আকস্মিক বন্যা— এআইয়ের অদৃশ্য মূল্য চুকাতে হলো নেপালকে?

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০: ২৮
প্রতীকী ছবি

নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের পর আধুনিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। হিমালয়ের মতো ভঙ্গুর অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। এর মধ্যে এআই পরিচালনায় প্রয়োজনীয় বিপুল বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানির ব্যবহার বৈশ্বিক উষ্ণায়নে কতটা ভূমিকা রাখছে— সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।

গত ২৬ আগস্ট চীন-নেপাল সীমান্তবর্তী হিমালয় অঞ্চলে হিমবাহসংলগ্ন শিলাস্তর ধসে ভোটেকোশি ও ত্রিশূলীসহ কয়েকটি নদীর অববাহিকায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস হয়। এতে বহু জনপদ, সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রায় সাড়ে সাত হাজার বাড়ি ধ্বংস এবং ২০ হাজার বাড়ি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। আজ শুক্রবার পর্যন্ত ১ হাজার ২৮৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৫ হাজার ৮৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

কাঠমান্ডু পোস্টের খবরে বলা হয়, নজিরবিহীন এই ধ্বংসযজ্ঞের পর নেপালসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা হিমালয়ের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির সঙ্গে জলবায়ু সংকটের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু করেন। এরই সঙ্গে পরোক্ষভাবে আলোচনায় আসে এআইয়ের পরিবেশগত প্রভাব।

এর মধ্যে কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ মহেশ কুশওয়াহা ফেসবুকে এআইনির্মিত একটি ইনফোগ্রাফিক শেয়ার করেন। ব্যঙ্গাত্মক ওই চিত্রে প্রযুক্তির বিকাশ কীভাবে পরিবেশগত অবক্ষয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে, তার একটি ধারাবাহিকতা তুলে ধরা হয়।

চিত্রটিতে দেখানো হয়, বিশ্ব জুড়ে এআইয়ের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশাল ডেটা সেন্টারে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহারও বাড়ছে। একই সঙ্গে নিঃসরণ হচ্ছে বিপুল পরিমাণ কার্বন। এই কার্বন নিঃসরণ বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বাড়িয়ে উচ্চভূমির তাপমাত্রা বৃদ্ধি, হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়া এবং পাহাড়ি ভূপ্রকৃতিকে অস্থিতিশীল করার মতো প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে। এর চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকিও বাড়তে পারে— এমন একটি শৃঙ্খল ওই ইনফোগ্রাফিকে দেখানো হয়েছে।

তবে এআই নিয়ে আলোচনা শুধু এর পরিবেশগত ক্ষতি ঘিরে নয়। উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ আশুতোষ তিওয়ারি প্রশ্ন তুলেছেন— দুর্যোগের সময় এআই কোথায় থাকে?

আশুতোষ বলেন, ‘এজেন্টিক এআই (স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে সক্ষম) হোক বা অন্য কোনো ধরনের প্রযুক্তি— প্রযুক্তি যদি সত্যিই উপকারী হয়, তাহলে এখনই মাঠপর্যায়ে বাস্তব সময়ের তথ্য বিশ্লেষণ ও উদ্ধারকাজে এটি ব্যবহারের উপযুক্ত সময়।’

নেপালে প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা প্রায়ই ‘এআই ও কৃষি’, ‘এআই ও পরিবহন’ কিংবা ‘এআই ও শিশুযত্নে’র মতো প্রচলিত সেমিনারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে বলেও সমালোচনা করেন তিওয়ারি। তার মতে, সংকট মোকাবিলায় বাস্তবে ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম তৈরির দিকে আরও বেশি মনোযোগ প্রয়োজন।

তবে ভোটেকোশি বন্যার সঙ্গে এআই বা ডেটা সেন্টারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে— এমন নানা গুজবও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত একটি দাবি হলো, চীন কোনো হিমবাহের নিচে ভূগর্ভস্থ এআই সার্ভার ফার্ম তৈরি করেছিল এবং সেখানকার সার্ভার থেকে উৎপন্ন তাপে বরফ গলে গিয়ে বন্যার সৃষ্টি হয়।

