
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচারসহ ৪ দফা দাবিতে শাহবাগ থেকে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় শাহবাগের হাদি চত্বর থেকে এ যাত্রা শুরু করেছে।
এ সময় মার্চ ফর ইনসাফ অংশ নেওয়া নেতা বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোন যায়। স্লোগানের মধ্যে রয়েছে, ‘হাদির ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’, ‘রক্ত বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘লাল-সবুজের পতাকা, ইনকিলাবের পতাকা, হাদি তোমায় দেখা যায়’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’।
মার্চ ফর ইনসাফ পথযাত্রায় ১০টি পিকআপে নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন।
আয়োজকরা জানান, রোড মার্চটি শাহবাগের শহীদ হাদি চত্বর থেকে শুরু হয়ে সায়েন্সল্যাব মোড় ঘুরে সিটি কলেজের সামনে পৌঁছাবে। সেখান থেকে মিছিলটি মোহাম্মদপুরের তিন রাস্তার মোড়ের দিকে অগ্রসর হবে বলে জানান আয়োজকরা। এরপর রোডমার্চটি মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বর এলাকায় প্রবেশ করবে। পরে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে উত্তরা বিবিএনএস সেন্টারের সামনে সংক্ষিপ্ত বিরতি নেবেন নেতাকর্মীরা। এই অংশে মিছিলের গতি কিছুটা ধীর রাখা হবে, যাতে জনসমাগম ও ট্রাফিক সামাল দেওয়া যায়।
এরপর বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে মিছিলটি বসুন্ধরা যমুনা ফিউচার পার্ক এলাকা অতিক্রম করে ৪টার দিকে বাড্ডা এলাকায় পৌঁছাবে। সেখান থেকে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে বেরিয়ে রামপুরার টিভি সেন্টারের দিকে অগ্রসর হবেন।
সন্ধ্যা ৬টার দিকে রোডমার্চটি যাত্রাবাড়ী পার্ক এলাকায় গিয়ে শেষ পর্বে প্রবেশ করবে। সবশেষে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে পুনরায় শাহবাগ চত্বরে ফিরে এসে কর্মসূচির সমাপনী জমায়েত করবেন তারা।
দাবিগুলো হলো-
১. খুনি, খুনের পরিকল্পনাকারী, খুনের সহায়তাকারী, পলায়নে সহযোগী, আশ্রয়দাতাসহ পুরো খুনিচক্রের আগামী ২৪ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।
২. বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে।
৩. ভারত তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া সব খুনিদের ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
৪. সিভিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচারসহ ৪ দফা দাবিতে শাহবাগ থেকে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় শাহবাগের হাদি চত্বর থেকে এ যাত্রা শুরু করেছে।
এ সময় মার্চ ফর ইনসাফ অংশ নেওয়া নেতা বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোন যায়। স্লোগানের মধ্যে রয়েছে, ‘হাদির ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’, ‘রক্ত বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘লাল-সবুজের পতাকা, ইনকিলাবের পতাকা, হাদি তোমায় দেখা যায়’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’।
মার্চ ফর ইনসাফ পথযাত্রায় ১০টি পিকআপে নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন।
আয়োজকরা জানান, রোড মার্চটি শাহবাগের শহীদ হাদি চত্বর থেকে শুরু হয়ে সায়েন্সল্যাব মোড় ঘুরে সিটি কলেজের সামনে পৌঁছাবে। সেখান থেকে মিছিলটি মোহাম্মদপুরের তিন রাস্তার মোড়ের দিকে অগ্রসর হবে বলে জানান আয়োজকরা। এরপর রোডমার্চটি মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বর এলাকায় প্রবেশ করবে। পরে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে উত্তরা বিবিএনএস সেন্টারের সামনে সংক্ষিপ্ত বিরতি নেবেন নেতাকর্মীরা। এই অংশে মিছিলের গতি কিছুটা ধীর রাখা হবে, যাতে জনসমাগম ও ট্রাফিক সামাল দেওয়া যায়।
এরপর বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে মিছিলটি বসুন্ধরা যমুনা ফিউচার পার্ক এলাকা অতিক্রম করে ৪টার দিকে বাড্ডা এলাকায় পৌঁছাবে। সেখান থেকে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে বেরিয়ে রামপুরার টিভি সেন্টারের দিকে অগ্রসর হবেন।
সন্ধ্যা ৬টার দিকে রোডমার্চটি যাত্রাবাড়ী পার্ক এলাকায় গিয়ে শেষ পর্বে প্রবেশ করবে। সবশেষে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে পুনরায় শাহবাগ চত্বরে ফিরে এসে কর্মসূচির সমাপনী জমায়েত করবেন তারা।
দাবিগুলো হলো-
১. খুনি, খুনের পরিকল্পনাকারী, খুনের সহায়তাকারী, পলায়নে সহযোগী, আশ্রয়দাতাসহ পুরো খুনিচক্রের আগামী ২৪ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।
২. বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে।
৩. ভারত তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া সব খুনিদের ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
৪. সিভিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

অন্তত ২১ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন, ৯ জন লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন এবং ৮ জনকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৩ জন সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে এবং ৮টি মামলায় ১৪ জন সাংবাদিককে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
অনুমোদিত খসড়ায় গুমের অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আর গুমের ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে, মরদেহ উদ্ধার হলে অথবা গুম হওয়ার পাঁচ বছর পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হলে অপরাধীর জন্য মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক কোটি
১৫ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ থাকলে প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে। অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
জামিন চেয়ে করা আবেদনের প্রাথমিক শুনানির পর আদালত রুল জারি করেছিলেন। পরে চূড়ান্ত শুনানি শেষে সেই রুল যথাযথ ঘোষণা করে জাহের আলভীকে জামিন দেওয়া হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে