
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের সকল শিক্ষকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষক একটি মহান পেশা। কিন্তু কিছু শিক্ষক দুর্নীতি করে পেশাটাকে নষ্ট করে ফেলেছেন। আর নয়। সবাই সাবধান হয়ে যান।’
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার ক্ষেত্রে সবাইকে দুর্নীতিমুক্ত থাকতে হবে। শুধু অর্থনৈতিক দুর্নীতি দূর নয়, নৈতিকতার দুর্নীতি দূর করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়ে সরকারের টাকা নেবেন, কিন্তু কেউ পাস করবে না। তাহলে কি সেই টাকা হারাম হবে না?’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আগে শিক্ষকরা নিজের লাভের চিন্তা করতো না, তারা শিক্ষার্থীদের সন্তানের মতো পড়াশোনা করাতো। কিন্তু এখন প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকরা নিজের সন্তানদের প্রাথমিক স্কুলে পাঠান না। সন্তানের পড়াশোনার জন্য জেলা শহরে বাসা নিয়ে সেখানকার স্কুলে ভর্তি করান।’
শিক্ষা বেকারত্ব কমানোর জন্য হলেও, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা বেকার বাড়াচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেকারত্ব বাড়ানোর নাকি কমানোর কারখানা? যে শিক্ষাব্যবস্থা বেকারত্ব বাড়ায় তা থেকে বের হয়ে কার্যকরী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষায় পাঠদান পদ্ধতি আরও যুক্তিযুক্ত করতে হবে। শিশুদের হাতে-কলমে শিক্ষার ওপর দিতে হবে গুরুত্ব। যে শিক্ষা ব্যবস্থা বেকারত্ব বাড়ায় তা বাদ দিয়ে কার্যকরী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘একুশ আমাদের চেতনা। একে কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বাংলা ভাষাকে কার্যকর করতে হবে। মাতৃভাষার পাশাপাশি দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে আমরা কোনটায় গুরুত্ব দেবো, সেটা নিয়েও ভাবতে হবে।’

দেশের সকল শিক্ষকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষক একটি মহান পেশা। কিন্তু কিছু শিক্ষক দুর্নীতি করে পেশাটাকে নষ্ট করে ফেলেছেন। আর নয়। সবাই সাবধান হয়ে যান।’
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার ক্ষেত্রে সবাইকে দুর্নীতিমুক্ত থাকতে হবে। শুধু অর্থনৈতিক দুর্নীতি দূর নয়, নৈতিকতার দুর্নীতি দূর করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়ে সরকারের টাকা নেবেন, কিন্তু কেউ পাস করবে না। তাহলে কি সেই টাকা হারাম হবে না?’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আগে শিক্ষকরা নিজের লাভের চিন্তা করতো না, তারা শিক্ষার্থীদের সন্তানের মতো পড়াশোনা করাতো। কিন্তু এখন প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকরা নিজের সন্তানদের প্রাথমিক স্কুলে পাঠান না। সন্তানের পড়াশোনার জন্য জেলা শহরে বাসা নিয়ে সেখানকার স্কুলে ভর্তি করান।’
শিক্ষা বেকারত্ব কমানোর জন্য হলেও, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা বেকার বাড়াচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেকারত্ব বাড়ানোর নাকি কমানোর কারখানা? যে শিক্ষাব্যবস্থা বেকারত্ব বাড়ায় তা থেকে বের হয়ে কার্যকরী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষায় পাঠদান পদ্ধতি আরও যুক্তিযুক্ত করতে হবে। শিশুদের হাতে-কলমে শিক্ষার ওপর দিতে হবে গুরুত্ব। যে শিক্ষা ব্যবস্থা বেকারত্ব বাড়ায় তা বাদ দিয়ে কার্যকরী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘একুশ আমাদের চেতনা। একে কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বাংলা ভাষাকে কার্যকর করতে হবে। মাতৃভাষার পাশাপাশি দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে আমরা কোনটায় গুরুত্ব দেবো, সেটা নিয়েও ভাবতে হবে।’

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। আগামী পাঁচ বছরে মন্ত্রণালয়ের কোথাও কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে না। এমনকি কাউকে দুর্নীতি করতেও দেওয়া হবে না।
৪ ঘণ্টা আগে
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জলবায়ু মোকাবিলা, বেকারত্ব দূর করাসহ নানা কর্মসূচি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নেয়া হচ্ছে। তবে কোনো পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন হবে না যদি, গণমাধ্যমকে সঠিকভাবে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে দেওয়া না হয়। আমি তাই গণমাধ্যমের অভিভাবক হতে চাই।
৪ ঘণ্টা আগে
আগামীর বাংলাদেশ বাকস্বাধীনতার বাংলাদেশ, সমৃদ্ধির বাংলাদেশ উল্লেখ করে নবনিযুক্ত কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশীদ বলেছেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকার এ লক্ষ্যেই কাজ করবে।
৫ ঘণ্টা আগে
তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, এদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যতটা ধ্বংস হয়েছে আমরা ভেবেছি তার চেয়েও বেশি। দলীয়করণ, আত্মীয়করণ, দুর্নীতি, অনাচার, অযোগ্য মানুষকে দায়িত্ব দেওয়া সব মিলিয়ে এই সর্বনাশ হয়েছে। এই অবস্থা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ নেই।
৫ ঘণ্টা আগে