বিশেষজ্ঞরা এই দাবির কোনো প্রমাণ পাননি। পরিবেশ, টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি-সংক্রান্ত খবরের অনলাইন নিউজ ওয়েবসাইট ও ব্লগ ‘গ্রিন প্রফেটে’ সাংবাদিক কারিন ক্লুস্টারম্যান লিখেছেন, ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ ব্যবহার ও গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ বৈশ্বিক উষ্ণায়নে ভূমিকা রাখলেও চীনের কোনো ডেটা সেন্টার ভোটেকোশির বন্যা ঘটিয়েছে— এমন নির্দিষ্ট দাবি ‘পুরোটাই গুজব’।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির অগ্রাধিকার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এক্সে নাইজেরিয়ার ব্যবহারকারী ওয়োগবোলাহান রাফায়েল লিখেছেন, নেপালে যা ঘটছে, তাতে বিশ্বের অগ্রাধিকার নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। রোবট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে বিপুল মনোযোগ, সম্পদ ও মেধা বিনিয়োগ করা হলেও মানুষের জীবনধারণের ভিত্তি পরিবেশ ক্রমাগত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে— এমন প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

এআই চালাতে যে অদৃশ্য অবকাঠামো

এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে আধুনিক সফটওয়্যার চালু রাখার অদৃশ্য অবকাঠামো— বিশাল ডেটা সেন্টার। এআই ব্যবস্থা তৈরি ও পরিচালনায় এসব কেন্দ্রকে সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হয়। ফলে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানি প্রয়োজন হয়।

কুইকফক্স টেকনোলজিসের প্রধান নির্বাহী রিচান শ্রেষ্ঠ বলেন, একটি ডেটা সেন্টার একটি পুরো শহরের সমপরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে। সার্ভার ঠান্ডা রাখতেও বিপুল পানি ও জ্বালানি লাগে।

তার দাবি, ডেটা সেন্টার ও এর কুলিং ব্যবস্থা থেকে নির্গত তাপ ১০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে পরিবেশের তাপমাত্রা ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে। এতে স্থানীয় পরিবেশের ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। নেপালে ডেটা সেন্টার নির্মাণ নিয়ে আলোচনা বাড়ায় প্রকল্প শুরুর আগে পূর্ণাঙ্গ পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এআইয়ের জ্বালানি ও পানির চাহিদা বাড়ছে

ডেটা অবকাঠামোর পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে আন্তর্জাতিক গবেষণাতেও উদ্বেগের চিত্র উঠে এসেছে। জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় (ইউএনইউ) গত ৩ জুন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এআই ও ডেটা সেন্টারগুলোর বৈশ্বিক বিদ্যুৎ ব্যবহার ৯৪৫ টেরাওয়াট-ঘণ্টায় পৌঁছাতে পারে।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দশকের শেষ নাগাদ এআই অবকাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত পানির ব্যবহার ১৩০ কোটি মানুষের মৌলিক গৃহস্থালি পানির প্রয়োজনের সমপরিমাণ হতে পারে। একই সময়ে এসব ডেটা সেন্টারের ভৌত অবকাঠামো প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বিস্তৃত হতে পারে।

ইউএনইউ বলেছে, এই আয়তন ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার প্রায় দ্বিগুণ। জাকার্তায় ৩ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করে।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আন্দ্রেয়া মারিনোনির নেতৃত্বে পরিচালিত আরেক গবেষণাতেও ডেটা সেন্টারের তাপীয় প্রভাবের বিষয়টি উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা যায়, এসব কেন্দ্র পরিচালনার ফলে আশপাশের ভূমির পৃষ্ঠতাপমাত্রা গড়ে ৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট বাড়তে পারে। কিছু এলাকায় এই বৃদ্ধি ১৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। গবেষকদের হিসাবে, এ ধরনের তাপদ্বীপের প্রভাব বিশ্বজুড়ে ৩৪ কোটির বেশি মানুষের ওপর পড়ছে।

হিমালয়ের ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা

আন্তর্জাতিক পর্বত উন্নয়ন কেন্দ্রও (আইসিআইএমওডি) একই সময়ে হিমালয় অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছে। ২৬ আগস্ট প্রকাশিত এক মিডিয়া পরামর্শপত্রে সংস্থাটির জ্যেষ্ঠ হিমবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ ফারুক আজম বলেন, হিমালয়ের ক্রায়োস্ফিয়ার বা বরফনির্ভর অঞ্চলের ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে।

