। যাকে ওসমান হাদি এতো ভালবেসেছিল।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির বাসায় গিয়ে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানালেন সরকারের তিন নারী উপদেষ্টা। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার শনিবার ওসমান হাদির রামপুরার বাসায় যান।
এ সময় ওসমান হাদির মা, স্ত্রী রাবেয়া ও ১০ মাসের সন্তানের সঙ্গে তারা সময় কাটান। উপদেষ্টাদের কাছে পেয়ে শোকার্ত স্ত্রী রাবেয়া স্বামীর হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেছেন।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিজেই ফেসবুকে পোস্ট করে জানিয়েছেন ফরিদা আখতার।
ফেসবুক পোস্টে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার লিখেছেন, ‘আজ (শনিবার) তিন উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম, শারমিন মুরশিদ এবং আমি গিয়েছিলাম রামপুরায় ওসমান হাদির বাসায়। হাদির স্ত্রী রাবেয়া, তার মা এবং ছোট ১০ মাসের শিশুকে দেখলাম। রাবেয়া সন্তানকে হাদীর আদর্শে গড়ে তোলার শপথ নিয়ে শক্ত থাকার চেষ্টা করছে, তার জন্যে কান্নাও কষ্টকর। ছেলে মায়ের চোখে পানি দেখলে কাঁদে। ওসমান হাদি তাকে অনেক দায়িত্ব দিয়ে গেছে, তার অনেক অসমাপ্ত কাজও হয়তো তাকে করতে হবে। ওসমান হাদির মার কান্না কেমন তা বলে বোঝাবার মতো নয়। তিনি কথা বলছেন, চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়ছে। আবার তার চোখে ছেলের জন্যে গর্বও দেখা যায়।
তিনি লিখেছেন, ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড পুরো পরিবারকে ছারখার করে দিয়েছে। এক সংক্ষিপ্ত জীবনে সে যেন খুব তাড়াহুড়া করে অনেক কিছু অর্জন করে ফেলেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও কেন জানি মনে হলো হত্যাকারী জানে না সে আসলে ওসমান হাদিকে শারীরিকভাবে হত্যা করলেও তাকে শেষ করে দিতে পারেনি। রাবেয়ার দৃঢ়তা, মায়ের দোয়া, ছোট ছেলের ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা এক সময় আবার নতুন ওসমান হাদি সামনে এসে দাঁড়াবে। রাবেয়ার শুধু একটি চাওয়া, ওসমান হাদির হত্যাকারীর বিচার এবং শাস্তি যেন অবশ্যই হয়।
উপদেষ্টা লিখেছেন, ওসমান হাদির মৃত্যু তরুণদের মধ্যে ভীতি নয়, স্বপ্ন তৈরি করছে। এক এক জনের নতুন ওসমান হাদি হওয়ার স্বপ্ন। নজরুল হবার স্বপ্ন। যাকে ওসমান হাদি এতো ভালবেসেছিল।

মীর শাহে আলম বগুড়া-২ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত এমপি এবং সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী। সংসদে দেওয়া বিবৃতিতে ও পরে প্রেস রিলিজ দিয়ে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করেছেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
গবেষণাটি জাতিসংঘের নির্বাচনী সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় পরিচালিত হয়েছে। এতে রাজনীতিতে নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতাকে অন্যতম প্রধান প্রতিবন্ধক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা অফলাইন ও অনলাইন উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সহিংসতা নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বে আসার পথকে বাধাগ
১৩ ঘণ্টা আগে
পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘একে অপরের প্রতিপক্ষ হয়ে নয়, বরং মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে। কোনো বিশেষ গোষ্ঠীকে প্রাধান্য দেওয়া হবে না; সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে জনস্বার্থ ও জনগণের প্রত্যাশা। খুব শিগগিরই দেশে আন্ত
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্র এলাকা কেবল একটি ভৌগোলিক পরিসীমা নয়; এটি আমাদের অর্থনৈতিক শক্তি, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এ সমুদ্রসীমায় রয়েছে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা।
১৬ ঘণ্টা আগে