
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে তিনি স্বাধীনতাকে জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন বলে উল্লেখ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মাচ) স্বাধীনতা দিবস সামনে রেখে বুধবার (২৫ মাচ) এ বাণী দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বাণীতে তিনি শহিদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে সমুন্নত রেখে একটি সুখী-সমৃদ্ধ ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতা জাতি হিসেবে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। আজকের এই দিনে আমি সশ্রদ্ধচিত্তে ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহিদদের, যাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা।
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমসহ সব বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতনের শিকার মা-বোন, মুক্তিযুদ্ধের জাতীয় নেতা, সংগঠক ও সর্বস্তরের জনগণকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসামান্য আত্মত্যাগ আমাদের একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার পথে দৃপ্ত পদভারে এগিয়ে চলার সাহস জোগায়। স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, শোষণমুক্ত সমাজ ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং সর্বস্তরের জনগণের ক্ষমতায়নকে সুসংহত করা।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের সব ক্ষেত্রে সাম্য, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে স্বাধীনতার অপূর্ণ স্বপ্নগুলো পূরণ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুখী-সমৃদ্ধ মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা আমাদের পবিত্র কর্তব্য।
দীর্ঘদিনের অপশাসন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকটের বিরূপ প্রভাবের কথা উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে এসব পরিস্থিতি মোকাবিলা করে একটি স্বনির্ভর ও গতিশীল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে চলছে। এ সময় দৃঢ় জাতীয় ঐক্য, সহমর্মিতা ও দেশপ্রেম খুব জরুরি।
বাণীর শেষাংশে রাষ্ট্রপতি দল-মত-পথ নির্বিশেষে দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ইনসাফভিত্তিক ও কর্মমুখর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি স্বাধীনতা দিবসে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে তিনি স্বাধীনতাকে জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন বলে উল্লেখ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মাচ) স্বাধীনতা দিবস সামনে রেখে বুধবার (২৫ মাচ) এ বাণী দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বাণীতে তিনি শহিদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে সমুন্নত রেখে একটি সুখী-সমৃদ্ধ ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতা জাতি হিসেবে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। আজকের এই দিনে আমি সশ্রদ্ধচিত্তে ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহিদদের, যাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা।
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমসহ সব বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতনের শিকার মা-বোন, মুক্তিযুদ্ধের জাতীয় নেতা, সংগঠক ও সর্বস্তরের জনগণকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসামান্য আত্মত্যাগ আমাদের একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার পথে দৃপ্ত পদভারে এগিয়ে চলার সাহস জোগায়। স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, শোষণমুক্ত সমাজ ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং সর্বস্তরের জনগণের ক্ষমতায়নকে সুসংহত করা।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের সব ক্ষেত্রে সাম্য, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে স্বাধীনতার অপূর্ণ স্বপ্নগুলো পূরণ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুখী-সমৃদ্ধ মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা আমাদের পবিত্র কর্তব্য।
দীর্ঘদিনের অপশাসন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকটের বিরূপ প্রভাবের কথা উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে এসব পরিস্থিতি মোকাবিলা করে একটি স্বনির্ভর ও গতিশীল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে চলছে। এ সময় দৃঢ় জাতীয় ঐক্য, সহমর্মিতা ও দেশপ্রেম খুব জরুরি।
বাণীর শেষাংশে রাষ্ট্রপতি দল-মত-পথ নির্বিশেষে দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ইনসাফভিত্তিক ও কর্মমুখর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি স্বাধীনতা দিবসে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এক দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে সিলেট বিভাগে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৪৫৩ শিশু প্রাণ হারিয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
মুগদা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. শাহাবুল হুদা চৌধুরী বলেন, বয়স ৫০-এর কাছাকাছি গেলে অর্ধেকের বেশি মানুষ উচ্চ রক্তচাপ বা এর ঝুঁকিতে পড়েন। উদ্বেগের বিষয় হলো, তরুণ কর্মজীবীদের মধ্যেও উচ্চ রক্তচাপ বাড়ছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে তেল-গ্যাস খাতে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ‘খুব খারাপ’ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
১৬ ঘণ্টা আগে
সরকার রাষ্ট্র ও সমাজকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চায় এবং সেই লক্ষ্যেই চলচ্চিত্রসহ সৃজনশীল খাতকে জাতীয় উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
১৮ ঘণ্টা আগে