তিনি বলেন, পরিবর্তনের গতি আমাদের ঝুঁকি প্রশমন প্রচেষ্টাকে অনেকখানি ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও যৌথ পদক্ষেপ প্রয়োজন।

তবে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে ভোটেকোশি বন্যার সরাসরি কারণ-সম্পর্ক প্রমাণ করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তারপরও ঘটনাটি হিমালয়ের পরিবর্তিত পরিবেশগত পরিস্থিতি এবং জলবায়ু সংকটের প্রভাব নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছে।

সোমবার কাঠমান্ডুভিত্তিক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল কান্টিপুর টিভির ‘ফায়ারসাইড’ অনুষ্ঠানে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল বলেন, ভোটেকোশির মতো দুর্যোগকে বৈশ্বিক জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রশ্ন হিসেবে দেখতে হবে।

তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে নেপালের অবদান প্রায় শূন্য। অথচ আমাদের পাহাড় ও আমাদের নাগরিকেরা ভয়াবহ মূল্য দিচ্ছে।’

নেপাল কেবল সাহায্য বা অনুদান চাইছে না উল্লেখ করে খানাল বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দূষণকারী দেশগুলোর জবাবদিহির প্রশ্ন এটি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিষয়টি তুলবে নেপাল।

দুর্যোগ মোকাবিলায় এআইয়ের ব্যবহারও জরুরি

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যে এআইকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যানের দাবি নেই। বরং প্রযুক্তির পরিবেশগত মূল্য কমানোর পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় এর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় এআইয়ের ব্যবহার, পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। সিডার গেট সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেডের প্রধান কপিল রাজ পান্ডে বলেন, দুর্যোগের সময় সতর্কতা ও নজরদারি ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে জিপিএস ও ড্রোনভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে।

অর্থাৎ, ভোটেকোশির ধ্বংসযজ্ঞ এআইকে সরাসরি দায়ী করার প্রমাণ দেয়নি। কিন্তু এই বিপর্যয় একই সঙ্গে দুটি প্রশ্ন সামনে এনেছে— একদিকে দ্রুত পরিবর্তনশীল হিমালয় ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রযুক্তিকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, অন্যদিকে সেই প্রযুক্তি চালু রাখতে যে বিপুল পানি, বিদ্যুৎ ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যয় হচ্ছে, তার পরিবেশগত মূল্য কতটা গ্রহণযোগ্য।

ভোটেকোশির পর এই দুই প্রশ্নের উত্তর খোঁজাই এখন বিশেষজ্ঞদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

Ad
Ad
ad
ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

সব সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

অবৈধ ক্লিনিক ও ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘জেলাগুলোতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। এ সময় অবৈধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লিনিক সিলগালা করা হচ্ছে।’

৫ ঘণ্টা আগে

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের দেশ: কৃষিমন্ত্রী

কুমিল্লায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কৃষিমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর কোনো ধর্মই অন্যায়, অবিচার কিংবা অশুভ শক্তিকে প্রশ্রয় দেয় না। সব ধর্মের মূল শিক্ষা মানবকল্যাণ, ন্যায়, সৌন্দর্য, সহমর্মিতা ও শান্তির পক্ষে অবস্থান নেওয়া। ফলে মানুষের

৬ ঘণ্টা আগে

প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

গোপীনাথপুর এলাকায় পৌঁছালে ফিরোজা বেগম মহাসড়কের এক পাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির সামনে চলে আসেন। তাকে বাচাতে গিয়ে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারান। পরে গাড়িটি সড়কের পাশের ধানখেতে নেমে যায়। এতে ফিরোজা বেগম গুরুতর আহত হন। প্রতিমন্ত্রী ও তার স্ত্রীও আহত হন।

৬ ঘণ্টা আগে

ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৬৯

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় অভিযান চালিয়ে ৫৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এ সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৬৯টি মামলা হয়েছে।

৮ ঘণ্টা আগে
Advertisement